৯:০৮ পূর্বাহ্ণ - সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / আন্তর্জাতিক / তুরস্কের পার্লামেন্টে সাংসদদের মধ্যে মারামারি, ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি (ভিডিও)

তুরস্কের পার্লামেন্টে সাংসদদের মধ্যে মারামারি, ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি (ভিডিও)

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১২ জানুয়ারী ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): তুরস্কের পার্লামেন্টে সাংসদদের মধ্যে মারামারি, ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। তুরস্কে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বাড়াতে সংবিধান সংশোধনে সরকারের একটি প্রস্তাব নিয়ে সংসদে বিতর্ক চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার ইরানি গণমাধ্যম প্রেস টিভিতে বলা হয়, বুধবার তুরস্কের আইনপ্রণেতারা সংবিধান সংশোধনীর প্রস্তাবে ভোটাভুটির সময় একে অপরের সঙ্গে বিবাদে জড়ায়। এ সময় তারা হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে লিপ্ত হয়।

বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা এই ঘটনার জন্য ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি(একেপি)-কে দোষারোপ করেছেন। তারা বলছেন, একেপি গোপন ব্যালটের আইন ভঙ্গ করে দৃশ্যমান ভোট প্রদান করেছেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শাসক দল সংবিধান সংশোধনীর পক্ষে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করেছেন, স্বাধীনভাবে নয়।

পার্লামেন্টের অভ্যন্তরে ক্ষমতাসীন একেপি এবং প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টি(সিএইচপি)’র সাংসদরা একে অপরকে কিল, ঘুষি এবং ধাক্কা মারতে থাকে।

এই সময় সিএইচপি প্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, একেপি সদস্যরা গোপন ব্যালটে দেয়ার কেবিনে প্রবেশ না করেই ভোট দিতে থাকে। এরপর একেপি আইনপ্রণেতারা সিএইচপি দলের একজন সাংসদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এ দৃশ্য ধারণ করার জন্য।

পার্লামান্টে এমন তুলকালাম সত্ত্বেও বিলটির তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুমোদন করে। বিতর্ক বুধবার মাঝ রাত পর্যন্ত চলে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে বিতর্ক পুনরায় শুরু হবে।

তুরস্কের আইন অনুযায়ী কোনো বিলের পক্ষে ৩৩০টি ভোট পড়লে তা গণভোটে তোলা যায়। আগামী বসন্তে এ ভোট হতে পারে।

তুরস্কের পার্লামেন্টে আসন ৫৫০টি। একেপি’র সদস্যসংখ্যা ৩১৬। বিরোধী দল এমএইচপির ৩৯। তিনটি অনুচ্ছেদ ৩৪১ এবং ৩৪৩ ভোটের মধ্যে পাস হয়েছে।

একেপি’র প্রতিষ্ঠাতা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান সংবিধান সংশোধনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করছেন। তিনি দাবি করছেন, একজন নির্বাহী ক্ষমতাসম্পন্ন প্রেসিডেন্ট তুরস্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারবে।

গত ডিসেম্বর ক্ষমতাসীন একেপি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি চেয়ে সংবিধান সংশোধনীর একটি বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।

প্রস্তাবগুলো চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারবেন এরদোয়ান। তিনি মন্ত্রীদের নিয়োগ ও বরখাস্ত করতে পারবেন। ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্বও নিজের হাতে নিয়ে নিতে পারবেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents