১১:৫৯ অপরাহ্ণ - রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে একক প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে একক প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ

hasina3  2611.15ঢাকা, ২৬ নভেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় ও সংসদীয় বোর্ডের এক জরুরি সভায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে একক প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য দেশব্যাপী পৌর নির্বাচনের উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দলীয় প্রতীক নিয়ে দেশের সকল রাজনৈতিক দলের জন্য এটি হবে একটি বিরাট সুযোগ। কারণ তারা দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের দল পুনর্গঠন ও জোরদার করার সুযোগ পাবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সব সময় দলীয় গঠনতন্ত্র নির্বাচন বিধি অনুসরণ করে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো অতীতে দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হলে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো আরও শক্তিশালী হতে পারতো।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো শক্তিশালী হলেই কেবল দেশে গণতন্ত্র বিকশিত হতে পারে। কারণ এতে প্রতিযোগিতা থাকে।

বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণে দ্বৈতনীতি অনুসরণ করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠিতব্য পৌর নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করে কি-না সেটাই এখন দেখার বিষয়।

তিনি বলেন, আমি এখন এটাই দেখতে চাই। কারণ এখন দলীয় ভিত্তিতে পৌরসভাগুলোতে মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিতব্য হবে। এখন আমরা দেখবো বিএনপি আবার কি করে।

শেখ হাসিনা বলেন, তারা যদি এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তখন তারা বলতে পারবে না যে, তারা বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না। তারা যদি নির্বাচনে দলের প্রতীক বাদ দেয়। তাহলে এটি তাদের দলের জন্য ক্ষতি হবে। এখন তারা কি করবে সেটি তাদের বিষয়, আমাদের নয়।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দেন যে, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপি’র উত্থান ঘটেছিল, যিনি হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণকালে দ্বৈতনীতি গ্রহণ করেছিল। একদিকে তারা বলে যে, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। অন্যদিকে তারা বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়।

তিনি আরও বলেন, দেখা গেছে যে বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে অথবা তাদের সমমনা দলগুলোর প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন দেয়। কিন্তু তারা জাতীয় নির্বাচন বা উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে এবং অভিযোগ করে যে, এ সব নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উচ্চতর আদালতে রায় অনুসরণ করে জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদকে আর সাবেক রাষ্ট্রপতি বলা যাবে না। কারণ শীর্ষ আদালত তাদেরকে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে অবৈধ ঘোষণা করেছে। জিয়া ও এরশাদকে সাবেক রাষ্ট্রপতি বললে তা উচ্চ আদালত রায়ের লংঘন হবে।

এর আগে অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন যে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পৌর নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করা একটি চ্যালেঞ্জ ও সরকারের দায়িত্ব।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents