৯:২১ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল জব্বার চলে গেলেন না ফেরার দেশে

বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল জব্বার চলে গেলেন না ফেরার দেশে

ঢাকা, ৩০ আগষ্ট, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ সকাল ৯টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বাধীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠশিল্পী, ষাট ও সত্তর দশকের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, একুশে ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ আব্দুল জব্বার ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে…রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ইনচার্জ ডা: দেবব্রত বনিক বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে এ খবর নিশ্চিত করে বলেন, শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়ায় আজ সকাল ৯টা ২০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন। আব্দুল জব্বার দীর্ঘদিন যাবৎ ক্রনিক কিডনি ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত দেশবরেণ্য এই সঙ্গীতশিল্পীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত শনিবার তাকে বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি।

১৯৫৮ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে গান গাওয়া শুরু করেন। ১৯৬২ সালে চলচ্চিত্রের জন্য প্রথম গান করেন। ১৯৬৪ সাল থেকে তিনি বিটিভির নিয়মিত গায়ক হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৬৪ সালে জহির রায়হান পরিচালিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সংগম’-এর গানে কণ্ঠ দেন।

কিংবদন্তি এই কণ্ঠশিল্পী ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল ও প্রেরণা জোগাতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সালাম সালাম হাজার সালাম, জয় বাংলা বাংলার জয়সহ অনেক উদ্বুদ্ধকরণ গানের গায়ক। তাঁর গাওয়া ‘তুমি কী দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়, সালাম সালাম হাজার সালাম ও জয় বাংলা বাংলার জয়’ গান তিনটি ২০০৬ সালে মার্চ মাস জুড়ে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরিতে কাজ করেন। তখন গণসংগীত গেয়ে পাওয়া ১২ লাখ রুপি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন তিনি।

প্রখ্যাত এই শিল্পী বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত দুটি সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার ছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক, বাচসাস পুরস্কার পান।

একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত তার গান জনগণকে উজ্জীবিত করে। তিনি বঙ্গবন্ধু পদক (১৯৭৩), একুশে পদক (১৯৮০) ও স্বাধীনতা পদকসহ (১৯৯৬) বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক ও সম্মাননা লাভ করেন।

১৯৩৮ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আবদুল জব্বার। মৃত্যুকালে আব্দুল জব্বার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

দেশবরেণ্য কন্ঠশিল্পী আবদুল জব্বারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশন-বিওএমএ’র সভাপতি. লালন গবেষনা একাডেমীর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents