৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ - বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / আওয়ামী লীগ / খালেদা জিয়া দেশে আসবেন কি না সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে : কামরুল ইসলাম

খালেদা জিয়া দেশে আসবেন কি না সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে : কামরুল ইসলাম

kamrul 3ঢাকা, ০৭ নভেম্বর ২০১৫ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম):আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা শিল্পকলা একাডেমির মহড়া কক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক ও বিটিভির চার কর্মকর্তা হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘জিয়া আরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা খুব শিগগিরই শেষ হবে। এতে কি হবে সেটা খালেদা জিয়া বুঝতে পারছেন। তাই তিনি দেশে আসবেন কি না সেটা নিয়েও সন্দেহ আছে। তারেক রহমানের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা শেষ হবে। সেটা কি হবে তা তারেক রহমান বুঝতে পারছে। এখানে গোয়েন্দা সংস্থা ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী সব তথ্য উঠে আসছে।’

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিদেশি প্রেসক্রিপশনে বিএনপি-জামায়াতের একটি অংশ দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা চালাচ্ছে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে দেশে এসব জঙ্গি তৎপরতা চলছে। এই প্রত্যেকটি ঘটনার জন্য মা-ছেলে দায়ী। তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

বিএনপি চেয়ারপরস বেগম খালেদা জিয়ার সংলাপের প্রস্তাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসী ও জঙ্গি তৎপরতা যারা চালায়, তাদের সঙ্গে কোনো আপোস নয়। সংলাপের কথা বলেন? পৃথিবীর কোনো দেশে সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে লাভ হয় না। তাই এদের সঙ্গেও কোনো সংলাপ বা আলোচনা নয়। আলাপ-আলোচনা হতে পারে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সঙ্গে।’ এ সময় তিনি বিএনপি-জামায়াতকে অশুভ শক্তি আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করছে। জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ করে, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’

টিআইবি ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা অর্থায়ন করে, তাদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তারা (অ্যামনেস্টি) একেক সময় বাজারে একেকটা কথা ছাড়ছে।’

বিএনপিকে ধ্বংস করতে সরকার একের পর এক মামলা দিচ্ছে- দলটির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাউকে ব্যক্তি বা রাজনৈতিক কারণে দোষারোপ করছি না। কোনো রাজনৈতিক দলকে ঘায়েল করার অভিপ্রায় সরকারের নেই। আমাদের অভিযান সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে।’

তিনি বলেন, ‘পচাত্তরের ১৫ আগস্ট থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত যতো ঘটনা ঘটেছে এর সব ঘটনার নাটের গুরু জিয়াউর রহমান। ফারুক-রশিদ-ডালিম খুন করলেও সবকিছুই জিয়ার নির্দেশে হয়েছে। মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চার্জশিট হয় না বলেই জিয়ার নাম আসেনি। ৭ নভেম্বর সিপাহী বিপ্লব ও সংহতি দিবস বলে আমরা বিশ্বাস করি না। এটা ছিল সেনা অফিসার হত্যা দিবস। মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের হত্যাই ছিল মূল লক্ষ্য।’

সংগঠনের সহ-সভাপতি এটিএম শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আক্তারুজ্জামান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents