১১:৫২ অপরাহ্ণ - বুধবার, ২৩ অক্টোবর , ২০১৯
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / অপরাধ / কোচিং থেকে ফেরার পথে ব্যস্ত রাস্তার কাছে তরুণীকে ৩ ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণ

কোচিং থেকে ফেরার পথে ব্যস্ত রাস্তার কাছে তরুণীকে ৩ ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণ

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ০৩ নভেম্বর, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): কোচিং থেকে ফেরার পথে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থী এক কলেজছাত্রীকে ব্যস্ত স্টেশনের অদূরেই তিন ঘণ্টা ধরে গণধর্ষণ করেছে চারজন। ভারতের মধ্য প্রদেশের ভোপালের হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনে এই ঘটনা ঘটছে।এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ জানাতে গেলে গোটা ঘটনাকেই ‘চিত্রনাট্য’ বলে চালানোর চেষ্টা করেছে তারা।

মেয়েদের সুরক্ষায় গর্বিত ভোপালে এমন ভয়াবহ গণধর্ষণের ঘটনা আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। যে স্থানে ঘটনাটি ঘটেছে তা তার খুব কাছে ব্যস্ত সড়ক ও রেলপথ। ১০০ মিটার দূরে হাবিবগঞ্জ স্টেশন। মাত্র ৫০ মিটার দূরে আরপিএফ পোস্ট। যেখানে মেয়েটিকে নগ্ন করে তার ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছে, তার ১০০ মিটার দূর দিয়ে ক্রমাগত চলছে হাজার হাজার গাড়ি। এত কিছু সত্ত্বেও বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।

সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল মেয়েটি। সে জন্য তাকে ভোপাল থেকে রোজ শাটলে করে ঘণ্টাখানেক সফর করতে হত। মঙ্গলবার বিকালে কোচিং ক্লাস শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে শর্ট রুটে হাবিবগঞ্জ রেলস্টেশনে যাওয়ার জন্য দিকে যাচ্ছিল মেয়েটি। নিজের নাবালিকা কন্যাকে খুনের দায়ে অভিযুক্ত গোলু বিহারী চাধর আচমকা মেয়েটির হাত টেনে ধরে। সে তাকে লাথি মেরে ফেলে দিলে গোলু চটে গিয়ে তার সঙ্গী অমর ও ঘুন্টুকে ডেকে নেয় এবং মেয়েটিকে টানতে টানতে নিয়ে যায় সেতুর নিচে। নিজেকে বাঁচাতে মেয়েটি লড়াই চালিয়ে যায়। অভিযুক্তদের পাথর ছুড়ে মারতে থাকে। এতে আরও রেগে গিয়ে গোলুরাও মেয়েটিকে মারধর করে ও শক্ত করে বেঁধে ফেলে। এরপরই শুরু হয় ধর্ষণ।

এরপর গোলু অমরকে দাঁড় করিয়ে গুটকা ও সিগারেট কিনতে যায়। তখন মেয়েটি অমরকে কিছু জামাকাপড় এনে দেয়ার কথা বললে, অমর গিয়ে আরও দুই সঙ্গী রাজেশ ও রমেশকে ডেকে আনে। চারজনে মিলে একে একে ধর্ষণ করে মেয়েটিকে। এই অত্যাচার চলতে তাকে রাত ১০টা পর্যন্ত। এরপর মেয়েটির কানের দুল, ঘড়ি ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ছেড়ে দেয় ধর্ষকরা।

এরপর ওই তরুণী হাবিবগঞ্জ রেলপুলিশ চৌকিতে কোনও রকমে পৌঁছান। মা-বাবাকে সেখানে ফোন করে ডাকেন। প্রথমে পুলিশ অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি তরুণীর পরিবারের। তাদের অন্য থানায় যেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

রেলওয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, মনগড়া ফিল্মি গল্প ফাঁদছে মেয়েটি। আরও আশ্চর্যের বিষয়, মেয়েটির বাবা-মা দুজনেই পুলিশে রয়েছেন। বাবা পুলিশের উপপরিদর্শক আর মা আছেন গোয়েন্দা বিভাগে। বুধবার মেয়েটি ও তার বাবা-মা দিনের আলোয় অভিযুক্তদের ধরতে গিয়ে তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে, তবে পুলিশ অভিযোগ নিতে বাধ্য হয়। গোটা ঘটনায় নিজেদের অস্বস্তি ঢাকতে বৃহস্পতিবার এমপি নগর পুলিশ স্টেশনের উপপরিদর্শক আরএন টেকামকে বরখাস্ত করা হয়।

হাবিবগঞ্জ থানা থেকে ফেরার পথে গোলু ও ঘণ্টুকে ঘটনার ৫০০ মিটারের মধ্যেই দেখতে পান তরুণী। তাদের চিনতেও পারেন। তরুণীর পরিবার তাড়া করে ওই দু’জনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ বাকি দুজনকেও গ্রেপ্তার করেছে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

যথাযত মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বজলুর রহমানের ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদকারী, …

সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents