এ ছবি ছড়িয়ে পড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ছবিটিকে ঘিরে নানা মন্তব্য করতে থাকেন। কাবিরা নামের এক ব্যক্তি ছবিটি শেয়ার করে ট্রাম্পের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, ভাইয়া, কী জিজ্ঞাসা করেছিলেন?অপর এক ব্যবহারকারী লেখেন, পুতিনের রাগ থামানোর চেষ্টা করছেন বেচারা ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পরবর্তীতে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের মূল ছবিতে দেখা যায়, সেখানে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, ডোনাল্ড ট্রাম্প, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু ও প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান রয়েছেন। যে চেয়ারে পুতিনকে বসানো হয়েছিল সেটি ফাঁকা পড়ে আছে।

leader's meeting at g20

এটাই ছিল মূল ছবি। ছবি: এপি

মূল ছবিতে ফটোশপ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা দাবি করেন পরবর্তীতে। দুটি ছবি পাশাপাশি শেয়ার করে তারা আহবান জানান, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারায় ট্রাম্প এখন মামলা করতে পারেন।

দৈনিক আমাদের সময়ের স্টাফ রিপোর্টার আলী আসিফ শাওন লিখেছেন, ‘ট্রাম্প এখন ৫৭ ধারায় মামলা করতে পারে!’

আলী আহমদ সুরুজ নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, ফেসবুকে ভুয়া ছবিটি ছড়িয়ে নানা মন্তব্যে ট্রাম্পকে হেয় করা হয়েছে। ভুয়া ছবি ছড়ানো ও অনলাইনে নানা মন্তব্যে ব্যাপক মানহানি হয়েছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের। তার উচিত বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের করা।

কেউ কেউ মন্তব্য করেন, ট্রাম্প নিজে মামলা না করলেও তার পক্ষে অন্য কেউ-ও মামলাটি করতে পারে।