প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ৩৭৬ রানের জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ৫ উইকেটে ২১৮ রান তুলেছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দিন শেষে শেন ডরউইচ ২০ ও অধিনায়ক জেসন হোল্ডার ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। তবে নিজেদের ইনিংসটাকে কেউই বড় করতে পারেননি পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের বোলিং তোপে।
আগের দিন মাত্র ১ উইকেট নেয়া আব্বাস, চতুর্থ দিন আরও ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৪৭ রানেই আটকে দেন। আগের দিন ৬০ রানে আহত হয়ে অবসরে যাওয়া রোস্টন চেজ ব্যাটিং-এ নেমে ৬৯ রানে আব্বাসের শিকার হন। এছাড়া ডরউইচ ২০, দেবেন্দ্র বিশু-আলজারি জোসেফ- শানন গ্যাব্রিয়েল শূন্য রান করে আব্বাসের বলে আউট হন।
টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচে এসে প্রথমবারের মত পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়লেন আব্বাস। ৪৬ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি। তবে ৩০ রানে অপরাজিত থেকে যান হোল্ডার।
প্রথম ইনিংস থেকে ১২৯ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে নেমে ৮ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ১২৭ রান আজহার আলী থামেন ৩ রান করে। বাবর আজম রানের খাতা খুলতেই পারেননি।
আরেক ওপেনার শান মাসুদকে নিয়ে শুরুর ধাক্কাটা সামলে উঠেন ইউনিস। দু’জনের ৪৯ রানের জুটিতে আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় পাকিস্তান। কিন্তু সেই আত্মবিশ্বাসে পরবর্তীতে ছেদ পড়ে। যখন ৫৭ থেকে ৯০ রানে পৌছাতে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। মাসুদ ২১, ইউনিস ৩৫, অধিনায়ক মিসবাহ ২, উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদ ৪ ও আসাদ শফিক ১৩ রানে থামেন। ৯০ রানে ৭ উইকেট হারানো পাকিস্তানকে এবার দারুনভাবে সামনের দিকে টেনে নিয়ে যান মোহাম্মদ আমির, ইয়াসির শাহ ও হাসান আলী। অস্টম উইকেটে আমির-ইয়াসির ৬১ এবং নবম উইকেটে ইয়াসির-আলি অবিচ্ছিন্ন ২৩ রান যোগ করেন। এরপর ৮ উইকেটে ১৭৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান। আমির ২৭, ইয়াসির অপরাজিত ৩৮ ও হাসান অপরাজিত ১৫ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোসেফ সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ৩০৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দিন শেষে ওপেনার কাইরেন পাওয়েলকে হারিয়ে ৭ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়েলের উইকেটটি নিয়েছেন ইয়াসির।
সংক্ষিপ্ত স্কোর :
পাকিস্তান : ৩৭৬ ও ১৭৪/৮ডি, ৫৭ ওভার (ইয়াসির ৩৮*, ইউনিস ৩৫, জোসেফ ৩/৫৩)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ : ২৪৭ ও ৭/১, ৬.৩ ওভার (পাওয়েল ৪, ব্রার্থওয়েট ৩*, ইয়াসির ১/২)।