তিনি বলেন, ‘বিগত ১৫ মাস যাবত গাবতলী গরুর হাটের ইজারাদার ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সাথ যুদ্ধ করতে হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের ব্যপারে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় মাংস ব্যবসায়ী সমিতি থেকে পদত্যাগ করলাম।’

গরুর হাটে চাঁদাবাজির কারণেই মাংস বাজারের উর্ধ্বগতি উল্লেখ করে রবিউল আলম বলেন, ‘একটি গরুর হাসিল হচ্ছে ৫০ টাকা কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে গাবতলীর ইজারাদারা নিচ্ছে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন হলেও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই। প্রতিবাদ করায় মাংস ব্যবসায়ী সমিতির অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে, তারপরও সিটি করপোরেশন কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয় নাই।’

দুদকের মাধ্যমে এসব দুর্নীতির তদন্তের দাবি জানিয়ে এ মাংস ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘সকল দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘মাংস ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা ডিএনসিসির কর্মকর্তাদের সাথে মিডিয়ায় যে কোন বিতর্কে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত।’

চাঁদাবাজিই বাজারে মাংসের দাম বাড়ার কারণ জানিয়ে এই ব্যবসায়ী বলেন, ভারতীয় সীমান্ত বন্ধ হলেই আমাদের দেশে মাংসের দাম কমে আসবে। কারণ ভারতীয় সীমান্ত থেকে একটি গরু গাবতলী আনতে খরচ হয় অনেক টাকা, সেই খরচ তুলতেই আজ বাজারে মাংসের দাম আকাশ ছোঁয়া। ১৫ দিন ভারতীয় বর্ডার বন্ধ রাখলেই মাংসের বাজার কমে আসবে।’