৫:২৬ অপরাহ্ণ - শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / অন্যান্য সংবাদ / আনন্দবাজারকে যা বললেন শাকিব খান

আনন্দবাজারকে যা বললেন শাকিব খান

বিনোদন ডেস্ক, ২১ মার্চ ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে রাজত্ব করছেন নায়ক শাকিব খান। এই সময়ের মধ্যে তার কোনো বিকল্প খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাজার সেই রাজত্ব ধীরে ধীরে এপার বাংলা ছাড়িয়ে ওপার বাংলায়ও বিস্তার লাভ করছে। এরই মধ্যে একাধিক যৌথ প্রযোজনার এবং কলকাতার একটি একক ছবিতে অভিনয় করে ফেলেছেন তিনি। কাজের এতো চাপ যে, দেশ থেকে এখন বিদেশেই বেশি সময় কাটে বাংলা চলচ্চিত্রের স্বঘোষিত কিং খানের।

এই মুহূর্তে কলকাতার একক ছবি ‘ভাইজান এলো রে’-এর শুটিংয়ের কাজে ওপার বাংলায় রয়েছেন শাকিব খান। ছবিটি পরিচালনা করছেন জয়দীপ মুখার্জী। এই ছবিটিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করছেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় দুই নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় ও পায়েল সরকার। শুটিংয়ের ফাঁকে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বললেন নায়ক। সেখানে যেমন ছিল তার ছবির প্রসঙ্গ, তেমন ছিল ব্যক্তি জীবনেরও নানা প্রশ্ন। পাঠকদের জন্য তারই কিছু অংশ তুলে দেয়া হল।

কলকাতা কেমন লাগছে?

শাকিব খান: আমার তো কখনও আলাদা মনেই হয় না। মহিষাদলে যখন শুট করতে গেলাম, ওখানেও তো অনেক রাজবাড়ি আছে, তখনই আমার সঙ্গের লোকেদের বলেছিলাম যে, বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনো পার্থক্য ধরা পড়ে না আমার চোখে।

দুই দেশ তো একই ছিল

শাকিব খান:  সবই তো এক। ভাষা এক, কৃষ্টি-কালচার এক।ওখানেও পহেলা বৈশাখ হয়, এখানেও হয় (হাসি)…

আপনাদের ওখানে তো পহেলা বৈশাখ খুব বড় করে হয়। এ বছর আপনার প্ল্যান কী?

শাকিব খান: ঢাকায় থাকব না তো। ছবির শুটিংয়ে লন্ডন যাব। গত দু-তিন বছর ধরেই এ রকমই চলছে। এই সময়টায় আউটডোরগুলো পড়ছে। তবে পহেলা বৈশাখের সৌন্দর্য দেখতে হলে বাংলাদেশেই যাওয়া উচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার স্টুডেন্টরা আলপনা সাজায় রাস্তায় রাস্তায়…আনবিলিভেবল!

ছেলে তো খুব ছোট। আপনি এত আউটডোরে থাকেন, ও আপনাকে মিস করে না?

শাকিব খান: করে তো বটেই। আমিও ভীষণ মিস করি। কিন্তু কী করব। কাজ তো করতেই হবে।

অপু বিশ্বাস আর আপনাকে দেখে কিন্তু বিচ্ছেদের কোনো তিক্ততা নজরে এলো না

শাকিব খান:  সম্পর্ক থাক আর না থাক, অপু আব্রাহামের মা আর আমি ওর বাবাবা। ছেলের জন্য হলেও আমাদের দেখা হয়েই যায়। আসলে ওরা শিলিগুড়ি যাবে, একটা মানত ছিল। যাওয়ার পথে আমিই বললাম দেখা করে যেতে। অনেক দিন দেখিনি ছেলেকে, তাই।

কলকাতার সুপারস্টার  প্রসেনজিৎ, দেব, জিৎদের মাঝেও ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছেন আপনি। কোথাও একটা টেক্কা দেয়ার মনোভাব রয়েছে কি?

শাকিব খান:  আমি এ ভাবে কখনোই দেখি না। কো-প্রোডাকশনে কাজ করার ব্যাপারটা কিন্তু আজকের নয়। মিঠুনদা যখন ইয়ং সুপারস্টার ছিলেন, তখন ‘অন্যায় অবিচার’করেছিলেন কো-প্রোডাকশনে। বাংলাদেশের সঙ্গে তো মুম্বাইয়েরও যৌথ প্রযোজনা হয়েছে। গ্লোবালাইজেশনের যুগে আন্তর্জাতিক জায়গায় নিজেদের নিয়ে যেতে চাইলে বড় বাজেটের দরকার হয়। একা করতে গেলে অনেকটা ঝুঁকির ব্যাপার থাকে। দুই দেশ এক হলে তখন মার্কেটটা বড় হয়। ওভারসিজ মার্কেটটাও ধরা যায়।

দেব বা জিতের সঙ্গে আপনার দেখা হয় বা কথা হয়?

শাকিব খান:  হ্যাঁ, হ্যাঁ!  যখন বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির সভাপতি ছিলাম, তখন এক বার বুম্বাদা আর জিৎ গিয়েছিলেন। তখন ভাল করে আলাপ হল। তার পরেও দু’বার দেখা হয়েছে।

পহেলা বৈশাখে তো এখানে দেব অভিনীত কবীরমুক্তি পাচ্ছে। কদিন পরেই আবার দৃষ্টিকোণ’। আপনার চালবাজকতটা চাপে থাকবে?

শাকিব খান:  ভারতে তো অনেক ভাষায় অনেক রকম ছবি হয়। অন্য ছবি রিলিজ করতেই পারে। দর্শকের যেটা ভাল লাগবে, সেটাই তো তারা দেখবেন।

কমার্শিয়াল ছবির কাজই করছেন। অন্য ধারার ছবি নিয়ে কিছু ভাবছেন?

শাকিব খান:  অবশ্যই! এখন থেকে ঠিক করেছি এত ছবি করব না। হাতে গোনা ভাল প্রজেক্টই করব।

প্রসঙ্গত, আসছে পহেলা বৈশাখে কলকাতায় মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খান ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী অভিনীত ছবি ‘চালবাজ’। আর এখন চলছে তার ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির শুটিং। এই ছবিতে শাকিব-শ্রাবন্তী-পায়েল ছাড়াও রয়েছেন কলকাতার রজদাভ দত্ত ও শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। বাংলাদেশ থেকে আছেন মুনিরা মিঠু ও দীপা খন্দকার।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

কাল বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৭ মার্চ ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রাথমিক স্কুলের ছেলে ও মেয়েদের অংশগ্রহণে জাতির …

নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হলেন উইলিয়ামসন

স্পোর্টস ডেস্ক, ২৩ মার্চ ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): টেস্ট ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents