এ চালকের সঙ্গে এমন ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জেলায় সমালোচনার ঝড় বইছে। আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও।

মীর কাশেম জানান, কক্সবাজার থেকে মালবোঝাই ট্রাক নিয়ে তিনি চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে পেকুয়া চৌমুহনী এলাকায় তাকে থামান পুলিশের এক লোক। তিনি জানান, পুলিশ দেখে গাড়ি থেকে নামতেই তার গায়ে গাড়ি লাগার অজুহাতে গাড়ি চালককে কানধরে রাস্তায় সিজদার নির্দেশ দেন এসআই।

এতে তিনি আপত্তি করলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অসংখ্য মানুষের সামনে কানধরিয়ে রাস্তার মাঝখানে সিজদা করতে বাধ্য করান ওই এসাআই।

নিজের ছেলের বয়সী এক পুলিশ অফিসারের কাছে এমন লাঞ্ছনায় তার আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে করছে বলেও বিলাপ করেন এ বৃদ্ধ চালক।

তবে এ বিষয়ে এসআই তৌহিদুল ইসলামের মোবাইলে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তবে যোগাযোগ করা হলে পেকুয়া থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগটি শুনেছি। আমি স্টেশনের বাইরে থাকায় বিস্তারিত জানি না। দায়িত্বে থাকা ওসি তদন্তের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করেন তিনি।

এ বিষয়ে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনজুর কাদের মজুমদার বলেন, এসআই তৌহিদ এক চালককে রাস্তায় কান ধরিয়ে সাজা দিয়েছেন শুনলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সৌজন্যে প্রিয়.কম