৬:৫৩ অপরাহ্ণ - রবিবার, ১৮ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / সিটিসেলের বরাদ্ধকৃত তরঙ্গ খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ : বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ

সিটিসেলের বরাদ্ধকৃত তরঙ্গ খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ : বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ

ঢাকা, ০৩ নভেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ  দেশের প্রথম মোবাইল অপারেটর সিটিসেলের বরাদ্ধকৃত তরঙ্গ খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে কোম্পানিটিকে আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ১০০ কোটি টাকাও পরিশোধ করতে বলেছে আদালত।

আদালতে সিটিসেলের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস।

তরঙ্গ বরাদ্দ বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সিটিসেলের করা আবেদনের উপর গত মঙ্গলবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন আদেশের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত। আজকের সুপ্রিম কোর্ট  এর আপিল বিভাগের আদেশের জন্য বিষয়টি কার্যতালিকার ২ নম্বরে ছিল। তবে সকালে পুনরায় আরেক দফা শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় আদেশের জন্য সময় দেন আদালত।

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর সিটিসেল বন্ধে সরকারের সিন্ধান্ত বহাল রেখে বিষয়টি শুনানির জন্য ৩১ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বকেয়া টাকা পরিশোধ করায় সিটিসেলের কার্যক্রম (স্প্রেকট্রাম বা তরঙ্গ) স্থগিত করে দেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। বিটিআরসির এ সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে সিটিসেল।

এর আগে গত ৩১ জুলাই ও ১৭ অগাস্ট সিটিসেলের গ্রাহকদের অপারেটর পরিবর্তনে দুটি পাবলিক বিজ্ঞপ্তি দেয় বিটিআরসি।

বিজ্ঞপ্তিতে সিটিসেলের গ্রাহকদের ১৬ আগস্টের মধ্যে বিকল্প সেবা বা ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সিটিসেল গ্রাহকদের জানানো হয়, এই মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকারের প্রায় ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে। লাইসেন্স নবায়নের পর থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে কমিশন থেকে সিটিসেলকে বকেয়া রাজস্ব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং সিটিসেলের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এর পরও সিটিসেল বিভিন্ন সময়ে বকেয়া অর্থ পরিশোধের অঙ্গীকার করলেও তা বকেয়া পরিশোধ করেনি। সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব পরিশোধ না করে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া লাইসেন্সের শর্তাবলির পরিপন্থী এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১-এর বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ অবস্থায় বিটিআরসি সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিল করার এখতিয়ার রাখে। কাজেই বিটিআরসি যেকোনো সময় সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল এবং অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণসংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents