১২ জুলাই বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, সিলেট, মৌলভীবাজার, কক্সবাজার, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ জেলা বর্তমানে বন্যা কবলিত। উত্তরের পানি মধ্যাঞ্চলে নেমে এলে আরও নতুন জেলা প্লাবিত হতে পারে।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন,চীন, ভারত, নেপাল, ভুটানও বন্যাকবলিত হয়েছে। সেই দেশগুলোতে বন্যায় শতাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটেছে। কিন্তু আমাদের দেশে একজনেরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার অন্য দেশগুলোর কাছে মডেল।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারের বরাদ্দের পরিমাণ তুলে ধরে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, গত ৩ জুলাই থেকে শুকনা খাবারের প্যাকেট বিতরণ শুরু হয়েছে, এটা চলবে। বন্যাকবলিত জেলার প্রশাসকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ত্রাণ কার্যক্রম ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চলছে।

মন্ত্রী বলেন, উজানের দেশের পানির প্রভাব ভাটির দেশে পড়ে, এটাই স্বাভাবিক। উত্তরের পানি নেমে এলে দেশের মধ্যমাঞ্চলে পানি আরও বাড়বে, বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের ত্রাণ পর্যাপ্ত আছে।

এ সময় দেশের বন্যাকবলিত এলাকাগুলো পরিদর্শনে যাওয়ার কথাও জানান ত্রাণমন্ত্রী। সংবাদ সম্মেলনে সচিব শাহ কামালসহ মন্ত্রিপরিষদ সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।