১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ - শনিবার, ১৭ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / অন্যান্য দলের খবর / রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করার দাবিতে মিয়ানমারকে হেফাজতের চিঠি

রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করার দাবিতে মিয়ানমারকে হেফাজতের চিঠি

ঢাকা, ০১ ডিসেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করার দাবিতে ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের ঢাকায় মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পণ্ড হয়েছে পুলিশের বাঁধায়। তবে রোহিঙ্গাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠনের পক্ষ থেকে মিয়ানমার সরকারের কাছে বাংলাদেশে দেশটির রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সকালে মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি উপলক্ষে সকালে পল্টন মোড়ে জড়ো হন হেফাজতের কয়েক হাজার নেতাকর্মী। তারা ওই এলাকায় বিক্ষোভ এবং মিছিল করলেও তাদেরকে গুলশানের দিকে যেতে দেয়নি পুলিশ। পরে সংগঠনের নায়েবে আমির নুর হোসেন কাসেমীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল চিঠি নিয়ে মিয়ানমার দূতাবাসে যায়। তারা হেফাজত আমির আহমেদ শাহ শফীর সই করা চিঠিটি পৌঁছে দেন।

হেফাজতের কর্মসূচিতে সম্ভাব্য গোলযোগ এড়াতে ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। মোতায়েন করা হয় জল কামান এবং সাঁজোয়া গাড়ি। দায়িত্ব পালন করে বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

গত অক্টোবরে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নয় জনের প্রাণহানির পর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। অভিযানে শতাধিক প্রাণহানি ছাড়াও আটক হয় কয়েকশ রোহিঙ্গা। পুড়িয়ে দেয়া হয় এক হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি।

প্রাণে বাঁচতে রোহিঙ্গারা দলে দলে ছুটে আসছে বাংলাদেশের দিকে। তবে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরে পড়লেই তাদেরকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অবশ্য নজর এড়িয়ে এরই মধ্যে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশে।

কক্সবাজারে দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৩০ হাজার নিবন্ধিত রোহিঙ্গা বসবাস করে। এর বাইরে আরও পাঁচ লক্ষ অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা এ দেশে চলে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।

হেফাজত নেতারা দাবি করছেন, রোহিঙ্গাদেরকে অবাধে বাংলাদেশে ঢুকতে দিতে হবে। জমায়ায়েতে হেফাজতের নায়েবে আমীর নূর হোসেন কাসেমী বলেন, ‘সরকার যদি তাদের খাওয়া পড়ার ব্যবস্থা করতে না পারে তবে হেফাজত তাদের সমস্ত কিছু বহন করবে।’

কাসেমী বলেন, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী নিরপরাধ রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে চালাচ্ছে গণহত্যা। রাখাইন মগদস্যু এবং সামরিক বাহিনীর যৌথ বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী আরাকানে নিরস্ত্র, নিরিহ মুসলমান ধ্বংস উৎসবে মেতে উঠেছে। নারী, শিশু, বৃদ্ধ কেউই বাদ পড়ছে না তাদের সে অমানবিক নিপীড়ন থেকে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের মুসলমানরা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না।’

সমাবেশের পর হেফাজত কর্মীরা মিছিল নিয়ে গুলশানের দিকে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু পল্টন মোড়েই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদেরকে আটকে দেয়।

এরপর হেফাজত কর্মীরা সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় অপেক্ষা করে। পরে তাদের প্রতিনিধি দল একটি প্রাইভেট কারে করে মিয়ানমার দূতাবাসে গেলে হেফাজত কর্মীরা ফিরে যায়।

এক ঘণ্টারও বেশি সময় এই সড়কটিতে হেফাজত কর্মীদের অবস্থানের কারণে ওই এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়। পরে অবশ্য হেফাজত কর্মীরা এলাকা ছাড়লে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

হেফাজতের পাঁচ দাবি  

মিয়ানমারকে দেয়া চিঠিতে মোট পাঁচটি দাবি উল্লেখ করে হেফাজতে ইসলাম। এগুলো হলো ১. রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা বন্ধ এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ২. রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে (মিয়ানমারে) স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। যাদেরকে দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে এবং যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে, তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে পূর্ণ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা। ৩. রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষার নিশ্চয়তা বিধানকল্পে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ দেয়া। ৪. রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। ৫. আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে নির্বিঘ্নে কাজ করতে দেয়া। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents