১০:৩০ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ২১ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / অন্যান্য সংবাদ / আইন-আদালত / মূল সংবিধানে ১১৬ অনুচ্ছেদে যে অবস্থা বিদ্যমান সেটাই বিচার বিভাগের জন্য শ্রেয় : আইনমন্ত্রী

মূল সংবিধানে ১১৬ অনুচ্ছেদে যে অবস্থা বিদ্যমান সেটাই বিচার বিভাগের জন্য শ্রেয় : আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ০৭ জানুয়ারী ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ রোববার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য ২১তম জুডিসিয়াল এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে ১১৬ অনুচ্ছেদে যে অবস্থা বিদ্যমান আছে, সেটাই বিচার বিভাগের জন্য শ্রেয়।

বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পৃথিবীর কোথাও, কোন গণতান্ত্রিক দেশে, কোন অগণতান্ত্রিক দেশে বা ১৯৩টি দেশের মধ্যে কোথাও বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় নেই। তাই এ মুহূর্তে এটা ভাবা অবাস্তব। তবে ভবিষ্যতে হবে কি হবে না সেটা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ‘বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয়ের কথা যেটা বলা হচ্ছে, সেখানে আমি দুটো কথা বলতে চাই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবাবে হত্যা করার পরে এবং ৩ নভেম্বর ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পরে বাংলাদেশে একটা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সেটা কিন্তু ২১ বছর বিদ্যমান ছিল। বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর এই হত্যার ব্যাপারে ২১ বছরে কোন মামলা হয় নাই। তখন কিন্তু কেউ সুয়োমেটো রুল বা পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশ করে নাই।’

শৃঙ্খলা বিধি করার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, শৃঙ্খলা বিধি করার ব্যাপারে সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে যে ক্ষমতা দেওয়া আছে ঠিক সেভাবেই তা করা হয়েছে এবং সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার করেই এই শৃঙ্খলা বিধি করা হয়েছে। বিধিটি যখন আপিল বিভাগ গ্রহণ করেছেন, তখন তারা কিন্তু এ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি তাঁর আদালতের যে মতামত তা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছেন।

এ সময় ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’ এই মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী বলেন, সমালোচকদের বক্তব্য নিয়ে তার কিছু করতে হবে বলে তিনি মনে করেন না। কারণ শৃঙ্খলা বিধিটি সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে ভেবেই করা হয়েছে এবং তা সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

এরআগে উক্ত অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বর্তমানে দেশের আদালতগুলোতে প্রায় ৩০ লাখ মামলা বিচারাধীন আছে। এ মামলার জট কমিয়ে আনা বিচার বিভাগ ও সরকারের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধি এবং অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতির বিধান অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির সহায়ক আইন করা হয়েছে। বিচার বিভাগের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন এবং শত বছরের পুরোনো আইন ও বিধিগুলো সংস্কার করে বিচার ব্যবস্থার যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা জট কমিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে বিচারকদেরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

ন্যায় বিচারের দরজা যেন সর্বস্তরের বিচারপ্রার্থীদের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত থাকে এবং কেবল বিত্তবানদের জন্য যেন সীমাবদ্ধ না থাকে, সে বিষয়ে তিনি বিচারকদের সজাগ থাকার আহবান জানান।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তৃতা করেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents