মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২৬ মে শাহবাগ জাতীয় যাদুঘরের সামনে আসামিরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন। তাদের বক্তব্য পর দিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় আসে। এতে তার মানহানি হয়েছে বলে আদালতে মামলাটি করেন।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে খুশি কবীর বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারটা আপনার কাছেই শুনেছি, আমাকে নিউজটির লিঙ্ক দেন। আগে দেখি এরপর মন্তব্য করব।’ তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখতে হবে আমি কোথায় কবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তিকর বক্তব্য করেছি।’

গত বুধবার ইমরান এইচ সরকারের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে একটি মামলা করে। এর তিনদিন পর তার বিরুদ্ধে নতুন করে আরেকটি মামলা হলো।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদের মিছিল থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর’ স্লোগান দেয়ার অভিযোগে ওই মামলাটি করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। স্লোগানে অংশগ্রহণকারী সনাতন উল্লাসকেও মামলায় আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ইমরান এইচ সরকারের প্রতি সমন জারি করেছে। তাকে ১৬ জুলাই হাজির হতে বলা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভাস্কর্য সরানোর প্রতিবাদে শাহবাগে গণজাগরণের মিছিলে ‘ছি ছি হাসিনা, লজ্জায় বাঁচি না’ স্লোগান ওঠে। বাদী মনে করেন এতে মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় দণ্ড বিধি ৫০০ ধারার মানহানির অভিযোগে মামলাটি করা হয়।

যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণের আন্দোলনের সূচনায় অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে এর সমন্বয়কের দায়িত্ব নেন ইমরান। শুরুতে ছাত্রলীগ এই মঞ্চের সঙ্গে থাকলেও পরে সরে যায়।