৪:৫৮ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / অন্যান্য দলের খবর / সুন্দরবন ধ্বংস হওয়া মানে বাংলদেশের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়বে : আনু মুহাম্মদ

সুন্দরবন ধ্বংস হওয়া মানে বাংলদেশের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়বে : আনু মুহাম্মদ

ঢাকা, ২৬ নভেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রামপাল প্রকল্পসহ সুন্দরবনবিনাশী সব অপতৎপরতা বন্ধ এবং জাতীয় কমিটির সাত দফা বাস্তবায়নের লক্ষে আয়োজিত রামপালবিরোধী মহাসমাবেশে তেল গ্যাস খনিজসম্পদ বিদ্যুৎবন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, সুন্দরবন ধ্বংস হওয়া মানে বাংলদেশের অস্তিত্ব হুমকিতে পড়বে। সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে ৪০ লাখ মানুষ জীবিকা হারিয়ে উদ্বাস্তু হবে এবং চার কোটি মানুষের মৃত্যু পরোয়ানা লেখা হবে।’

আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সুন্দরবনবিনাশী প্রকল্পসহ দেশে বিভিন্ন ধ্বংসকারী প্রকল্প বন্ধ করতে হবে। কোম্পানির স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছাড়া কেউ রামপালের পক্ষে কথা বলবে না। বাংলাদেশে, ভারত ইউনেস্কোসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন কয়লাভিত্তিকি কেন্দ্র দিয়ে সুন্দরবন ক্ষতি হবে।’

রামপালবিরোধী এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের দিকে সরকারের চোখ নেই। ভারতের স্বার্থে এই প্রকল্প করা হচ্ছে। রাশিয়ার জন্য রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে। মানুষ মেরে বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে। বাংলাদেশপন্থি কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এই সরকারের সঙ্গে।’

বিভিন্ন ব্যবসায়ী গোষ্ঠী সুন্দরবনের ভয়ঙ্কর লোভ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে যাচ্ছে দাবি করে আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দুর্নীতিবাজরা, চোরাই টাকার মালিকরা সুন্দরবনের জমি দখল করার পাঁয়তারা করছে। দুর্নীতি দমন কমিশনকে বলব আপনারা যদি মানুষের জন্য কাজ করেন তবে এই চোরাই টাকার মালিকদের খোঁজ নেন।’

আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সরকারি দলের মধ্যে যারা আছেন আপনারা যদি সরকারের কল্যাণ চান তবে এখনই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে শামিল হোন।’ সরকারের ‘শুভবুদ্ধির উদয়’ হলে রামপাল প্রকল্প বাতিল করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে আনু মুহাম্মদ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ১৪ ডিসেম্বর সারাদেশে শহীদদের স্মরণ করা হবে। ২৬ ডিসেম্বর সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হবে। ৭ জানুয়ারি বিশ্ব প্রতিবাদ দিবস পালন করা হবে। এর মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ঢাকা মহানগরীতে অর্ধদিবস হরতাল ঘোষণা করা হয় মহাসমাবেশ থেকে।

তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত জাতীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক এম এম আকাশ, কলামিস্ট আবুল মকসুদ, কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি প্রমুখ।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents