৮:১০ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই , ২০১৯
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / মনোহরদীর বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধা করম আলীর নাম কোন তালিকায় উঠেনি : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

মনোহরদীর বঞ্চিত মুক্তিযোদ্ধা করম আলীর নাম কোন তালিকায় উঠেনি : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নরসিংদী, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): নরসিংদীর উত্তর জনপদের নাম বড়চাপা-পাইকান। ১৯৭১ সালে অঞ্চলটি নিরাপদ ও মুক্ত ছিল। এই অঞ্চলের ইপিআরের মেজর শেখ হারুন অর রশিদ এক বিশাল বাহিনী গড়ে তুলেন। তারই এক সাহসীযোদ্ধা মো. করম আলী। পিতা মরহুম সাবুদ আলী প্রধান। গ্রাম ও ডাকঘর বড়চাপা, উপজেলা মনোহরদী, জেলা নরসিংদীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে তার বয়স ৩০ বছর।

শ্যামলা রঙের, মধ্যম গড়নের, শিক্ষিত, বিবাহিত একজন সরকারি চাকুরিজীবী। শেখ হারুন অর রশিদের আহ্বানে স্থানীয় পাইকান সিড স্টোর মাঠে স্বল্প অস্ত্র প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে ৩নং সেক্টরের অধীন কোম্পানী কমান্ডার শেখ হারুন অর রশিদের গ্রুপে মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক এর এক্সিকিউটিভ অফিসারের দায়িত্ব পালনকালে অত্র জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য প্রচার ও জনমত তৈরি করার লক্ষ্যে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। ভাটি এলাকায় দুই-দুইবার পাকিস্তানি আর্মি ও রাজাকারদের দ্বারা আক্রান্ত হন।

এছাড়াও দ্বিতীয়বার কিশোরগঞ্জ নিজ বাসভবনে ব্লক দিয়ে তাকে বন্দি করে ডাক বাংলায় নিয়ে যায়। সেখানে প্রাণে মারার প্রস্তুতি নেয়। সেখানে সৃষ্টিকর্তা রক্ষা করে। উপায়ান্তর না দেখে নিজ এলাকা মনোহরদীতে চলে আসেন তিনি। নিজ এলাকা শরনার্থী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মনোহরদী থেকে আগরতলা সীমান্ত এলাকায় পৌছাইয়া দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেছেন অনেকবার। নানা বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে তিনি জীবন বাজি রেখে সাহসিকতার সাথে পবিত্র দায়িত্ব পালন করেছেন ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। তার সাহসিকতা, অবদান, ত্যাগ ও ভূমিকাকে কোনভাবেই ছোট করে দেখার উপায় নেই। দীর্ঘ ৪৫ বছর পেরিয়ে গেছে কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কোন জাতীয় তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন- জীবনের শেষ প্রান্তে তার মুক্তিযুদ্ধের খেতাব প্রদানের জন্য। তার সংগ্রহে মেজর শেখ হারুনুর রশিদ ও মনোহরদী থানা বিএলএফ এর মুক্তিযোদ্ধকালীন সনদপত্র রয়েছে। বর্তমানে মো. করম আলী বয়সের ভাড়ে অসুস্থ। স্ত্রী ইতিমধ্যেই ইন্তেকাল করেছেন।

সাক্ষাৎকালে তিনি আরও জানিয়েছেন সারাজীবন শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে নিজকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি একজন লেখক ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি …

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents