এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত থেকে বোলারদের মাথা বাঁচাতে বিশেষ এক হেলমেট আবিষ্কারের পথ খুঁজছে বোর্ডটি। ইতিমধ্যেই এই হেলমেট তৈরির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে খেলাধুলায় আঘাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করা সংস্থা হেডওয়ে।সংস্থাটির এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানান, ‘আমরা ইসিবির এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। গত পাঁচ বছরে ক্রিকেট যতটুকু এগিয়েছে তা দেখতে পারাটা বেশ উৎসাহব্যঞ্জক। ইসিবি এই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলাভাবে চিন্তা করছে। আপনি এসব আবিষ্কারকে কখনই খাটো করে দেখতে পারেন না এবং এসব প্রযুক্তিকে স্বাগত জানানোই উচিত।’

ইসিবি পাশে পাচ্ছে সেদিন ব্যাটসম্যানের শটে মাথায় আঘাত পাওয়া লুক ফ্লেচারকেও। নটিংহ্যামের এই পেসার মনে করেন, মাথায় পড়ে স্বস্তি পাওয়া গেলে অবশ্যই বোলাররা এই হেলমেট ব্যবহারে উৎসাহিত হবে। ফ্লেচারের ভাষায়, ‘আমার মনে হয় যদি মাথায় পড়ে স্বস্তি পাওয়া যায় কিংবা ভালোমতো কাজ করে, তবে অনেক পেসারই এই ধরনের হেডগিয়ার ব্যবহারে উৎসাহিত হবে।’

তবে ফ্লেচারের কথার সঙ্গে একমত নন ওয়ারউকশায়ারের বোলার অলি স্টোন। তার মতে উটকো ঝামেলা হতে যাচ্ছে নতুন ধরনের এই হেডগিয়ার, ‘নেটে বল করার সময় আমাদের  দিকে প্রায়ই বল উড়ে আসে। বোলাররা এই ব্যাপারটাতে অভ্যস্ত। হেডগিয়ারের মত এই উদ্ভট বিষয়টা আমি প্রথমবারের মত শুনলাম। একবার চিন্তা করুন, মাথায় এই রকম একটা  জিনিস পরে সারা মাঠ দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। ব্যাপারটা চিন্তা করতেই কেমন লাগে।’

বলের আঘাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে আম্পায়াররাও ব্যবহার করছেন বিশেষ ধরনের আর্ম গার্ড। বলের আঘাত থেকে বাঁচতে তাই বোলাররাও সচেতন হয়েই মাথায় বিশেষ হেলমেট পড়বেন বলে আশা করছে ইসিবি। বলের আঘাতে ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান ফিল হিউজের মৃত্যুর পর ব্যাটসম্যানদের হেলমেটে বাড়তি সুরক্ষা যুক্ত করার আদেশ দিয়েছিল ইসিবি। নিজেদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে হেলমেটে সুরক্ষা বাড়ানোকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ব্যাটসম্যানরাও।