১২:৪৮ অপরাহ্ণ - শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / খেলাধুলা / ক্রিকেট / ওয়ানডে ক্রিকেটে তৃতীয়বারের মত জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

ওয়ানডে ক্রিকেটে তৃতীয়বারের মত জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ

bangladsh 11.11.15স্পোর্টস ডেস্ক, ১১ নভেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): ওয়ানডে ক্রিকেটে তৃতীয়বারের মত জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং নৈপুন্যে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৬১ রানে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। সেই সাথে ২০০৬ ও ২০১৪ সালের পর তৃতীয়বারের মত জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশের করলো টাইগাররা। এই নিয়ে নবমবারের মত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজও জিতলো বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ম্যাচে না পারলেও প্রথম ওয়ানডের মত তৃতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সামনে আড়াই’শ রানের উপরে টার্গেট ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ। তাই এ ম্যাচে চাপ নিয়ে নিজেদের ব্যাটিং শুরু করে জিম্বাবুয়ে। সেই চাপকে শুরুতে আরও বড় করে দেন মুস্তাফিজ। পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের প্রথম বলে বাউন্ডারি হাকিয়ে ভালো শুরুর আভাসই দিয়েছিলেন ওপেনার চামু চিবাবা।

কিন্তু চিবাবার সেই আভাস আমলেই নেননি মুস্তাফিজুর। পরের বলেই চিবাবার উইকেট উপরে ফেলেন মুস্তাফিজুর। ফলে ব্যক্তিগত ৪ রানেই বিদায় নেন চিবাবা। এরপর শুরুর ধাক্কাটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার রেগিস চাকাবা ও ক্রেইগ আরভিন। তাদের সেই চেষ্টায় দ্বিতীয় উইকেট থেকে দল পায় ৩৯ রান। ১৭ রান করা চাকাবাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন মুস্তাফিজুর।

দ্বিতীয় সাফল্যের আনন্দ ভুলে যাবার আগেই বাংলাদেশকে দ্রুতই তৃতীয়বারের মত আনন্দে ভাসান নাসির হোসেন। ৪৩ রানে চাকাবাবার আউটের পর দলীয় ৪৩ রানে ফিরেন আরভিন। ২১ রান করেন তিনি।

৯ ওভারের মধ্যে উপরের তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপটা বেশ ভালোই অনুভব করেন উইকেটে থাকা সিন উইলিয়ামস ও অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরা। তাই উইকেট ধরে রাখার পরিকল্পনায় মনোযোগী হন তারা। তবে দ্রুতই উইকেটে সেট হয়ে যান উইলিয়ামস ও চিগুম্বুরা। ফলে রান তোলার গতি বাড়াতে মোটেও সময় নষ্ট করেননি এই দুই ব্যাটসম্যান। তাই এই জুটির কাছ থেকে মূল্যবান হাফ-সেঞ্চুরির জুটি পেয়ে যায় দল। এরপরও জুটির রান সংখ্যা বাড়ছিলো ভালোভাবেই।

তবে এই জুটি আরও ভয়ংকর হবার আগেই বাংলাদেশের শিবিরকে চিন্তামুক্ত করেন অকেশনাল বোলার সাব্বির রহমান। আসলে এখানে অধিনায়ক মাশরাফি একরকম ‘জুয়া’ খেলেন। সাব্বিরের প্রথম ওভার থেকে একটি বাউন্ডারিতে মাত্র ৬ রান আসলেও, বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে ৬টি বল খেলেন চিগুম্বুরা ও উইলিয়ামস। তারপরও সাব্বিরের স্পেল বজায় রাখেন মাশরাফি।

আর বল হাতে পেয়েই অধিনায়কের ভরসার শতভাগ প্রতিদান দেন সাব্বির। চিগুম্বুরারকে বোল্ড করে চিন্তায় ঝিমিয়ে পড়া বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলেন সাব্বির। ৬টি বাউন্ডারিতে ৪৭ বলে ৪৫ রান করে ফিরেন চিগুম্বুরা।

দলীয় ১২৭ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে চিগুম্বুরার বিদায়ের পরও ম্যাচের হাল ছেড়ে দেয়নি জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের জয়ের পথ পরিস্কার করার দিকে হাটচ্ছিলেন উইলিয়ামস ও ম্যালকম ওয়ালার। ভালোই জমে উঠেছিলো জুটিটি। জমে যাওয়ায় এই জুটির কাছ থেকে ৫৯ রান পায় জিম্বাবুয়ে। তাতে ম্যাচে টিকে থাকার পথ পেয়ে সফরকারীরা। কিন্তু সেই পথে বাধাঁ হয়ে দাঁড়ান পেসার আল-আমিন হোসেন। তবে এজন্য পুরো কৃতিত্বটা দিতেই হবে নাসির হোসেনকে। কভার দাঁড়িয়ে শুন্য ভেসে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন নাসির। তাতেই ৩২ রানে থেমে যায় ওয়ালারের ইনিংস।

ওয়ালারকে হারানোর দুঃখ ভোলার আগেই জিম্বাবুয়ে শিবিরে আবারো আঘাত হানেন দেশ সেরা পেসার ও বাংলাদেশ দলপতি মাশরাফি। উইকেটের সন্ধি করে ফেলা উইলিয়ামসকে ব্যক্তিগত ৬৪ রানেই ফিরিয়ে দেন ম্যাশ। তাতেই ম্যাচ জয় খুব কাছেই দেখতে পায় বাংলাদেশ।

আর শেষদিকে খুব দ্রুতই বাংলাদেশকে জয়ের স্বাদ এনে দেন মুস্তাফিজুর। ৮ রানের ব্যবধানে জিম্বাবুয়ের শেষ চার উইকেটের তিনটি নিয়েছেন তিনি। আর প্রতিপক্ষের শেষ উইকেটটি নিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন আরাফাত সানি।

শেষদিকে তিন উইকেট নেয়ার মাঝে হ্যাট্টিকের সুযোগ পেয়েছিলেন মুস্তাফিজুর। ক্যাচ হাতে হ্যাট্টিকের সম্ভাবনা ছিলো সাব্বিরেরও। কারন সাব্বিরের সহায়তা নিয়ে সিকান্দার ও জঙ্গবের উইকেট নেন তিনি। এর মধ্যে সিকান্দারের ক্যাচটি নিয়ে ক্রিকেট ভক্তদের অবাকই করেছেন সাব্বির। শেষ পর্যন্ত কেউই হ্যাট্টিক করতে পারেনি। তবে বোলিং ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মত ৫ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে ২১৫ রানেই অলআউট করে দেন মুস্তাফিজুর। ৩৪ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। ম্যাচের সেরা হয়েছেন বাংলাদেশের তামিম ইকবাল। আর সিরিজ সেরার খেতাব পান মুশফিকুর রহিম।

ওয়ানডে লড়াই শেষে এবার দুই ম্যাচের টুয়েন্টি টুয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আগামী ১৩ ও ১৫ নভেম্বর অনুষ্টিত হবে সিরিজের দু’টি টি-২০।

এর আগে দুপুরের রৌদ্রোজ্জল আলোতে চলমান সিরিজে প্রথমবারের মত টস ভাগ্যে জিতেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। টস ভাগ্যে জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরার মনের আশাই পূরন করেন মাশরাফি। কিভাবে? প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ ও প্রথম দুই ওয়ানডেতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ে দলপতি। টার্গেট তাড়া করার প্রবণতা বেশি ছিলো চিগুম্বুরার। হয়তো এ ম্যাচে টস জিতলেও তাই করতেন চিগুম্বুরা। তাই জিম্বাবুয়েকে ফিল্ডিং-এর দায়িত্ব দিয়ে নিজেরাই প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেন ম্যাশ।

মাশরাফির সিদ্বান্তকে যথার্থ প্রমান করেছেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। জিম্বাবুয়ে বোলারদের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটাই দিয়েছেন তারা। তাই উদ্বোধনী জুটিতে ৬৩ বলে অর্ধশতক এবং ১৩৯ বলে দলের স্কোর তিন অংকের কোটা স্পর্শ করান তামিম-ইমরুল। রান তোলার গতিটা কম থাকলেও, রানের চাকা ঠিকই সচল রেখেছিলেন তারা।

দলীয় স্কোর তিন অংক টপকিয়ে, দেড় শতাধিকের কাছেই পৌছে গিয়েছিলো। কিন্তু দলীয় ১৪৭ রানে জিম্বাবুয়ের স্পিনার সিকান্দার রাজাকে উইকেট ছেড়ে খেলতে গিয়ে স্টাম্পড হন ইমরুল। ফলে ২৯.৩ ওভারে ভাঙ্গে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১২তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে ৭৩ রানে থামেন ইমরুল। তার ৯৮ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ১টি ছক্কার মার ছিলো।

ইমরুলের ফিরে যাবার পরও দলের স্কোর সচল রেখেছিলেন তামিম। সাথে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে যান মুশফিকুর রহিমকে। রানের গতি বাড়াতেই তিন নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয় মুশফিককে। তবে মুশফিকের সাথে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি তামিম। দলীয় ১৭৩ রানে বিদায় নেন তিনিও। ইমরুলের মত একই রকম আউট হয়ে একই স্কোর ৭৩ রানে থামেন তামিম। তার ৯৫ বলের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারি ছিলো।

প্যাভিলিয়নে তামিমের যাবার কিছুক্ষণ পরই আউট হন মুশফিকও। ২৮ রানের মাঝারি আকারের ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর মুশফিকের চেয়ে আরও ছোট ইনিংস খেলেন লিটন কুমার দাস। মাত্র ১৭ রান করেন তিনি। লিটন যখন ফিরে যান তখন বাংলাদেশের স্কোর ছিলো ৪২.২ ওভারে ৪ উইকেটে ২২২ রান। তখনো তিন শতাধিক রান করার স্বপ্ন বেঁেচ ছিলো বাংলাদেশের সামনে।

কিন্তু সেটি স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় মাত্র ৩ বলের ব্যবধানে। সাব্বির রহমান ১ ও নাসির হোসেনকে শুন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের রানের লাগাম টেনে ধরেন লুক জঙ্গবে। এমন বিপর্যয়ের পরও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর গিয়ে পৌছায় ৯ উইকেটে ২৭৬ রানে। এজন্য পুরো কৃতিত্ব দিতেই হবে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে। নিশ্চিত রান আউটের হাত থেকে বেঁেচ গিয়ে ৫২ রানের গুরুত্বপূর্ন ইনিংস খেলেন রিয়াদ। অবশ্য শেষ অবধি ঐ রান আউটেই ইতি ঘটে রিয়াদের ইনিংসটির। এছাড়া মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৬ রান করেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে জঙ্গবে ও ক্রেমার ২টি করে উইকেট নেন।

স্কোর কার্ড :

বাংলাদেশ ইনিংস :
তামিম ইকবাল স্ট্যাম্পড চাকাবা ব ক্রেমার ৭৩
ইমরুল কায়েস স্ট্যাম্পড চাকাবা ব সিকান্দার ৭৩
মুশফিকুর রহিম স্ট্যাম্পড চাকাবা ব ওয়ালার ২৮
লিটন কুমার দাস ক অতি (মাসাকাদজা) ব ক্রেমার ১৭
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ রান আউট (চাকাবা) ৫২
সাব্বির রহমান ক ক্রেমার ব জঙ্গবে ১
নাসির হোসেন ক ক্রেমার ব জঙ্গবে ০
মাশরাফি বিন মর্তুজা ব পেনিয়াঙ্গারা ১৬
আরাফাত সানি অপরাজিত ৩
মুস্তাফিজুর রহমান রান আউট (সিকান্দার/চাকাবা) ১
অতিরিক্ত লে বা-২, ও-৮, নো-২ ১২
মোট ৯ উইকেট, ৫০ ওভার ২৭৬

উইকেট পতন : ১/১৪৭ (ইমরুল), ২/১৭৩ (তামিম), ৩/১৯০ (মুশফিকুর), ৪/২২২ (লিটন), ৫/২২৬ (সাব্বির), ৬/২২৬ (নাসির), ৭/২৬৩ (মাশরাফি), ৮/২৭৫ (মাহমুদুল্লাহ), ৯/২৭৬ (মুস্তাফিজুর)।

জিম্বাবুয়ে বোলিং :
বোলার ওভার মেডেন রান উইকেট অতিরিক্ত
পেনিয়াঙ্গারা ১০ ০ ৪৯ ১ নো-১
মুজারাবানি ৪ ১ ২১ ০ ০
জঙ্গবে ৯ ০ ৫০ ২ ও-৩
চিগুম্বুরা ৬ ০ ২৯ ০ ০
সিকান্দার ৮ ১ ৪৮ ১ ও-২
ক্রেমার ১০ ০ ৫৩ ২ ও-১

জিম্বাবুয়ে ইনিংস :
চিবাবা ব মুস্তাফিজুর ৪
চাকাভা ক নাসির ব মুস্তাফিজুর ১৭
আরভিন এলবিডব্লু ব নাসির ২১
উইলিয়ামস ক সাব্বির ব মাশরাফি ৬৪
চিগুম্বুরা ব সাব্বির ৪৫
ওয়ালার ক নাসির ব আল-আমিন ৩২
সিকান্দার ক সাব্বির ব মুস্তাফিজুর ৯
জঙ্গবে ক সাব্বির ব মুস্তাফিজুর ১১
ক্রেমার অপরাজিত ৫
পেনিয়াঙ্গারা ক এন্ড ব মুস্তাফিজুর ৩
মুজারাবানি ক এন্ড ব আরাফাত ০
অতিরিক্ত লে বা-২, ও-২ ৪
মোট অলআউট, ৪৩.৩ ওভার ২১৫

উইকেট পতন : ১/৪ (চিবাবা), ২/৪৩ (চাকাবা), ৩/৪৭ (আরভিন), ৪/১২৭ (চিগুম্বুরা), ৫/১৮৬ (ওয়ালার), ৬/১৮৮ (উইলিয়ামস), ৭/২০৭ (সিকান্দার), ৮/২০৭ (জঙ্গবে), ৯/২১৪ (পেনিয়াঙ্গারা), ১০/২১৫ (মুজারাবানি)।

বাংলাদেশ বোলিং :
বোলার ওভার মেডেন রান উইকেট অতিরিক্ত
মুস্তাফিজুর ৮ ০ ৩৪ ৫ ও-১
মাশরাফি ৯ ০ ৪০ ১ ও-১
নাসির ৭ ০ ৩৬ ১ ০
আল-আমিন ৮ ০ ৪৪ ১ ০
আরাফাত ৯.৩ ০ ৪৭ ১ ০
সাব্বির ২ ০ ১২ ১ ০

ফল : বাংলাদেশ ৬১ রানে জয়ী।

সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নিলো বাংলাদেশ।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ : তামিম ইকবাল (বাংলাদেশ)।

ম্যান অব দ্য সিরিজ : মুশফিকুর রহিম (বাংলাদেশ)।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents