৩:০৭ পূর্বাহ্ণ - শনিবার, ১৮ নভেম্বর , ২০১৭
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার খবর

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার খবর

সোহেল রানা-বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী), ২৭ নভেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম):

পুর্ব পুরুষের জমি ভুমিদস্যুদের দখলে থাকলে বুঝে নিতে না পেরে অসহায় জীবন যাপন
বালিয়াকান্দির জামালপুরের হরিজন জনগোষ্টিতে আধুনিকতার ছোয়া এখনও লাগেনি

স্বাধীনতার পুর্বে অনেক সম্পদশালী ও বিত্তবৈভব থাকলেও স্বাধীনতা পরবর্তী দেশে ফিরে পথের ফকির। ৭১-এ ভিটে-বাড়ী ফেলে ভারতে পাড়ি জমালে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বসতবাড়ী। ফলে পুর্ব পুরুষের জমির দলিলাদি আর দেশে ফিরে তাদের জমি ফেরৎ পায়নি। জমি চলে যায় ভুমিদস্যুদের দখলে। এখনও কিছু জমির কাগজপত্র থাকলেও দখলে নিতে সাহস পাচ্ছে না রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাহাতি মোহন গ্রামের হরিজন জনগোষ্টি। তারা এখন নিঃস্ব ভাবে কালুখালী- ভাটিয়াপাড়া রেলওয়ের জামালপুর ষ্টেশন সংলগ্ন খন্ড খন্ড জমিতে বসবাস করছেন। জামালপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করলেও তাদের ঘরে জোটেনি বিদ্যুতের আলো। ভাঙ্গাচোরা ঘরে রাতে ঘুমিয়ে ফাঁকা দিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুতের আলো। এ পল্লীর ১-২শত গজের মধ্যে শিল্প কারখানা ও দালানকোটা, স্কুল-কলেজ গড়ে উঠলেও পরিবর্তন হয়নি হরিজন জনগোষ্টির ভাগ্যের। এ যেন আলোর নিচে অন্ধকার। আধুনিকতার ছোয়া লাগেনি তাদের মাঝে। এভাবেই নানা অভিব্যক্ত কথাগুলো বলছিলেন, সহিতা ও মানিক। এদের বেশির ভাগ লোকই হাটে-বাজারে জুতা সেলাই করে সংসার চলে। আয় কমে যাওয়ায় অনেকে এখান থেকে চলে গেছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
তারা জানালেন, এখানে সহিতা, মানিক, শ্যাম, দয়াল, মারুয়া, সুরেশ, গৌতম, দিপক, সুজন, অনুরোধ ও দেবদাস মিলে ১১টি পরিবারের বসবাস। এদের মধ্যে সহিতার ৩ ছেলে ১ মেয়ে। ছেলে কমল দশম শ্রেনী পর্যন্ত লেখাপড়া করে অর্থাভাবে পড়ালেখা বাদ দিয়ে বাবার সাথে জুতা সেলাইয়ের কাজে যোগ দিয়েছে। হৃদয় সপ্তম শ্রেনীতে ও জয় তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ালেখা করছে। মেয়ে বৃষ্টি গোয়ালন্দে মামা বাড়ীতে থেকে ৯ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করছে। তার স্ত্রী মিরা বাড়ীতে রান্নার কাজ ছাড়া কিছু করতে পারেনা। মানিকের ২ মেয়ে, ২ ছেলে। পিয়াংকা ৭ম শ্রেনীতে ও পুর্নিমা ২য় শ্রেনীতে পড়ে আর ছেলে পাপ্পন ২য় শ্রেনীর ছাত্র। শ্যাম কিশোরের ১ ছেলে ,১ মেয়ে।  মেয়ে ডলি  ২য় শ্রেনীতে পড়ালেখা করে। দয়ালের ২ ছেলে স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়নি। মারুয়ার ১ মেয়ে , গৌতমের ২ ছেলে, দিপকের ১ ছেলে, সুজনের ১ ছেলে, অনুরোধের ২ ছেলে স্কুলে যাওয়ার বয়স হয়নি। দেবদাস সপ্তম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে। এরাই যে স্কুলে গিয়ে তাদের লক্ষে পৌছাতে পারবে সেরকম ভাবে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। তবে একটু বড় হলেই বাবার সহযোগিতা করলে সংসার ভালো ভাবে চললেই তারা খুশি।
এদের সবার পেশা জুতা সেলাই করা। এতে যা আয় হয় তা দিয়ে দু,বেলা খেয়ে না খেয়ে চলে। তারা এতেই  সন্তষ্ট। এদের ঘুপড়ি ঘর হলেও বৈদ্যুতিক লাইন না থাকায় এদের আক্ষেপ। স্বাধীন দেশে বাস করে, সরকারকে ভোট দিলেও কেন তারা বিদ্যুৎ পাবে না। বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋন নিয়ে ১১টি পরিবার ৫টি টিউবয়েল বসিয়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা নাজুক। স্যানিটারী ল্যাট্রিন বসালোও চারপাশের বেড়া পাটকাঠি বা কাপড় টাঙ্গানো। স্বাস্থ্য সেবার জন্য ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তবে বেশির ভাগই স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ভরসা। বৃষ্টি জমলে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তবে সরকারী সুবিধার মধ্যে ঈদ ও পুজার আগে দু,একটি পরিবার ভিজিএফ কার্ড পায়। গর্ভবর্তী মায়েদের সেবা আছে কিনা তাদের জানানেই।
স্কুল পড়–য়া পিয়াংকা, জয়, পুর্নিমা, ডলি, দেবদাস জানায়, তাদেরও ইচ্ছা আছে পড়াশোনা করে মানুষের মত মানুষ হওয়ার। পরিবারের দুঃখ, কষ্ট ঘোচানোর। তবে সংসার চালাতে হীমসীম খেতে হয়। তাতে পড়াবে কিভাবে। স্কুলে অন্যন্যের মতো বেতন দিতে হয়।
শ্যাম, মানিক, দয়াল, মারুয়া, সুরেশ, গৌতম জানান, নির্বাচন আসলে অনেকেই বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেয়। নির্বাচন ফুরালে আর কেউ খোঁজ রাখে না। নিজেরাই সুষ্টু ভাবে খেতে পারি না, তার পয় নিষ্কাশন ব্যবস্থা কিভাবে করবো। অর্থাভাবে পোলাপানরে স্কুলে পাঠাতে পারিনা। জুতার কাম করে এখন আর আয় তেমন হয় না। দিন যাচ্ছে লোক বাড়ছে। চাহিদা বাড়ছে এখন হীমসীম খেতে হচ্ছে। তবে তাদের দাবী যাতে পুর্ব পুরুষের জমি উদ্ধারে সহযোগিতা আর বৈদ্যুতিক লাইন নির্মানের জন্য কর্তৃপক্ষের আশু দৃষ্টি।

বালিয়াকান্দিতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা সমবায় সমিতির নামে চলছে সুদের ব্যবসা রমরমা  

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে সমবায় সমিতি। এসকল সমবায় সমিতি নামে মাত্র সমবায় অফিস থেকে রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে উচ্চ হারে সুদের ব্যবসা শুরু করে। এসকল সুদে সমিতির খপ্পরে পড়ে অনেকে পথে বসতে শুরু করেছে। সুদে সমিতির পাশাপাশি সুদে কারবারী, ব্যাংক চেক কারবারী, দাদন ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সাধারন মানুষ অর্থাভাবে সুদে সমিতি ও ব্যাক্তিগত ভাবে ঋন নিতে ব্যাংক চেক বা সাদা ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে দিতে হয়। কেউ সুদে কারবারীর চাহিদা মতো অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে চেক ডিজঅনার মামলা অথবা আদম ব্যবসার নামে বিদেশে লোক পাঠানোর নামে প্রতারনার মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছুদিন হয়রানীর শিকার হয়ে বাড়ীর ভিটে মাটি বিক্রি করে আপোষ-মিমাংসা করতে বাধ্য হয়। এসকল সুদে কারবারী এতোই শক্তিশালী যে তাদের প্রতিবাদ করার সাহস পায় না অনেকে। তবে সমবায় সমিতির রেজিষ্ট্রেশন ধারী সমিতি গুলো সদস্যদের মধ্যে ঋন প্রদানের বিধান থাকলেও সেটিকে ভুল বুঝিয়ে সুদের ব্যবসা রমরমা ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা সমবায় দপ্তরের নিকট দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে শহীদুল ইসলামের সরকারী সফরে ইন্দোনেশিয়া গমন

bakandi2-27-11-16“শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড” শিক্ষা ছাড়া কোন জাতিই উন্নতি করতে পারে না। কথাটি সত্য। সেই শিক্ষা যদি হয় সুন্দর। ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি সুন্দর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছেন রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাড়াদীর নার্সারীতে। যে প্রতিষ্ঠানটির নাম ৫৮নং স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম রাজবাড়ী জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সুনাম অর্জনের পাশাপাশি সরকারীভাবে বিদেশ ভ্রমনের সুযোগও পেয়েছেন। এ সুবাদে রবিবার দুপুর ১২টা ৫৫মিনিটে তিনি ইন্দোনেশিয়ার একটি বিশেষ স্কুলে প্রশিক্ষণ গ্রহনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সেখানে তিনি ৭দিনের একটি বিশেষ কোর্চ করবেন।
স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্পর্কে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেন খান বলেন, আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এই বিদ্যালয়ের মান উন্নয়ন করতে চাই। আমি চাই এই বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী জেলার মধ্যে ভালো ফলাফল বয়ে আনুক। দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছি এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম তাঁর সঙ্গী শিক্ষকদের নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিদ্যালয়কে একটি মাইল ফলোকে পরিণত করেছেন। এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থী এক একটি রতœ। আমার পরিষদের পাশে এই বিদ্যাপিঠটি হওয়ায় আমি একটু সময় পেলেই এসে দেখে যাই এখানকার হালহকিকত।  শিক্ষার মান উন্নয়নের দিকে খেয়াল রাখতে চেষ্টা করি। আজ আমাদের এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ম্ঃো শহীদুল ইসলাম রাজবাড়ী জেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসাবে বিবেচিত হয়েছেন এটা যে আমাদের নিকট কতো বড় পাওয়া সেটা ভাষায় বোঝানো সম্ভব নয়। এর চেয়ে খুশির কথা হলো শহীদুল ইসলামের বিদেশ প্রশিক্ষণের জন্য যাওয়ার কথা শুনে আমার অনেক ভালো লেগেছে। আমি চাই তিনি আরো বড় হউক। আমাদের জন্য সুন্দর বার্তা বয়ে আনুক।
বালিয়াকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় দারুণভাবে খুশি। এর কারণ আমার এই ছোট্ট উপজেলার মধ্যে থেকে যে তিনি এই গৌরব অর্জন করেছেন সেটা শুধু তাঁর একার নয় আমাদের উপজেলার সবার গৌরব। আমি আশা করছি তিনি বিদেশ গমণ করে সেখান থেকে আমাদের ছোট্ট সোনামনিদের জন্য আরো ভালো কিছু করার গৌরব বয়ে আনবেন। সেই সাথে আমাদের ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে শিক্ষকদের যে অগ্রনী ভুমিকা রাখতে হবে সেটার দিকেও খেয়াল রাখবেন। বিদেশে যে ভাবে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয় তার চেয়ে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে দক্ষ শিক্ষক হিসাবে গড়ে তোলার যে উদ্যোগ নিয়েছেন তারই ফলোশ্রুতিতে আজ আমাদের এই শিক্ষক সরকারী সফরে ইন্দোনেশিয়া গেছেন।
তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষকবৃন্দ একটু সচেতন হলেই শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়ন সাধিত হবে আর ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন সফল ভাবে সম্পন্ন হবে।
তিনি আরো বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এ উন্নয়ন কর্মকান্ডের ধারা অব্যাহত রাখাতে আগামীতেও আওয়ামী লীগ সরকার তথা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে হবে। আমরা আমাদের অন্যন্য শিক্ষকদের প্রতিও এটাই বলবো যে তাঁরা যেন স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম এর মতো ভালো শিক্ষক হন। তারাও যেন একদিন তাঁর মতো করে বিদেশ গমণের গৌরব অর্জন করেন।
স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা আমার আগামীর ভবিষ্যৎ। আমি তোমাদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখি। আমি চাই তোমরা সবাই আমার জন্য দোয়া করবে। আমি যেন তোমাদের জন্য এবং এ বিদ্যালয়ের জন্য, ইউনিয়নের জন্য, উপজেলার জন্য, এ জেলার জন্য, এমনকি আমার সোনার বাংলার জন্য যেন ভালো কিছু বয়ে আনতে পারি। আজ আমি যে গৌরবের জন্য ইন্দোনেশিয়ায় গমণের সুযোগ পেয়েছি সেটা তোমাদেরই জন্য। এ স্বাবলম্বী ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের কাছেও আমি কৃতজ্ঞ। তাঁরা সবাই মিলে আমার কাজের যে সহযোগীতা করেছেন সেটাও আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমি চেষ্টা করবো আমার দেশের জন্য কাজ করে যেতে।
সরকারী সফরে এক সঙ্গে সর্বমোট ১৪ জন এ সফরে যোগদান করবেন এরমধ্যে ২জন অফিসার ও ১২জন বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। রাজবাড়ী জেলার অন্যজন পাংশা উপজেলার রুপিয়াট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান বেগম।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে সরকারের গত ৯ বছরের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আগ্রগতি তুলে ধরা হবে : পলক

ঢাকা, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে …

সরকার সারাদেশে নদীখননের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে : নৌ-পরিবহনমন্ত্রী

নওগাঁ, ১৬ নভেম্বর, ২০১৭ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): পঞ্চগড়-দিনাজপুর-নওগাঁ-পাবনা নৌপথ খনন কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents