টেকনোলজী ডেস্ক, ২৮ এপ্রিল, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): ফেসবুকের কাছে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ যেমন বেড়েছে, তেমনি ফেসবুকের সাড়া বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ২৭ এপ্রিল ফেসবুকের প্রকাশ করা গ্লোবাল গর্ভনমেন্ট রিকোয়েস্ট রিপোর্টে এই তথ্য জানা গেছে।

ফেসবুকের প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ফেসবুকের কাছে তথ্য চেয়ে ৪৯টি অনুরোধ পাঠায় বাংলাদেশ সরকার। এর মধ্যে ৫৭টি ছিল ব্যবহারকারীর তথ্য সংক্রান্ত।  ফেসবুকের সাড়া দেয়ার হার ২৪.৪৯ শতাংশ।

এর মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় তথ্য চেয়ে ফেসবুকের কাছে আবেদন করা হয়েছিল ২৪টি। ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয় ৩২টি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকের সাড়া দেয়ার হার ছিল ৮.৩৩ শতাংশ।

এ ছাড়া জরুরি ভিত্তিতে তথ্য চেয়ে ফেসবুকের কাছে ২৫টি অনুরোধ জানানো হয়। যার সব কটি ছিল ব্যবহারকারীর তথ্যসংক্রান্ত। এই অনুরোধের ৪০.০০ শতাংশ সাড়া মিলেছে।

প্রতি ছয় মাস পর পর ফেসবুক এই ধরনের তথ্য প্রকাশ করে। যাতে সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের তথ্য চেয়ে আবেদন করে তা উল্লেখ থাক। তবে কোন অ্যাকাউন্টের জন্য তথ্য চাওয়া হয়েছিল তা উল্লেখ করা হয় না।

২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত তথ্য নিয়ে ফেসবুক ২১ ডিসেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এই প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী সব মিলিয়ে ১০টি অনুরোধ জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে। যার নয়টিই ছিল ব্যবহারকারীর তথ্য সংক্রান্ত। এই অনুরোধে ২০ শতাংশ সাড়া দিয়েছে ফেসবুক। এর মধ্যে ১টি ছিল জরুরি আবেদন। এতে ১০০ শতাংশ সাড়া মিলেছে।

বাংলাদেশ সরকারের ফেসবুকের কাছে তথ্য চেয়ে করা আবেদনের প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় ২০১৩ সালে। সে বছরের প্রথম ছয় মাসের প্রতিবেদনে দেখা যায় সরকার ১২ জন ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে ফেসবুকের কাছে একটি অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু ফেসবুক সেই অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ফেসবুক মোট আটটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায় বাংলাদেশ সরকারের ফেসবুকের কাছে তথ্য চেয়ে আবেদনের পরিমান যেমন বেড়েছে তেমনি করে ফেসবুকও আবেদনের প্রেক্ষিতে সারা দেয়ার হার বেড়েছে।

ফেসবুকের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পড়ুন এই লিঙ্কে:

https://govtrequests.facebook.com/country/Bangladesh/2016-H2/