বেসিসের সদস্য কোম্পানিগুলো দেশের বাইরে তাদের ব্যবসায়িক খরচের জন্য এক বছরে ৩০,০০০ ডলার পর্যন্ত খরচ করতে পারেন। নতুন পার্টনারশিপের মাধ্যমে সংশ্লিøষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের বিদেশি ব্যয় দ্রুতগামী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে বর্তমানের আইটি/আইটিইএস সংক্রান্ত বিদেশি কেনাকাটার জটিল প্রক্রিয়া সহজ হবে। এটি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য, সুরক্ষিত এবং বিশেষ সুবিধা স¤পন্ন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইসিটি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক শুভংকর সাহা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী রেজা ইফতেখার, হেড অব কনজ্যুমার ব্যাংকিং নাজিম আনোয়ার চৌধুরী, অ্যাক্টিং হেড অব বিজনেস এম. খোরশেদ আনোয়ার, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল এবং পরিচালক গীতাঙ্ক ডি দত্ত।

বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, পরিচালক উত্তম কুমার পাল, মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, সৈয়দ আলমাস কবীর, রিয়াদ এস এ হোসেন, বেসিসের মেম্বার সার্ভিসেস স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান শোয়েব মাসুদ চৌধুরীসহ আরও উচ্চ কর্মপদস্থ ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘দেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে এর প্রমাণ হচ্ছে পারস্পারিক অগ্রগতির জন্য এই ধরনের অংশীদারিত্ব। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এবং লেনদেনকে ডিজিটাইজিং করা আমাদের প্রকৃত ডিজিটাল দেশ হওয়ার পেছনের অন্যতম কারণ হবে। মাস্টারকার্ড, বেসিস এবং এরকম কোম্পানিগুলো এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।’

বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বেসিস তাদের সদস্য কোম্পানিগুলোকে সর্বদা সর্বোত্তম সেবা প্রদান করে থাকে। এই কার্ডটি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে তাদেরকে উন্নত পরিবেশ দেয়ার আরও একটি প্রচেষ্টা। আমরা বিশ্বাস করি, এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের আইটি  সেবাসমূহ বৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানিতে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে।’