৯:৩৭ অপরাহ্ণ - বুধবার, ২১ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / সারা দেশের খবর / বিভাগের খবর / খুলনা / সিলেটের রাজন ও খুলনার রাকিব হত্যার ‘ডেথ রেফারেন্স’ হাইকোর্টে পৌঁছেছে

সিলেটের রাজন ও খুলনার রাকিব হত্যার ‘ডেথ রেফারেন্স’ হাইকোর্টে পৌঁছেছে

Rajon & Rakib   10.11.15ঢাকা, ১০ নভেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম):  সিলেটের শিশু সামিউল আলম রাজন (১৩) ও খুলনার রাকিব হাওলাদার (১২) হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলার নথি হাইকোর্টে পৌঁছেছে। হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিষ্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মো. সাব্বির ফয়েজ সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের ‘ডেথ রেফারেন্স’ শাখায় চাঞ্চল্যকর এ মামলা দুটির নথি পৌঁছায়। এখন পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করা হবে। পরে বিষয়টি শুনানির জন্য আদালতে উঠবে।

বহুল আলোচিত শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যা ও খুলনায় মলদ্বার দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে শিশু রাকিবকে নির্মম ও বর্বরোচিতভাবে হত্যার ঘটনায় আনা মামলায় সাক্ষ্য ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্কসহ সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ৮ নভেম্বর রায় ঘোষণা করা হয়।

গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে ১৩ বছরের শিশু রাজনকে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকারীরা এ ঘটনা মোবাইলে ভিডিও করে তা ইন্টারনেটে প্রকাশ করে। পরে এ হত্যার ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশব্যাপী তোলপাড় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে ১৬ অগাস্ট ১৩ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। গত ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে এই হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। গত ১ অক্টোবর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩৬ জন সাক্ষি সাক্ষ্য দেয় আদালতে। রাজন হত্যার পরারই ১০ জুলাই সৌদি আরব পালিয়ে যান ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কামরুল। সেখানেই আটক করা হয় তাকে। গত ১৫ অক্টোবর তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পরদিন আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

রায়ে শিশু রাজন হত্যার মূল হোতা কামরুল ইসলামসহ চারজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া রায়ে একজনকে যাবজ্জীবন, কামরুলের তিন ভাইকে সাত বছর এবং অন্য দুজনকে এক বছর করে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড করা হয়েছে। তিনজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা দেশ-বিদেশে বহুল আলোচিত নৃশংসভাবে শিশু খুনের এ মামলার রায় দেন।

অন্য গ্যারেজে কাজ নেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৩ আগস্ট সন্ধ্যায় নগরীর টুটপাড়া কবরখানার মোড়ের শরীফ মোটরস গ্যারেজের মালিক ওমর শরীফ ও তার সহযোগী মিন্টু দোকানের ভেতরে নিয়ে শিশু রাকিবের মলদ্বারে মোটরসাইকেলের চাকায় হাওয়া দেয়ার মেশিন দিয়ে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এতে রাকিবের শরীর ফুলে যায় এবং ভেতরের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে যায়। ভেতরে রক্তক্ষরণের কারণে রাকিব মারা যায়। এ ঘটনায় রাকিবের বাবা আলম হাওলাদার তিনজনকে আসামি করে পরদিন খুলনা সদর থানায় মামলা করেন। রাকিবের মৃত্যুর খবর পেয়ে ওই দিন রাতে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিক্ষুব্ধ জনতা শরীফ ও মিন্টুকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ পরে শরীফের মাকেও গ্রেফতার করে।

গত ২৫ আগস্ট আলোচিত এ হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত ২৫ অক্টোবর এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ৩ অক্টোবর এ মামলায় তিন আসামির আসামি শরীফ, তার চাচা মিন্টু খান ও মা বিউটি বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়। মামলায় ৩৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেয় আদালতে।

খুলনায় শিশু রাকিব হাওলাদার হত্যা মামলায় তিন আসামির মধ্যে দুজনকে মৃত্যুদন্ড ও একজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। গত ৮ নভেম্বর আসামিদের উপস্থিতিতে খুলনার দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) দিলরুবা সুলতানা বর্বরোচিতভাবে শিশু খুনের এ মামলার রায় দেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি শরীফ মোটরসের মালিক ওমর শরীফ ও তার সহযোগী চাচা মিন্টু খান। আদালত শরীফের মা বিউটি বেগমকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেয়।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents