১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তরের কনফারেন্স কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার দিনের বিকেল চারটা থেকে পরবর্তী কয়েক ঘণ্টার ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয় সাংবাদিকদের। ওই ফুটেজে ফরহাদ মজহারকে খুলনায় দেখা যায়। শহীদুল হক বলেন, ‘তিনি কীভাবে খুলনা পৌঁছেন, তা জানা যায়নি।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেছেন, ‘ফরহাদ মজহার এখন অসুস্থ, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়নি। তবে আমরা আদালতের কাছে যাব। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

৩ জুলাই সোমবার সকালে ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করা হয়েছে এ অভিযোগ করে তার পরিবারের সদস্যরা বলেন, ভোর চারটার দিকে ফোন আসলে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে আর তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

১৮ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের অভয়নগরে খুলনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে উদ্ধার করা হয় ফরহাদ মজহারকে।

৪ জুলাই মঙ্গলবার সকাল নয়টার কিছু আগে তাকে যশোর থেকে আদাবর থানায় নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফরহাদ মজহারকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

এর পর ঢাকা মহানগর হাকিম মোহা. আহসান হাবীবের আদালতে তাকে তোলা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় বিচারকের খাসকামরায় জবানবন্দি দেন ফরহাদ মজহার। ওই আদালতে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে নিজ জিম্মায় যাওয়ার আবেদন করলে দশ হাজার টাকা মুচলেকায় তা গ্রহণ করেন আদালত। পরে নিজের জিম্মায় মুক্তি পান ফরহাদ মজহার।

আদালত থেকে বাসায় ফেরার অনুমতি পাওয়ার পরে ফরহাদ মজহারকে আদালত থেকে সরাসরি রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।