১:৫৪ অপরাহ্ণ - শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে : খালেদা জিয়া

অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে : খালেদা জিয়া

ঢাকা,২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ সোমবার দুপুরে দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন অভিযোগ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ। যেকোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা সম্পর্কে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। বিএনপি এ দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

খালেদা জিয়া বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘরে ও উপাসনালয়ে হামলা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এই সরকারের আমলে সাম্প্রদায়িক উসকানি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দেবালয়ে আক্রমণ ও ভাঙচুর বেশি মাত্রায় সংঘটিত হচ্ছে। এবার দুর্গা পূজার প্রাক্কালেও দেশের বেশকিছু স্থানে মন্দির ও হিন্দু বাড়িতে আক্রমণ করা হয়েছে। এই সমস্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমি এই সমস্ত অশুভ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘আমরা সংখ্যাগুরু ও সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করি না। আমরা সবাই বাংলাদেশি- এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়। আমি এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপমহাদেশ এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সুদীর্ঘকাল ধরে এই ধর্মীয় উৎসবটি সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়।’

খালেদা বলেন, ‘যেকোনো ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত হয়। সব ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানবকল্যাণ। মানুষ হিসেবে হিংসা-বিদ্বেষ ও রক্তারক্তি পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সাম্য প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হওয়া আমাদের সবার কর্তব্য।’

খালেদা জিয়া আরও বলেন, ‘দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণীই হচ্ছে- হিংসা, লোভ ও ক্রোধরূপী অসুরকে বিনাশ করে সমাজে স্বর্গীয় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যেখানে ন্যায় ও সুবিচার নিশ্চিত হবে। নির্যাতন, নিপীড়ন ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার মধ্য দিয়ে যারা সমাজকে, মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করতে চায়, প্রতিষ্ঠিত করতে চায় দুঃশাসন তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠা এই উপাসনার মূল লক্ষ্য। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সবাই মিলে ভাগ করে নিতে হবে।’

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents