১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ - সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / আওয়ামী লীগ / কেন্দ্রীয় আ’লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান একজন মুজিব আদর্শের সৈনিক

কেন্দ্রীয় আ’লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান একজন মুজিব আদর্শের সৈনিক

২৮ অক্টোবর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম):  সদ্য ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ২২ ও ২৩ অক্টোবর ২০তম সম্মেলনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি। ফরিদপুরের মধুখালি উপজেলার কামালদিয়া গ্রামে ১৯৫৪ সালে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। ওই গ্রামের মরহুম শরিয়ত উল্ল্যার ছোট ছেলে তিনি। মাতার নাম মরহুমা আয়েশা শরিয়ত উল্ল্যাহ।

১৯৬৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শামসুজ্জোহা হত্যার ঘটনায় এক প্রতিবাদ মিছিল থেকে তাঁর ছাত্র রাজনীতির পথ চলা শুরু। সে সময় তিনি বোয়ালমারী উপজেলার খরসূতি চন্দ্র কিশোর বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। ওই স্কুল থেকে ১৯৭০ সালে তিনি এসএসসি পাশ করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধে স্বক্রীয়ভাবে তিনি অংশ গ্রহন করেন। ১৯৭২ সালে ফরিদপুর ইয়াসিন কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংসদের নির্বাচিত সহ-সাধারন সম্পাদক পদে এবং ১৯৭৩ সালে ইয়াসিন কলেজের ছাত্র-ছাত্রী সংসদের সাধারন সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন। একই সময়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ওই সময় তিনি এইচএসসি পাশ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ভারতে চলে যান। সেখান থেকে সশস্ত্র সংগ্রাম চালাতে থাকেন। দেশে ফিরে আসার পর সশস্ত্র সংগ্রামের অপরাধে ১৯৭৬ সালের শেষ দিকে গ্রেফতার হয়ে কারাবরন করেন। ১৯৭৭ সালে তিনি বোয়ালমারী সরকারি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৮৩ সালে প্রথম কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য পদে নির্বাচিত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ¯œাতকোত্তর (এমএ এলএলবি) ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হয়ে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সার্বাত্মা জুড়ে বিরাজমান আওয়ামীলীগের চেতনা এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। ২০০২ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করেন এবং সিলেট বিভাগের দায়িত্ব দেন। তিনি সঠিকভাবে সিলেট বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় তিনি সফল সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন।

২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে ফরিদপুর-১ আসনে (মধুখালী-বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা) জাতীয় সংসদ নির্বাচিত হন। তিনি ১ লক্ষ ৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে ফরিদপুর-১ আসনে ইতিহাস রচনা করেন। ২০০৯ সালের সম্মেলনে ও ২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর আওয়ামীলীগের ১৯তম সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে স্থান পান। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

এবার আওয়ামীলীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। তাঁর সহধর্মীনি মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক। বড় মেয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য পড়াশুনা করছেন। মেঝো মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ক্যানবেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ শেষে এমবিএ করছেন। ছোট মেয়ে অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল এ এ-লেভেল এ পড়াশুনা করছে। একমাত্র ছেলে সামী রহমান স্কোলাস্টিকাতে এ-লেভেল এ পড়াশুনা করছে।

উল্লেখ্য আব্দুর রহমানের শ্বশুর এ্যাড. মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের ১৫ বছর ধরে সভাপতি ও ২০ ধরে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর সময়ে দুইবার আওয়ামীলীগের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য (মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা এম.সি.এ, প্রবাসী মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ এবং পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে) সততার পুরস্কারের জন্য অর্থাৎ সত্যবাদিতার জন্য বঙ্গবন্ধু তাকে গণেশ বলে ডাকতেন। মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল ছিলেন ভাষা সৈনিক, ৭২ সংবিধান উপনেতা কমিটির সদস্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য নির্বাচিত করেন।

আব্দুর রহমান এমপি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ায় তাঁর নিজ সংসদীয় আসন ফরিদপুর-১ (মধুখালি-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জনগনের মাঝে আনন্দের জোয়াড় বইছে। আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও হইহুল্লড় করে কাটাচ্ছেন তারা। ঢাকায় তাকে শুভেচ্ছা জানাতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা তাঁর বাসায় গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছাসহ দেখা করছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে খুব সদালপী আব্দুর রহমান সারাজীবন বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের রাজনীতি করে দেশের এবং দলের জন্য কাজ করবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents