১২:৫২ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই , ২০১৯
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / মুসা বিন শমসেরের ফাঁকা বুলি, ওর তেমন কিছু নেই : মুসা যত গর্জে, তত না : দুদক চেয়ারম্যান

মুসা বিন শমসেরের ফাঁকা বুলি, ওর তেমন কিছু নেই : মুসা যত গর্জে, তত না : দুদক চেয়ারম্যান

musa-bin-shamser     04.2.15ঢাকা, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দুর্নীতি কমিশনের চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান বলেছেন,  নিজের ধন-সম্পদ সম্পর্কে আলোচিত ব্যবসায়ী ও ড্যাটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুসা বিন শমসের (প্রিন্স মুসা) যতটা বলেছেন ততটা নয়।

তিনি বলেন, ‘মুসা যত গর্জে, তত না। দুদকের কাছে তিনি বিশাল জমি-জমার হিসাব দিয়েছেন। তবে কোনো জায়গায়ই তার দখলে নেই। আবার বিদেশে আটক ১২ বিলিয়ন ডলারের যে তথ্য দিয়েছেন, সেখান থেকে সে তথ্যও পাচ্ছি না। আবার সেও কিছু দিতে পারছেও না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা খোঁজ-খবর নিয়ে দেখেছি, তেমন কিছু নেই। যতটা না করেছেন, তার চেয়ে বেশি বলেছেন তিনি।’

এর আগে মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও তার কাছ থেকে সুইস ব্যাংকের হিসাব নম্বর পায়নি দুদক। কমিশনে মুসার জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতেও এ তথ্য নেই। সুইস ব্যাংকের হিসাব নম্বর না পাওয়ায় সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়ে এমএলএআর পাঠাতে পারছে না দুদক। তাই শিগগিরই সুইস ব্যাংকের ওই হিসাব নম্বরটি জানতে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ৭ জুন দুদকে সম্পদ বিবরণী জমা দেন মুসা বিন শমসের। সম্পদ বিবরণীতে তিনি সুইস ব্যাংকে তার ১২ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশী প্রায় ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা- প্রতি ডলার ৭৮ টাকা হিসেবে) ফ্রিজ (আটক) থাকার কথা বলেন। এ ছাড়া সুইস ব্যাংকে ৯০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের (বাংলাদেশি প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) অলংকার জমার তথ্যও দেন তিনি। আর দেশে তার সম্পদের মধ্যে গুলশান ও বনানীতে দুটি বাড়ি, সাভার ও গাজীপুরে এক হাজার ২০০ বিঘা জমির কথাও সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে মুসার বিরুদ্ধে স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেলে চলতি বছরের ১৯ মে তার বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে দুদক।

প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ওই সময় বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস’র প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। তবে অজ্ঞাত কারণে দুদকের ওই অনুসন্ধান আলোর মুখ দেখেনি। এর তিন বছর পর ২০১৪ সালের শেষের দিকে ‘বিজনেস এশিয়া’ ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে অবারও নতুন করে মুসার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক।

২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীকে এ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর মুসাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠায় দুদক। এর জবাবে ১৮ ডিসেম্বর হীরার জুতা থেকে শুরু করে আপাদমস্তক মূল্যবান অলঙ্কারে সজ্জিত হয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হন প্রিন্স মুসা। সঙ্গে ছিল নারী-পুরুষের ৮০ জনের দেহরক্ষী বহর।

ওই সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, সুইস ব্যাংকে জব্দ করা অর্থ ফেরত পেলে পদ্মা সেতুর বিভিন্ন অংশের নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে তা বিনিয়োগ করতে পারি।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি …

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents