১:২৪ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ২১ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / অর্থনীতি / আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরে যাচ্ছে

আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরে যাচ্ছে

ঢাকা, ২৭ নভেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ রবিবার সকালে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,  কয়েক দফা ব্যর্থতার পর সময়সীমা নির্ধারণ করে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে কারখানা স্থানান্তরের অঙ্গীকার করেছে ট্যানারি মালিকরা। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সব কারখানা স্থানান্তরের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে তারা।

এর আগেও নানা সময় এই ট্যানারি স্থানান্তরের সময়সীমা বেঁধে দিলেও শেষ পর্যন্ত স্থানান্তর হয়নি। তবে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আবদুল জলিল জানিয়েছেন, এবার শিল্প মালিকরাই তাদেরকে এই সময়সীমা জানিয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৩ নভেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয়ে চামড়া শিল্পনগরীর বিষয়ে এক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা হয়। এই সভায় অংশ নেন ট্যানারি শিল্প মালিক সমিতির নেতারাও। এ সময় তারা শিল্প স্থানান্তরের বিষয়ে এই নিশ্চয়তা দেন।

পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে রাজধানীর হাজারীবাগের কারখানাগুলো সাভারের চামড়াশিল্পনগরীতে স্থানান্তরের জন্য ২০০৩ সাল থেে একটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ট্যানারি স্থানান্তর হলে বুড়িগঙ্গার দূষণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার। কারণ, হাজারিবাগের শতাধিক কারখানা থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ লিটার অশোধিত বর্জ্য বুড়িগঙ্গায় ফেলা হয়। এসব বর্জ্য ঢাকার প্রধান নদীটির পানি কালচে ও দুর্গন্ধময় করে দিয়েছে। দূষণের কারণে নদীতে জীববৈচিত্র্য ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আশেপাশের মানুষের স্বাস্থ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ট্যানারি স্থানান্তরের এই প্রকল্পে খরচ হচ্ছে মোট এক হাজার ৭৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় দুইশ একর জমি অধিগ্রহণ করে ১৫৫ জন শিল্প মালিককে সেখানে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কারখানা স্থানান্তরে বেশ কয়েক দফা সময় বেঁধে দেওয়া হলেও মালিকদের অবহেলার কারণে সেটা করা যায়নি। এই অবস্থায় সরকার হাজারীবাগে কাঁচা চামড়া প্রবেশে একবার নিষেধাজ্ঞাও দেয়।

এরপর ট্যানারি মালিকরা হাইকোর্টে গেলে উচ্চ আদালত ট্যানারি স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কারখানা মালিকদেরকে প্রতিদিন জরিমানা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর কারখানা স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় গতি ফেরে।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাভার চামড়া শিল্পনগরিতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) দুইটি মডিউল চালু রয়েছে। এর ফলে ইতোমধ্যে ২৪টি ট্যানারি কারখানা চামড়া উৎপাদন কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি ৫০টি ট্যানারি কারখানা ট্যানিং ড্রাম স্থাপন করেছে। শিগগিরই অন্যান্য ট্যানারিও উৎপাদনে যাবে।

মন্ত্রণালয়ের জানায়, শিল্পনগরীর ১২৯টি ট্যানারি মালিক কারখানায় স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে আবেদন করেছে। এদের প্রত্যেকের অনুকূলে ডিমান্ড নোট ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি ট্যানারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দিয়েছে। কারখানা চালুর জন্য ২৫টি ট্যানারি স্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছে ।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাভার চামড়া শিল্পনগরীতে উৎপাদন শুরু করার জন্য নির্দেশনা দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব। জনস্বার্থে সরকার ট্যানারি স্থানান্তর ও পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সুস্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents