৮:৪৮ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / আওয়ামী লীগ / ভাতাবঞ্চিত পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার জন্য শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

ভাতাবঞ্চিত পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার জন্য শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

akm mozzammal haq5   06.12.15ঢাকা, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস টেলিকম ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাদের ‘সম্মানসূচক খেতাব’ প্রদানের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানানো হবে।

তিনি বলেন, একাত্তরের পঁচিশে মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাজারবাগ পুলিশ লাইনস ব্যারাকেই সর্বপ্রথম আক্রমণ করে। সেসময় রাজারবাগে অবস্থানরত শত শত পুলিশ পাক সেনাদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের এই গৌরবজ্জ্বল ভ’মিকার জন্য তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন খেতাব দেয়া হয়নি। এবিষয়টি পূনর্বিবেচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হবে।

একাত্তরের পঁচিশে মার্চ রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থানরত পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ ও পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর যৌথভাবে এ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধার খেতাব পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন অনেক পুলিশ। স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাবের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর সদস্যরা নির্দিষ্ট তথ্য উপাত্ত জমা দিয়ে খেতাব পান। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা সেসময় আবেদন করেন নি। সাধারণ মানুষ যারা মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তারাও আবেদন করেননি। এজন্য খেতাবগুলো দেখে মনে হতে পারে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ কোন সামরিক যুদ্ধ ছিল।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ভাতাবঞ্চিত পুলিশ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে শীঘ্রই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে আশ্বাস দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা প্রায় দিগুণ করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে এবং অল্প দিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করা হবে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বিপিএম, পিপিএম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ হাসান ইমাম, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার ও রাজারবাগ মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুর রহমান, পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মো. মোখলেসুর রহমান এবং ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান নূরুজ্জামান। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আছাদ্জ্জুামান মিয়া অনুষ্ঠানের সভাপ্রধান ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদ দমনে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জনগণের পাশে থেকে জনগণের বন্ধু হয়ে দেশরক্ষায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর শহীদের সন্তান এবং বর্তমান পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের বীরত্বসূচক খেতাবে ভূষিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে অনেক পুলিশ সদস্য গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। তবে রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব গৌরবের স্বীকৃতি হয়নি। পুলিশের এই অবদানের জন্য বীর বিক্রম, বীর উত্তম ইত্যাদি খেতাব দেয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক।

বক্তারা বলেন, একাত্তরের ভয়াল ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে রাজারবাগে অবস্থানরত শত শত পুলিশ পাক সেনাদের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সেসময় সুসজ্জিত পাক বাহিনীর সাথে বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধ করতে করতে পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই শহীদ হন। সেইসব বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা পদক প্রদান করা হলে তাদের অবদান স্বীকৃতি পাবে।

অনুষ্ঠানে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সবসময় দেশের গৌরব সমুন্নত রাখতে তৎপর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তারা বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বর্তমানে দেশে মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদী যে তৎপরতা শুরু হয়েছে তা রুখতেও পুলিশ বাহিনী নিরলস কাজ করছে। এজন্যে ইতিমধ্যে অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশ দেশকে মৌলবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গীমুক্ত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং মৃত মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪৩ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জন শহীদ পুলিশ পরিবারের সদস্য, ৮ জন মুক্তিযোদ্ধার পরিবার যারা পরবর্তীতে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন এবং ২৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের প্রত্যেকেকে নগদ চেক, মুক্তিযোদ্ধা সনদ প্রদান করা হয়। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরীয় পড়িয়ে দেয়া হয়।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents