১২:২৬ পূর্বাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / আন্তর্জাতিক / ইরাকের মসুলে পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার জীবন রক্ষা করেছিল বোরকা

ইরাকের মসুলে পুরুষ পুলিশ কর্মকর্তার জীবন রক্ষা করেছিল বোরকা

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ২২ জানুয়ারী ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): ইরাকের মসুলের কাছে একটি শহর যখন ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠী দখল করে নিল এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের হত্যা করা শুরু করলো তখন সেখানকার কজন পুলিশ বেঁচে থাকার জন্য অদ্ভুত কিছু পদ্ধতি বেছে নিয়েছিলেন। খবর বিবিসির।

জন বেক তার প্রতিবেদনে জানাচ্ছেন, নিকাব পরার কারণে বেঁচে গিয়েছিলেন আবু আলাউয়ি।

প্রায় আড়াই বছরেরও বেশি সময় ধরে এই নিকাবের সাহায্যে নিজেদের লুকাতে পেরেছিলেন মধ্যবয়স্ক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তারা। আইএস জঙ্গিরা যখন একের পর এক পুলিশদের হত্যা করছিল সেই সময় এই নিকাবই কিছু পুলিশ কর্মকর্তাকে নিরাপদে রেখেছিল- এক কথায় কিছু পুলিশের প্রাণ বাঁচিয়েছিল ”নিকাব।

২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে হাম্মাম আল-আলিল শহরে আইএস জঙ্গিগোষ্ঠী প্রবেশ করে। যেহেতু সেসময় নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে ইরাকজুড়ে অভিযান চালাচ্ছিল আইএস, তাই তাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করা। তারা শহর দখল করেই দ্রুত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হত্যা করে। তবে তারা শর্তও দিচ্ছিল যদি বাগদাদ সরকারকে ত্যাগ করে ইসলামিক স্টেটের নিয়মবিধি অনুযায়ী তাদের অধীনে থাকে তাহলে তাদের হত্যা করা হবে না।

এই অবস্থায় নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পেরেছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা আবু আলাউয়ি। প্রথমে তিনি তার বাড়িতেই ছিলেন, বাগানে গর্ত খুঁড়ে সেখানে আত্মগোপন করে ছিলেন।

কিন্তু বারবার আইএস সদস্যরা পুলিশ বা সেনা কর্মকর্তাদের খোঁজ করতে থাকলে আবু আলাউয়ি বেঁচে থাকার অন্য পন্থা বের করলেন।

মি. আলাউয়ি সিদ্ধান্ত নিলেন ‘নিকাব’ পরার। তার মনে হয়েছিল, এটাই হতে পারে একমাত্র সমাধান। তার এক বন্ধু তাকে পরামর্শ দিয়েছিল।

নিকাব পরিহিত একজন নারী সেজে ঘোরাঘুরি করতেন আবু আলাউয়ি, অনেকটা নিরাপদেই থাকতেন তিনি।

বিবিসিকে তিনি বলছিলেন ‘এটার মধ্যে এক ধরনের উত্তেজনা ছিল, রোমাঞ্চও কাজ করতো। তবে জঙ্গিদের একদম কাছাকাছি যাবার বিষয়টা মোটেও আনন্দদায়ক ছিল না বলছিলেন তিনি।

তার ভয়ও লাগতো, কারণ পুলিশের যে বন্ধুরা নারী সেজে ঘুরছিলেন-তাদের অনেককে দেখে সন্দেহ হয়েছিল জঙ্গিদের। নারী সেজেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের বাঁচাতে পারেননি কজন, তাদের গ্রেপ্তার করেছিল আইএস।

‘জঙ্গিরা আমার একদম সামনে দিয়ে যাচ্ছে এমন ঘটনা অনেকবার ঘটেছে এবং আমি তখন অনেক ভয়ও পেয়েছি। সবসময় মনে হয়েছে, এই বুঝি আমাকে ধরে তল্লাশি করা হবে এবং ধরা পড়ে যাবো যে আমি নারী নই’-বলছিলেন আবু আলাউয়ি।

হাম্মাম আল আলিল ছিল একটি পরিষেবার শহর। বিশেষ করে বসন্তকালে এই শহরে আসতো পর্যটকেরা, অনেকে আসতো চিকিৎসাগত কারণে। কিন্তু এখন সেখানে কোনো পর্যটকের উপস্থিতির কথা ভাবাই যায় না।

সাংবাদিক জন বেক আবু আলাউয়ির দেখা পান একটি বেসরকারি সংস্থার ত্রাণ কার্যক্রমের সময়।

হাম্মাম আল-আলিল ছিল একটি পরিষেবার শহর। বিশেষ করে বসন্তকালে এই শহরে আসতো পর্যটকেরা, অনেকে আসতো চিকিৎসাগত কারণে। কিন্তু এখন সেখানে কোনো পর্যটকের উপস্থিতির কথা ভাবাই যায় না। সাংবাদিক জন বেক আবু আলাউয়ির দেখা পান একটি বেসরকারি সংস্থার ত্রাণ কার্যক্রমের সময়।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents