৬:০৮ অপরাহ্ণ - বুধবার, ২১ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / ১৯ মার্চ ঢাকায় ও ৩১ মার্চ রাজশাহীতে সমাবেশ করবে বিএনপি

১৯ মার্চ ঢাকায় ও ৩১ মার্চ রাজশাহীতে সমাবেশ করবে বিএনপি

ঢাকা, ১২ মার্চ ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আগামী ১৯ মার্চ ঢাকায় ও ৩১ মার্চ রাজশাহীতে সমাবেশ করবে বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সোমবার নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আজ সোমবার রাজধানীতে পূর্বঘোষিত সমাবেশ করার কথা থাকলেও ডিএমপি তার অনুমতি দেয়নি।

তাই আজকের সমাবেশের পরিবর্তে আগামী ১৯ মার্চ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ও ৩১ মার্চ রাজশাহীতে বিএনপি সমাবেশ করবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল আজকের সমাবেশের অনুমতি না দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি সব সময় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতে বিশ্বাসী। তারপরও সরকার আমাদের সমাবেশের অনুমতি দেয়নি।

তিনি বলেন, আপাতত আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। পরিস্থিতি বুঝে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এর আগে গত ২ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ১২ মার্চ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার ঘোষণা দেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজ সোমবার ঢাকা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবিতে জনসভা অনুষ্ঠিত করতে আমরা সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু অনুমতি দেয়নি। আমরা আগামী সোমবার এই কর্মসূচী করতে চাই।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জনসভার জন্য দলের পক্ষ থেকে যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও পুলিশ কমিশনার বরাবরে আবেদন করা হয়েছিল।জনসভা সফল করতে প্রচারপত্র বিলি থেকে শুরু করে ঢাকা মহানগর এবং বৃহত্তর ঢাকা জেলার নেতৃবৃন্দসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাথে বৈঠক করা হয়।

গত ২২ ফেব্রুয়ারী আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা দলীয় প্রধান কার্যালয়ের সামনে জনসভার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কর্তৃপক্ষসহ পুলিশকে চিঠি দিয়ে অবহিত করি। কিন্তু বই মেলার দোহাই দিয়ে পুলিশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা দলীয় কার্যালয়ের সামনে কোথাও জনসভা করার অনুমতি দেয়নি। সেসময় মৌখিকভাবে তারা পরবর্তী মাস অর্থাৎ এই মার্চ মাসে জনসভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, গণবিচ্ছিন্ন সরকার জন-আতঙ্কে ভোগে। জনগণের বিপুল সমাগমের সম্ভাবনা থাকলে সরকার অজানা আশঙ্কায় বিপন্নবোধ করে। এই কারণে বিএনপি’র জনসভাকে বানচাল করতে সরকার ধারাবাহিক বাধা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। কখনো কখনো জনসভার অনুমতি দিলেও সেটিকে একেবারে ছোট্ট পরিসরে সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে।

জনসভার আশেপাশে ১৪৪ ধারা জারি করে জনমনে ভয়ের সঞ্চার করে, যাতে বিএনপি’র জনসভায় লোক সমাগম কম হয়। যেমনটি ঘটেছে খুলনায়। হাদিস পার্কের মাঠে জনসভার অনুমতি না দিয়ে চারিদিকে ১৪৪ ধারা জারি করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ছোট্ট জায়গায় অনুমতি দেয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারির মূল উদ্দেশ্য জনসভাস্থলে জনগণ যাতে যোগ দিতে না পারে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি নাগরিক স্বাধীনতা হরণকারী সরকার বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে কদাচিৎ অনুমতি দিলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে সমাবেশস্থলের উপর আক্রমণ চালিয়ে দলের নেতাকর্মীদেরকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে আটক করা হয়। যা বর্তমান দু:শাসনের মধ্যেও এক ভয়ঙ্করতম কালো অধ্যায়।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্র মানে বিক্ষোভ-সমালোচনা। গণতন্ত্র মানে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষমতাসীন দলের একতরফা বলে যাওয়া নয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পাবলিক প্রপার্টি, এটি কোন ব্যক্তি, দল বা জোটের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করা সম্পত্তি নয়।

সেখানে যদি আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টিসহ মহাজোটের অন্যান্য দল সমাবেশ করতে অনুমতি পায়, তাহলে বিএনপিসহ বিরোধী দলকে জনসভা করতে না দেয়া ক্ষমতাসীনদের হুংকারসর্বস্ব রাজনীতিরই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ যেকোনো রাজনৈতিক দলের সংবিধানস্বীকৃত অধিকার। কিন্তু বর্তমান সরকার বিরুদ্ধ স্বরকে থামিয়ে দিতে বিরোধী দলের সভা-সমাবেশকে বাধা দিচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে লেলিয়ে দেয়া হচ্ছে বিএনপিসহ বিরোধী দলের কর্মসূচির ওপর।

দমন-পীড়ণকে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির প্রধান এজেন্ডা হিসেবে ধরা হয়েছে। দেশে এখন বিষন্ন নৈরাজ্যের ঘন অন্ধকার চারিদিকে পরিব্যাপ্ত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, তবুও আমরা সর্বতোভাবে সংঘাত এড়িয়ে গণতন্ত্রে স্বীকৃত বিরোধী দলের অধিকারগুলোকে প্রয়োগ করতে চাই। সভা-সমাবেশ বিরোধী দলের সার্বজনিন অধিকার। এটি কোন বেআইনী কর্মসূচি নয়।

আজকে কোন কারণ ছাড়াই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি-কে জনসভা করতে দেয়া হলো না। আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে এ মূহুর্তে কোনো কর্মসূচিতে না গিয়ে আগামী ১৯ মার্চ সোমবার পুনরায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি’র উদ্যোগে জনসভা অনুষ্ঠানের ঘোষনা করছি।

পাশাপাশি রাজশাহীতে ৩১ মার্চ জনসভা করা হবে ।আমি আশা রাখি যথাযথ কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ , তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents