৬:৫৭ অপরাহ্ণ - শনিবার, ১৭ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / অন্যান্য দলের খবর / শাপলা চত্বরে হেফাজত তাণ্ডবের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারীরা চিহ্নিত : মনিরুল ইসলাম

শাপলা চত্বরে হেফাজত তাণ্ডবের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারীরা চিহ্নিত : মনিরুল ইসলাম

ঢাকা, ০২ মে, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের কর্মীদেরকে কারা তাণ্ডব চালাতে নির্দেশ দিয়েছিল, কারা এর পরিকল্পনা করেছিল তাদেরকে চিহ্নিত করার দাবি করেছে পুলিশ।  নেপথ্যের নায়কদের চিহ্নিত করা গেলেও মাঠ পর্যায়ে কারা তাণ্ডব চালিয়েছে তাদের সবাইকে চিহ্নিত করা যায়নি।
মনিরুল বলেন, ‘সেদিন অনেক জনসমাগম হয়েছিল। তাই প্রত্যেককে চিহ্নিত করে তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং তাদের প্রত্যেকের ‘রোল’ খুঁজে বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছে পুলিশ। এজন্যই সময় লাগছে।’

বাংলাদেশে ইসলামী শাসন কায়েমের ১৩ দফা দাবি নিয়ে ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানী ঘেরাও করেছিল হেফাজত কর্মীরা। পরে সেদিন তারা শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়। সহিংস বিক্ষোভে দিনভর ব্যাপক হাঙ্গামা হয়। হামলা হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, সড়ক বিভাজকের গাছ কেটে আগুন ধরিয়ে দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে তাণ্ডব তৈরি করে হেফাজত কর্মীরা। তাদের দাবি পূরণ না হলে শাপলা চত্বর না ছাড়ার ঘোষণাও দেয় তারা।

হেফাজত কর্মীরা সেদিন শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশবাসীকে তাদের সমর্থনে মাঠে নামার আহ্বান জানান। আর হেফাজত কর্মীরা সরকার পতন না পওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। পরে রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে পিছু হটে হেফাজত কর্মীরা।

ওই অভিযানের পর হাজার হাজার মানুষকে হত্যার গুজব ছড়ানো হয়। কিন্তু পরে কোনো নাম দিতে পারেনি হেফাজতে ইসলামী। বরং জীবিত কয়েকজনের নাম ছড়ানোর বিষয়টি প্রমাণ হয়। তবে হাজার হাজার মানুষ নিহতের প্রচারে সে সময় ভীষণ চাপে পড়ে আওয়ামী লীগ সরকার এবং দেশের পাঁচ মহানগরে নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হেরে যায় সরকার সমর্থকরা।

৫ মের ওই ঘটনায় রাজধানীর কয়েকটি থানায় ৪০টির বেশি মামলা হয়েছে বল জানিয়েছেন মনিরুল। এগুলোর মধ্যে ২১টির বাদী পুলিশ, বাকিগুলো করেছেন ভুক্তভোগী বিভিন্ন ব্যক্তি বা সংস্থা।

চার বছরেও এই মামলাগুলোর তদন্ত শেষ হয়নি। ফলে বিচার শুরু করা যায়নি। এসব মামলায় যাদেরকে সে সময় আসামি করা হয়েছিল তারা আবারও কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারাসিল আরাবিয়ার নেতৃস্থানীয় পদে আছেন।

এই বোর্ডসহ কওমি মাদ্রাসার আরও পাঁচটি বোর্ডের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী গত ১১ এপ্রিল কওমি মাদ্রসা শিক্ষার সর্বোচ্চ সনদ দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমান দেয়ার ঘোষণা দেন।

ওই বৈঠকে পর হেফাজত তাণ্ডবের মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবিও জানান কওমি আলেমরা। তবে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি। আর পরে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি নিয়ে আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক আর হেফাজত তাণ্ডবের মামলা দুটি আলাদা বিষয়। হেফাজতের মামলা চলবে স্বাভাবিক নিয়মেই। মনিরুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে তাণ্ডবের মামলাগুলোর বেশিরভাগই তদন্তাধীন। তদন্ত কর্মকর্তাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহে সময় লাগছে।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents