২:৪১ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / আওয়ামী লীগ / জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বড়ই প্রাসঙ্গিক ছিল

জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বড়ই প্রাসঙ্গিক ছিল

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): সমাজের অভ্যন্তরে প্রতিনিয়ত বহু ধরনের শক্তির দ্বন্ধ চলে আসছে অনাদিকাল হতে। শ্রেণি, বর্ণ, লিঙ্গ, ধর্ম, জাত, রাজনীতি, ব্যক্তিস্বার্থ এরকম আরো অনেক বিভাজনের মধ্যে দিয়ে দ্বন্ধ-সংঘাত চলে আসছে অবিরত। সেই সঙ্গে চলে আসছে এসবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, সংগ্রাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর ছিলেন প্রতিবাদ-সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। তিনি শুধু বাঙালির জন্য নয়, সারা বিশ্বের শোষিত নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের নেতা হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। পাকিস্তানিদের  সৃষ্টি করা দীর্ঘ বৈষম্য বিভাজনের বিরুদ্ধে প্রবল বেগে রুখে দাঁড়িয়ে পুরো সমাজব্যবস্থায় আলোড়ন তৈরিই কেবল নয়, বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করে নয়মাস ব্যাপী সংগ্রামের মধ্যে সৃষ্টি করেছিলেন এই বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম ভূখণ্ড। তিনি সেখানেই থেমে যাননি। নিজের দেশের নিপীড়িত মানুষের উন্নয়নের পাশাপাশি সারা বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন। বিশ্বসভায় বঙ্গবন্ধু সবর্দা নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কথা বলেছেন। জাতিসংঘে প্রদত্ত বঙ্গবন্ধুর ভাষণ এক্ষেত্রে প্রণিধানযোগ্য। এই ভাষণটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিরই কেবল মাইলফলক নয়, এটি সারাবিশ্বের নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায় এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে যখন বলিষ্ঠ কণ্ঠে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়িন, নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলছেন তখন আজ থেকে তেতাল্লিশ বছর আগে বঙ্গবন্ধুর দেয়া সেই ভাষণটির কথাই মনের মধ্যে ভেসে উঠে।

জাতির পিতা স্বদেশ প্রত্যার্বতনের পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে স্বীকৃতি আদায়ের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছিলেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফল হয়েছিলেন। তাছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংস্থার সদস্যপদ পাওয়ারও জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। কেননা বাংলাদেশের মতো নবীন রাষ্ট্রের জন্য এগুলো ছিল অপরিহার্য। অন্যান্য অনেক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করলেও জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করতে বাংলাদেশকে বেগ পেতে হয়েছিল চীনের ভেটোর কারণে। এই যেমন এখন রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের ভেটোর কারণে জাতিসংঘ মিয়ানমারের ওপর কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না। যা হোক, পরপর দুবার ভেটোর পর চুয়াত্তর সালে বঙ্গবন্ধুর তৎপরতায় চীনকে নমনীয় করা সম্ভব হয়েছিল যার ফলশ্র“তিতে চুয়াত্তরের সতেরোই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের একশ ছত্রিশতম সদস্যে পরিণত হয়। এটি বাঙালির জন্য ছিল পরম পাওয়া। এর আটদিন বাদেই নিউইর্য়কে জাতিসংঘের ঊনত্রিশতম অধিবেশনে বাঙালির জীবনে আসে জাতির পিতার বাংলায় প্রদত্ত যুগান্তকারী ভাষণ শোনার মাহেন্দ্রক্ষণ। ঐ ভাষণটি কেবল বাঙালির নয়, সারা বিশ্বের জন্যই ছিল বিস্ময়ের এবং সেই সঙ্গে পথ নির্দেশক।  ভাষণে তিনি তাঁর দেশ ও তাঁর জাতির সংগ্রামের ইতিহাস, দৃঢ়তা এবং প্রত্যয়ের কথা সকলকে শুনিয়ে বাঙালি জাতিকে সম্মানিত ও গৌরবান্বিত করেছিলেন আবার বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের সঙ্গে একাতœতা পোষণ করে তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে উদ্ধুদ্ধ করেছিলেন। ঐ সময় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন আলজেরিয়ার মুক্তি সংগ্রামের নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেল আজিজ বুতেফ্লিকা। তিনি ‘বাঙালি জাতির মহান নেতা’ হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে আখ্যায়িত করে তাঁকে বক্তৃতা মঞ্চে আহ্বান করেন এবং ইংরেজিতে বক্তৃতা দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন।  বাঙালির মহানায়ক বীরোচিত ভঙ্গিমায় আরোহণ করেছিলেন বক্তৃতা মঞ্চে। সঙ্গে সঙ্গে মুহুুর্মুহু করতালি। বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়ানো গলা বন্ধ কোট, কালো ফ্রেমের চশমা পরিহিত ব্যাকব্রাশ করা চুলের সুদর্শন এবং সৌম্য বঙ্গবন্ধুকে দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। বঙ্গবন্ধু স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে চারিদিকে একপলক তাকিয়ে বক্তৃতা শুরু করেছিলেন বাংলায় যা বাঙালি জাতির মনে তৈরি করেছিল প্রবল উদ্দীপনা, বাঙালি হয়েছিল গর্বিত। যে মাতৃভাষার জন্য রাজপথ বুকের তাজা ছোপ ছোপ রক্তে ভেসে গিয়েছিল, সেই ভাষায় বিশ্বসভায় ভাষণ দিয়ে তিনি এর মযার্দা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরলেন।

তিনি তাঁর ভাষণে তুলে ধরেছিলেন বাঙালি জাতির সংগ্রামী চেতনার কথা, আতœত্যাগের কথা। সেই সঙ্গে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় বাঙালি জাতির পূর্ণ প্রতিশ্র“তির কথাও। তিনি তাঁর ভাষণে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও মুক্তিসংগ্রামে সমর্থনদানকারী দেশ ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশসহ আলজেরিয়া, গিনি বিসাউ এবং ভিয়েতনামের জনগণের অপশক্তির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনের কথা তুলে ধরেন এবং সেই সঙ্গে ফিলিস্তিন, জাম্বিয়া এবং নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে তিনি সেদিন নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বরের প্রতিধ্বনি করলেন বিশ্বসভায় এবং তাদের প্রতিরোধী সংগ্রামে আরো তীজোদীপ্তভাবে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করলেন। জাতিসংঘের কর্মপন্থা, নিজেদের জোট নিরপেক্ষ নীতি গ্রহণের যর্থাথতা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় তিনি অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে তুলে ধরেছিলেন সেই ভাষণে। জাতির পিতার সেই ঐতিহাসিক ভাষণের সর্বশেষ কয়টি লাইন শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং দিকনির্দেশনামূলক। তিনি বলেছিলেন, ‘জনাব সভাপতি, মানুষের অজেয় শক্তির প্রতি বিশ্বাস, মানুষের অসম্ভবকে জয় করার ক্ষমতা এবং অজয়কে জয় করার শক্তির প্রতি আকুণ্ঠ বিশ্বাস রেখে আমি আমার বক্তৃতা শেষে করতে চাই। আমাদের মতো যেসব দেশ সংগ্রাম ও আত্মদানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে এ বিশ্বাস তাদের দৃঢ়। আমরা দুঃখ ভোগ করতে পারি, কিন্তু মরব না। টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে জনগণের দৃঢ়তাই চরম শক্তি। আমাদের লক্ষ্য স্বনিভর্রতা, আমাদের পথ হচ্ছে জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও যৌথ প্রচেষ্টা। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সম্পদ ও প্রযুক্তিবিদ্যার শরীকানা মানুষের দুখ-দুর্দশা হ্রাস করবে এবং আমাদের কর্মকান্ডকেও সহজতর করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই। নতুন বিশ্বের অভ্যুদয় ঘটেছে, আমাদের নিজের শক্তির ওপর আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে। আর লক্ষ্যপূরণ ও সুন্দর ভাবীকালের জন্য আমাদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে জনগণের ঐকব্যবদ্ধ ও সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমেই আমরা এগিয়ে যাব।’ বঙ্গবন্ধুর মিনিট আটেকের সেই যুগান্তকারী ভাষণটি যতক্ষণ চলছিল ততক্ষণ পুরো অধিবেশন কক্ষেই বিরাজ করেছিল পিনপতন নিস্তব্ধতা। আর ভাষণ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপুল হর্ষধ্বনি ও করতালির মাধ্যেমে অভিনন্দন জানিয়ে ছিল বিশ্বনেতৃবৃন্দ। শুধু তাই নয়, তারা সারিবদ্ধভাবে জড়ো হয়ে জাতির পিতাকে অভিনন্দনও জানিয়েছিল।

এই ভাষণ সর্ম্পকে বলতে গিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব ড. কুর্ট ওয়াল্ডহেইম বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত। বক্তৃতাটি ছিল সহজ, গঠনমূলক এবং অর্থবহ।’ জাতিসংঘের ‘ডেলিগেট বুলেটিন’ এ বঙ্গবন্ধুকে কিংবদন্তী নায়ক মুজিব বলে আখ্যায়িত করে বলা হয়, ‘অতীতের অনগ্রসরতা, যুদ্ধের ধ্বংসলীলা, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও প্রতিকূল বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহ ফলশ্র“তি হিসেবে যে অসুবিধাজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অগ্রসর হচ্ছে তা বাংলাদেশের নেতা মুজিব তাঁর বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরেছেন।’ঐতিহাসিক এই ভাষণকে বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস কালাহান ‘শক্তিশালী ভাষণ’ হিসেবে অভিহিত করেন। আর কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই ভাষণকে ‘ইতিহাসের এক অবিচ্ছিন্ন দলিল হিসেবে অভিধা করেন। বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্যান এল স্লেন্ড উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘শেখ মুজিবের মহৎ কণ্ঠ আমি গভীর আবেগভরে শুনেছি।’ এই ভাষণটি বাঙালি জাতির ইতিহাসে যোগ করেছে এক স্বর্ণপালক। এই ভাষণটির মধ্যে দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা করার বিরল সম্মান লাভ করেন এবং বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়ে বিশ্বসভায় বাংলাভাষা ও বাঙালি জাতির মর্যাদা কেবল বৃদ্ধিই করলেন না, একে গৌরাবান্বিতও করলেন। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়টি হলো তিনি সারা বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের কণ্ঠে ভাষার সৃষ্টি করেছেন, অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সংগ্রামে উজ্জীবিত করেছেন। এটিই ছিল এই ঐতিহাসিক ভাষণের মূল মাহাতœ্য যা আজকের বিশ্বের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা পিতার মতোই সবর্দা নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার যখন পূর্বেকার সামরিক সরকারের মতোই ভয়ালো রুপ ধারণ করে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিমূর্লের চেষ্টায় হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছে, ধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়ে তাদেরকে দেশ ছাড়া করছে তখন পরম মমতায় কেবল মানবিক সাহায্যের হাতই বাড়িয়ে দেননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনি মিয়ানমার সরকারের এই অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে সরবও হয়েছেন। চীন, ভারত, রাশিয়ার মতো শক্তিশালী দেশগুলো মিয়ানমার সরকারকে সমর্থন দিলেও বিন্দুমাত্র কুণ্ঠিত না হয়ে তিনি মিয়ানমার সরকারের অমানবিক কাজের বিরুদ্ধে বিশ্বসভায় কেবল জোরালো প্রতিবাদী বক্তব্যই নয়, তিনি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পক্ষে সর্মথন আদায়ে জোর চেষ্টা চালিয়েছেন। যার ফলশ্র“তিতে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিয়ানমার সরকারকে প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছে। সেই চাপে পিষ্ট হয়েই মিয়ানমার স্টেট কাউন্সিলর শান্তির জন্য নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সুচি কিছুটা নরম সুরে কথা বলা শুরু করেছেন। তিনি এখন রাখাইন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বাইরের পর্যবেক্ষকদের মিয়ানমার সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন অথচ এই কয়দিন আগেও কাউকেই মিয়ানমারে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। এবং সহিংসতার মুখে পালিয়ে যাওয়া জনগোষ্ঠীকে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলেছেন। কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কথা বলছেন। কিন্তু এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। যা বলেছেন তা চাপে পড়ে, অন্তর থেকে নয়।   শান্তিতে নোবেল পেলেও এখন তিনি মানবিকতা ও শান্তি সৃষ্টির দীক্ষা নিতে পারেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে যিনি জাতির পিতার আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে কেবল প্রতিবাদ প্রতিরোধই নয়, মানবিকতা ও শান্তি সৃষ্টির ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রেখে চলছেন। শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বব্যাপী এমন কর্মযজ্ঞের প্রত্যাশাই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সেদিনের জাতিসংঘের ভাষণের মূল উপজীব্য।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents