১১:৩০ পূর্বাহ্ণ - বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / ঢানা ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর আদালতের নির্দেশে খুলে দেয়া হলো সিটিসেল

ঢানা ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর আদালতের নির্দেশে খুলে দেয়া হলো সিটিসেল

ঢাকা, ০৬ নভেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ রবিবার সন্ধ্যার পরপরই ঢানা ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর আদালতের নির্দেশে খুলে দেয়া হলো সিটিসেল। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সন্ধ্যার একটু আগে বিটিআরসির কর্মকর্তারা রাজধানীর বনানীতে সিটিসেলের প্রধান কার্যালয়ে যান। এর পরপরই কাজ শুরু করেন বিটিআরসির কর্মকর্তারা। বিপুল অংকের টাকা বকেয়া থাকায় ১৭ দিন আগে বিটিআরসি তরঙ্গ বন্ধ করে দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিটিআরসির পরিচালক ইয়াকুব আলী ভূইয়ার নেতৃত্বে চার সদস্যেয়র একটি দল আজ সন্ধ্যার দিকে সিটিসেল কার্যালয়ে ঢোকেন। পরে তারা জানান, বন্ধ তরঙ্গ খুলে দেয়া হয়েছে।

এর আগে দুপুরে বিটিআরসি কার্যালয়ে এক বিশেষ সভা হয়। পরে বিটিআরসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘আজকের মধ্যে সিটিসেল খুলে দেওয়া হবে। আমাদের একটি টিম সিটিসেল অফিসে যাবে।’

গত ২০ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ স্থগিত করা করে দেয় বকেয় টাকা না দেয়ায়। এরপর সিটিসেল কার্যক্রমে ফেরার আবেদন নিয়ে আদালতে গেলে গত বৃহস্পতিবার শিগগির তরঙ্গ খুলে দেয়ার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত।

আপিল বিভাগের ওই আদেশে বলা হয়, আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে সিটিসেল বকেয়ার ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ না করলে আবারও তরঙ্গ বন্ধ করে দিতে পারবে বিটিআরসি।

আদালতের ওই আদেশের পর সিটিসেলের সংযোগ ফিরিয়ে দিতে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাৎক্ষণিকভাবে শুরু করেছে বলে সেদিন জানিয়েছিলেন বিটিআরসির আইনজীবী ব্যারিস্টার রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার।

কিন্তু ওই আদেশের পর দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তরঙ্গ ফিরে না পেয়ে ফের আদালতে যায় সিটিসেল। তাদের আবেদনের শুনানি করে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারকের বেঞ্চ। পরে আদালত এ বিষয়ে বিটিআরসির কাছে ব্যাখা চায়।

আদালতের নির্দেশনার পরও সিটিসেলের তরঙ্গ কেন খুলে দেওয়া হয়নি, তা আজ বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে জানাতে বলা হয়।

এ অবস্থায় বিটিআরসির পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়, সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দেয়ার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে  মিটিং ডাকা হয়েছে।

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে লাইসেন্স পায় বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড, যা পরে মালিকানার হাতবদলে সিটিসেলে পরিণত হয়।

সর্বশেষ তথ্যত অনুযায়ী, এ কোম্পানির ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক বিএনপি নেতা মোরশেদ খানের প্যাসিফিক মোটরস লিমিটেড।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents