৬:৫৭ অপরাহ্ণ - রবিবার, ১৮ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ছড়ার পাড় ভেঙে দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা : ৯০ মি.মি বৃষ্টিপাত রেকর্ড

মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ছড়ার পাড় ভেঙে দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা : ৯০ মি.মি বৃষ্টিপাত রেকর্ড

মৌলভীবাজার, ০৫ এপ্রিল, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি ছড়ার পাড় ভেঙে দেখা দিয়েছে আকস্মিক বন্যা। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট বাড়ির আঙ্গিনা। নষ্ট হয়ে গেছে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শত শত মানুষ। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস কর্মকর্তা মো. হারুনুর রশিদ জানান, এ মৌসুমে ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান  বলেন, এ বছর জেলার ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোর ধানের আবাদ হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন হাওরের প্রায় ১০ হাজার ২০০ হেক্টর ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম জানান, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কে পাহাড় ধসে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সাথে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বধ্যভূমি একাত্তরে ভুরবুড়িয়া ছড়ার পাড়ে প্রদর্শিত একটি মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র ও স্মারক প্রদর্শনী ছড়ার পানি পাড় ডুবে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।

এদিকে বিপদসীমায় রয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ধলই নদীসহ বিভিন্ন পাহাড়ি ছড়া। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির শঙ্কায় রয়েছে জেলাবাসী।

এদিকে অতিরিক্ত বৃষ্টি হওয়ায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কাওয়াদীঘির অন্তহরী, শালকাটুয়া, রুকুয়া বিল, কুশুয়া, শেওয়াইজুড়ি, মাছুখালী, ফতেপুর, উত্তরভাগ, শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওর, কুলাউড়া ও বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরের নিম্নাঞ্চল এলাকার বোরো চাষিরা।

কাওয়াদীঘির হাওয়রের কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বিদ্যুৎ অফিসের সমন্বয়হীনতা এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলার কারণে কাশেমপুর পাম্প হাউস দিয়ে নিয়মিত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় কাওয়াদীঘির পানি বাড়ছে। সংশ্লিষ্টদের এমন উদাসীনতায় বোরো মৌসুমে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হাওরপাড়ের বোরো চাষিরা।

মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি প্রকৌশলী বিদ্যুৎ রায় জানান, কয়েক দফা মাঝারি ঝড়ে উপজেলার কয়েকটি স্থানে ১১ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি ভেঙে গেছে। এসব স্থানে মেরামত কাজ করে মোটামুটি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে সকালের ঝড়ে কুলাউড়া উপজেলার রবির বাজার এলাকায় ১১ হাজার কেভি বিদ্যুৎ লাইনের ছয়টি খুঁটি ভেঙে পড়েছে। মৌলভীবাজার জেলার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোড সূত্রে জানা যায়, ঝড়ে বৈদ্যুতিক লাইনের ক্ষতি সাধনের চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝে সঠিকভাবে মেরামত কাজ করা যাচ্ছে না। তাই কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া যাচ্ছে না। তবে মেরামতের কাজ চলছে। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents