৯:২৯ পূর্বাহ্ণ - শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / সার্বভৌমত্ব, জনস্বার্থ, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক জনগণ মেনে নেবে না : ফখরুল

সার্বভৌমত্ব, জনস্বার্থ, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক জনগণ মেনে নেবে না : ফখরুল

ঢাকা, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ মঙ্গলবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার‌্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফরে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে তার সব কটি সেখানে যাওয়ার আগে জনগণকে দেখানোর জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
ফখরুল বলেন, জনগণ দেশের মালিক। তাই তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সম্পর্কে জানা এবং এতে মতামত দেয়ার অধিকার  রয়েছে। কিন্তু জনগণকে পাশ কাটিয়ে সার্বভৌমত্ব, জনস্বার্থ, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রবিরোধী কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক জনগণ মেনে নেবে না।

এর আগে গত রবিবার রাতে গুলশানে নিজ রাজনৈতিক কার‌্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক করেন বিএনপি-প্রধান বেগম খালেদা জিয়া। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে ‍দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে এর প্রতিবাদে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারে বিএনপি।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে ৩৩টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ সরকার। কোনো চুক্তি গোপন রাখা হবে না বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এরপর ফখরুল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে এর প্রতিবাদে বিএনপি কোনো কর্মসূচি দেবে কি না- সাংবাদিকরা জানতে চাইলে জবাবে তিনি বলেন, ‘তখনই দেখতে পাবেন।’

প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে যখন পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ঘাটতি হয়, তখন প্রতিরক্ষা বা সমঝোতা চুক্তির প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলাদা করে প্রতিরক্ষা ও সমঝোতার প্রয়োজন আছে বলে আমরা মনে করি না।’

প্রতিরক্ষা চুক্তি না করতে বিএনপির চেয়ারপারসনের পক্ষ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টেলিফোনে অনুরোধ করবেন কি না- এমন প্রশ্নে ফখরুল বলেন, ‘কী কী চুক্তি হবে তাই তো আমরা জানি না।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘দুটি রাষ্ট্রের সুন্দর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তখনই আশা করা যায় যখন সেই সম্পর্ক হয় দুই দেশ ও জনগণের মধ্যে। কারণ সরকার বদলায় কিন্তু জনগণ থাকে। আর জনগণ হলো একটি রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি। তাই দুটি দেশের সম্পর্ক এমন হওয়া উচিত যা সরকার পরিবর্তন হলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক একই রকম মজবুত থাকে।’

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে দলের অবস্থানের বিষয়ে ফখরুল বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক চায় বিএনপি। সেটাই হবে টেকসই সম্পর্ক। আমরা দুই দেশের মধ্যে দৃঢ়, বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক আস্থাশীল সম্পর্ক দেখতে চাই।

পারস্পরিক সমতা,ন্যায্যতা,সমঝোতা,সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া বিএনপির নীতি- এ কথা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমরা কখনোই বাংলাদেশের ভুখণ্ডে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডকে জায়গা দেব না। আমরা প্রত্যাশা করি ভারতও বাংলাদেশের অখণ্ডতা,স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।’

উগ্রবাদ,সন্ত্রাসবাদ ও আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক সব ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করাই বিএনপির ঘোষিত নীতি বলেও জানান ফখরুল।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents