৩:৩৩ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / আওয়ামী লীগ / বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভাষণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন

বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভাষণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন

ঢাকা, ০৯ জানুয়ারী ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আয়োজিত জনসভায় দেয়া ভাষণে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ পুনর্নির্মাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য অর্জনে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত জাতির পুন:নির্মাণ, সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ ছিলো অত্যন্ত সময়োপযোগী।

স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে মুক্তিযুদ্ধের যে প্রকৃত লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিলো স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সে ভাষণেরই প্রতিফলন দেখতে পাওয়া যায়।

বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু সেদিন রেসকোর্স ময়দানে বিশাল জনসভায় ভাষণে বলেন, “বাংলার মানুষ আজ মুক্ত, স্বাধীন। কিন্তু আমাদের সামনে অসংখ্য সমস্যা আছে, যার আশু সমাধান প্রয়োজন। অনেক কাজ আছে যা করা জরুরী।”

এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং শোষণ-বৈষম্য থেকে জনগণের মুক্তি অর্জনকে তাঁর সারা জীবনের স্বপ্ন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ চলাকালীন দেশ পরিচালনার জন্য গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে ৩৫টি গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেন। এসব নির্দেশনার ফলশ্রুতিতে পূর্ব পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তান সরকারের হাত থেকে মূলত পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কাছে চলে যায়। পাকিস্তানের শাসন ও নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তির জন্য বাংলার জনগণ বঙ্গবন্ধুর দেয়া ৩৫টি নির্দেশনাকে যুদ্ধ চলাকালীন অবশ্য করণীয় কর্তব্য হিসেবে পালন করে।

এসব নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে প্রশাসন, শিক্ষা, আইন-শৃংখলা রক্ষা, বন্দর কার্যক্রম, বৈদেশিক বাণিজ্য, যোগাযোগ, কৃষি, সেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা নির্মাণ, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক ও ট্রেজারি চালান, কর আদায়, বীমা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের অবসরকালীন ভাতা প্রদান, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভাতা প্রদান ইত্যাদি।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents