১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ - বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন , ২০১৯
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / আন্তর্জাতিক / ভারতের হাটে-বাজারে এখন থেকে কোনও গবাদি পশুই জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কেনাবেচা করা যাবে না

ভারতের হাটে-বাজারে এখন থেকে কোনও গবাদি পশুই জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কেনাবেচা করা যাবে না

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ২৭ মে, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): ভারতের হাটে-বাজারে এখন থেকে কোনও গবাদি পশুই জবাইয়ের উদ্দেশ্যে কেনাবেচা করা যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কেন্দ্র সরকার। গবাদি পশুর সংজ্ঞা অনুযায়ী গরু, বাছুর, বলদ, ষাঁড়, মহিষ এবং উট এর আওতাভুক্ত।

গো-রক্ষা এবং গোমাংস নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই কেন্দ্র এই বিজ্ঞপ্তি জারি করলো। এই নির্দেশিকার ফলে ভারতের মাংস ব্যবসা ভয়ঙ্কর ক্ষতির মুখে পড়বে বলে দাবি অল ইন্ডিয়া মিট অ্যান্ড লাইভস্টক এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব বি ডি সবরবালের। তিনি বলেন, কসাইখানাগুলো ৯০ শতাংশ গবাদি পশুই বাজার থেকে কেনে।

অনেকে মনে করছেন, মাংস ব্যবসায় জড়িত বৃহৎ সংস্থাগুলো হয়তো পরিস্থিতি সামলে নেবে। কিন্তু ছোট ব্যবসায়ীরা মাংস কিনতে সমস্যায় পড়বেন। এই সিদ্ধান্তের বিরূপ প্রভাব পড়বে চামড়া শিল্পেও।

যদিও সরকারি সূত্রে বলা হচ্ছে, মাংস কেনাবেচায় নিষেধাজ্ঞা আনা সরকারের উদ্দেশ্য নয়। নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পশুপালকদের কাছ থেকে মাংসের জন্য পশু কেনা যাবে। কিন্তু হাটে-বাজারে গবাদি পশু কিনে জবাই করা চলবে না। অসুস্থ বা অক্ষম গরু বেচাও কঠিন হবে।

কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেয়া ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কৃষির প্রয়োজন ছাড়া গবাদি পশু বাজার থেকে কেনাবেচা করা যাবে না। এখন থেকে ক্রেতাকে প্রমাণ দিতে হবে তিনি কৃষিজীবী, কৃষির প্রয়োজনে পশু কিনছেন এবং বিক্রেতাকে লিখিত ভাবে জানাতে হবে, জবাইয়ের জন্য পশুটিকে বিক্রি করা হচ্ছে না। ক্রেতা এবং বিক্রেতা দুইজনকেই তাদের ছবিসহ পরিচয়পত্র দিতে হবে। পশু বাজারের কর্মকর্তারা সেগুলো খতিয়ে দেখে তবে অনুমোদন দেবেন।

বাজার বসার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এত দিন পর্যন্ত বেশির ভাগ রাজ্যেই এ ধরনের বহু বাজার বসত সীমানা এলাকায়, যাতে প্রতিবেশী রাজ্যের লোকেরাও তাতে অংশ নিতে পারেন। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দুই রাজ্যের সীমানা থেকে ২৫ কিলোমিটার এবং সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে পশুর বাজার বসাতে হবে। সীমান্তে পশুপাচার ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্যে ‘বেআইনি’ মাংসের দোকান বন্ধে অভিযান চালানো হয়েছে। পরের ধাপে কেন্দ্রের এই নির্দেশিকা দেশজুড়ে গবাদি পশু ব্যবসাকেই নজরদারির আওতায় আনল। এত দিন দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছিল গোমাংস এবং গোহত্যা নিয়ে। এ বার সামগ্রিক ভাবে গবাদি পশুই বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এল।

নতুন নির্দেশিকাকে কটাক্ষ করে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের টুইটে বলেছেন, ‘কার্যত গবাদি পশুহত্যা যে ভাবে আটকানো হচ্ছে, তাতে বহু মানুষের খাবারে টান পড়বে। এটা বহুত্ববাদের উপরে হামলা।’

যদিও বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মুরলীধর রাওয় মনে করেন, ‘এই আইন ভারতীয় আত্মা ও সংস্কৃতির অনুরূপ। পশুধনকে মাংস হিসেবে দেখার বিকৃতি এর ফলে দূর হবে।’

কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা শশী থারুর জবাব, ‘গান্ধীজি কিন্তু নিজের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধী ছিলেন।’

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি …

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents