পাঁচ ম্যাচ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডেতে তিন উইকেট ও ৭১ বল হাতে রেখেই স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়েছে গ্রায়েম ক্রেমারের দল। ফলে দীর্ঘ নয় বছর পর বিদেশের মাটিতে কোনো দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলো দলটি। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর হিসেবে বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েছে দীর্ঘ ১৬ বছর পর।

কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল ২০০১-০২ মৌসুমে। সেবার অবশ্য টেস্টের নবীনতম দল বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেই এসেছিলো সেই জয়। এরপর ২০০৮ সালে সর্বশেষ কেনিয়ার বিপক্ষে একটি সিরিজ জেতা ছাড়া বিদেশের মটিতে আর কোনো সিরিজ জয়ের স্বাদ পায়নি জিম্বাবুয়ে।

শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হ্যামিলটন মাসাকাদজা ও সলোমন মিরের উদ্বোধনী জুটিতেই ৯২ রানের সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। মিরে হাফ সেঞ্চুরি থেকে সাত রান দূরে থেকে ফিরে গেলেও হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাসাকাদজা। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৭৩ রান।

তারিসাই মুসাকান্দার ব্যাট থেকে আসে ৩৭ রান। শেষদিকে সিকান্দার রাজা এবং অধিনায়ক ক্রেমারের ব্যাটে ভর করে ৭১ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে। রাজা ২৭ ও ক্রেমার ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

বিদেশের মাটিতে এর আগে মাত্র তিনটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে। সর্বশেষটি প্রায় নয় বছর আগে, ‘দুর্বল’ কেনিয়ার বিপক্ষে। ১৯৯৭ সালে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় প্রেসিডেন্টস কাপে প্রথমবারের মতো বিদেশের মাটিতে শিরোপা জিতেছিলো জিম্বাবুয়ে। সিরিজের বাকি দলটি ছিলো তখনও টেস্ট মর্যাদা না পাওয়া বাংলাদেশ।

এরপর ১৯৯৯ সালে টেস্ট মর্যাদার অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশের মাটিতে আরও একটি ত্রিদেশীয় সিরিজে শিরোপা জিতেছিল তারা। সেবার অপর দলটি ছিলো কেনিয়া। তবে এগুলোর কোনোটিই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ছিলো না। ২০০১ সালে প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ের স্বাদ পায় জিম্বাবুয়ে। সেবার নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিলো ফ্লাওয়ার-ক্যাম্পবেল-স্ট্রিকদের জিম্বাবুয়ে।