বলা হচ্ছে, ট্রাম্প জুনিয়রকে জানানো হয়েছিল যে এই রুশ আইনজীবী নাতালিয়া ভেসেলনিতস্কায়ার কাছে রাশিয়ার সরকারের কাছ থেকে পাওয়া এমন কিছু তথ্য আছে, যা তার বাবাকে নির্বাচনে জিততে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও তার নির্বাচনী প্রচারণার সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

অন্যদিকে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মাথা গলিয়েছে এমন কোন প্রমাণ নেই।

ট্রাম্প জুনিয়র নিজে ফক্স নিউজকে বলেন, ওই বৈঠকটা ‘কোনও ব্যাপারই নয়’। তবে তিনি সেই সঙ্গে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন বিষয়টা তার অন্যভাবে সামলানো উচিত ছিল।

সমালোচকরা অবশ্য অভিযোগ করছেন, রাশিয়ানদের সঙ্গে ট্রাম্প জুনিয়র যে অনৈতিক যোগসাজশ স্থাপন করতে চেয়েছিলেন তার সেই অভিপ্রায় স্পষ্ট হয়ে গেছে এবং এর মাধ্যমে তিনি হয়তো আমেরিকার ফেডারেল আইনও ভেঙেছেন।

রাশিয়া আমেরিকার মার্কিন নির্বাচনে নাক গলানোর চেষ্টা করেছিল কি না, তা নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা এখন তদন্ত করছেন।

প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ট্রাম্পকে বারবার এই অভিযোগের সম্মুখীন হতে হয়েছে যে রাশিয়া তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিলারি ক্লিন্টনের প্রচারণায় অন্তর্ঘাত ঘটানোর চেষ্টা করেছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য বরাবরই বলে আসছেন তার এ ব্যাপারে কিছুই জানা ছিল না। রাশিয়াও মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ আগাগোড়া অস্বীকার করে এসেছে।