১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ - রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / মিথ্যা মামলা : আইজিপির ব্যাখ্যা চাইল হাইকোর্ট

মিথ্যা মামলা : আইজিপির ব্যাখ্যা চাইল হাইকোর্ট

ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ সোমবার  বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মিথ্যা মামলায় অটোরিকশা চালককে ফাঁসিয়ে জেল খাটানোর ঘটনায় প্রতিবেদন না দেয়ায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হকের ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাকে এই ব্যাখ্যা দিতে হবে।

চট্টগ্রামে একটি অটোরিকশা চুরির পর সেটি উদ্ধার করলেও মূল মালিককে ফিরিয়ে দেয়নি পুলিশ। কিন্তু অটোরিকশাটি ফিরিয়ে না দিয়ে তার বিরুদ্ধেই প্রতারণা মামলা করেন বাহিনীটির এক কর্মকর্তা। পরে তাকে জেলও খাটতে হয়। পরে মামলাকারী পুলিশ কর্মকর্তা আইজিপিকে চিঠি লিখে জানান, তার উর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তার নির্দেশে এই মামলা দিতে বাধ্য হন তিনি।

ওই অটোরিকশা চালক এরই মধ্যে কারাগার থেকে বের হয়ে মারা গেছেন। পরে সব জানতে পেরে হাইকোর্টে আবেদন করেন তার ছেলে। এরপর হাইকোর্ট আইজিপির কাছে প্রতিবেদন চায়। কিন্তু সে প্রতিবেদন তিনি জমা না দিয়ে সময় আবেদন করেন। এরপর আইজিপির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

এই বিষয়ে হাইকোর্টে শুনানিনে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নূর মোহাম্মদ আজমি।

ঘটনার আদ্যোপান্ত

মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, চট্টগ্রামের বারকোয়াটার থেকে ২০০৯ সালের ৮ জানুয়ারি এজহার মিয়া নামে এক চালকের অটোরিকশা (চট্টমেট্রো থ-১১-৬৮৫১) হারিয়ে যায়। ওই দিনই তিনি পাহাড়তলি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর তিনি বিআরটিএ- এর মাধ্যমে জানতে পারেন যে, তার অটোরিকশাটি পুলিশ উদ্ধার করেছে। ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বাহনটি ফিরে পেতে পাহাড়তলি থানায় আবার একটি আবেদন করেন।

এরপর পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর একটি আবেদন করেন। পুলিশও ওই অটোরিকশাটি এজাহার মিয়ার তা সঠিক বলে প্রতিবেদন দেয়। পরে সেটি পরীক্ষার জন্য বিআরটিএতে পাঠানো হয়। বিআরটিএ অটোরিকশাটি এজাহার মিয়ার বলে প্রতিবেদন দেয়।

এরপর এজাহার মিয়াকে হাজির হতে পুলিশ একটি চিঠি পাঠায়। কিন্তু এজাহার মিয়া হাজির হয়নি মর্মে প্রতিবেদন দেয় এবং বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট ফিরোজ কবির একটি মামলা করেন। ওই মামলায় তিনি আটক হয়ে কিছু দিন কারাগারেও ছিলেন। এরপর বের হলেও তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

পরে ফিরোজ কবির পুলিশের আইজি বারবর একটি চিঠি দিয়ে বলেন, এজাহার মিয়ার বিরুদ্ধে মামলাটি ভুয়া ছিল। ওই চিঠিতে তিনি বলেন, তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ এনে পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করেছিলেন এজাহার মিয়া। ওই আবেদন করায় চট্টগ্রাম মহানহর পুলিশের সে সময়ের উপকমিশনার কুসুম দেওয়ান ও ট্রাফিক ইনস্পেক্টর টিআই নজরুল ইসলাম তাকে  চাপ দিয়ে এজাহার মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করান। তিনি লিখেন মামলা না করলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেয়া হয়।

পুলিশের যে দুই কর্মকর্তার নির্দেশে সার্জেন্ট ফিরোজ কবির এই মামলা দিয়েছিলেন তারা এখন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানে কাজ করছেন।

এরপর এজাহার মিয়ার ছেলে সাখাওয়াত হোসেন ক্ষতিপূরণসহ অটোরিকশা ফেরত পেতে এবং পরিবারকে আইনি সহায়তা প্রদান এবং অটোরিকশা আত্মসাতে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে আবেদন করেন।

ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২২ জুন পুলিশের আইজিপিকে আদেশ দেয় হাইকোর্ট। এতে একজন যোগ্যতা সম্পন্ন পুলিশ কর্মকর্তা দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। কিন্তু প্রতিবেদন জমা না দিয়ে তিন মাসের সময় চার আইজিপি। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents