১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে সিরিসেনাকে বহনকারী শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

রীতি অনুযায়ী, উড়োজাহাজ থেকে নামার পরপরই বাংলাদেশের দুই শিশু শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্টকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানায়। এর পর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানানো হয় তাকে।

এ ছাড়া মাইথ্রিপালা সিরিসেনাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে তিন বাহিনীর সুসজ্জিত একটি দল।

২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের এটাই প্রথম বাংলাদেশ সফর। তার সফরকালে দুই দেশের মধ্যে ১০টিরও বেশি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।

শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বৃহস্পতিবার বিকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতিও শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শ্রীলংকার প্রেসিডেন্টের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন সিরিসেনা।

এ ছাড়া শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন সিরিসেনা এবং তার সম্মানে রাষ্ট্রপতির দেওয়া নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

শনিবার সকালে শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এমসিসিআই এবং বিডা-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ-শ্রীলংকা বিজনেস সংলাপে অংশগ্রহণ করবেন। এর পরপরই শ্রীলংকার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করার কথা রয়েছে সিরিসেনার।