১:১৮ অপরাহ্ণ - রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / সিলেটের খবর

সিলেটের খবর

সিলেট, ১৩ অক্টোবর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম):

কোর্ট পয়েন্টে সিলেট জেলা বিএনপির মানববন্ধন
খাদিজার উপর নৃশংস হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে : আবুল কাহের চৌধুরী শামীম

বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেছেন- সরকারের মদদেই ক্ষমতাসীন ছাত্রলীগ দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীনদের চত্রচ্ছায়ায় সিলেটের সকল প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সারা দেশের শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের নিরাপদ অভয়ারন্যে পরিনত হয়েছে। সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজে প্রকাশ্য দিবালোকে সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের মেধাবী ছাত্রী খাদিজা আক্তার নাগির্সের উপর শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুলের নৃশংস হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। নরপিশাচ বদরুলকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্ঠান্তমুলক সর্বোচ্চ শাস্থি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে আর কোন সন্ত্রাসী এমন বর্বর কর্মকান্ড না করতে পারে।
তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্টে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। কলেজ ছাত্রী খাদিজা আক্তার নাগির্সের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধন পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলী আহমদ। বিএনপি নেতা আহমেদুর রহমান চৌধুরী মিলু’র পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে সুচীত মানববন্ধনে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এডভোকেট নুরুল হক, বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা জায়গীরদার, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, সদর উপজেলা সভাপতি আফরোজ মিয়া, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বিএনপি নেতা একেএম তারেক কালাম, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, বিশ্বনাথ উপজেলা সভাপতি জালাল উদ্দীন চেয়ারম্যান, গোলাপগঞ্জ পৌর সভাপতি মশিকুর রহমান মহি, বিয়ানীবাজার পৌর সভাপতি আবু নাসের পিন্টু, বিএনপি নেতা এডভোকেট আক্তার হোসেন খান, নাহিদুল ইসলাম নাহিদ, আনোয়ার হোসেন মানিক, মঞ্জুরুল কাদির শাফী, আজির উদ্দীন চেয়ারম্যান, সুরমান আলী, সিলেট জেলা ছাত্রদল সভাপতি সাঈদ আহমদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম নাচন, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, শামীম আহমদ, লিলু মিয়া চেয়ারম্যান, এডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব, সিটি কাউন্সিলার সালেহা কবির শেপী, এডভোকেট এখলাছ উদ্দীন, নিজাম উদ্দীন জায়গীরদার, এডভোকেট আল আসলাম মুমিন, এডভোকেট ফখরুল হক, আব্দুল হান্নান, ছাত্রনেতা চৌধুরী সোহেল, বোরহান উদ্দীন, লুৎফুর রহমান, নজরুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, হরিদাস পাল শাওন, বেলাল আহমদ, কবির আহমদ, মুরাদ হোসেন, রুমেল শাহ, কাজী মেরাজ, দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকির, এডভোকেট খালেদ জুবায়ের, এখলাছুর রহমান মুন্না, মিজানুর রহমান নেছার, ফখরুল ইসলাম রুমেল, মুজাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, বিএনপি নেতা আব্দুল হান্নান, সিরাজুজ্জামান খান মঙ্গল, মির্জা আবুল কাশেম জিতু, আব্দুল লতিফ খান, আব্দুল হাদী, শাহজাহান সেলিম বুলবুল, বজলুর রহমান ফয়েজ, ছালিক মিয়া, আব্দুল ওয়াহিদ সোহেল, আল মামুন খান, নজির মিয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব, সায়েদুল ইসলাম বাচ্চু, গিয়াস উদ্দীন মেম্বার,  আলা উদ্দীন সওদাগর, মনিরুল ইসলাম তুরন, মাহমুদুর রহমান সোহেল, আজির উদ্দীন, আব্দুর রহিম, শামসুর রহমান শামীম, শাহাবুদ্দিন সাবু, আশরাফ বাহার, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, মকসুদুল করিম নোহেল, আব্দুল মুক্তাদির খান, আব্দুল হান্নান, কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস জয়, মোশতাক আহমদ, জয়নুল ইসলাম, রফিকুল হক, সিরাজুল ইসলাম, জমির মিয়া, আবুল হাসনাথ, ফয়েজুর রহমান ফয়েজ, অধ্যাপক মঈনুদ্দিন, দিলোয়ার হোসেন জয়, জুবেদ আহমদ আমিরী, ফজলুল হক চৌধুরী, খন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, সৈয়দ হারুনুর রশীদ, এডভোকেট তাজ উদ্দীন মাখন, এডভোকেট তানভীর আহমদ, এডভোকেট ইসরাফিল আলী, লুৎফুর রহমান, ফয়সল আহমদ টিপু, এম.এ মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, সমর আলী, দিদার ইবনে তাহের লস্কর, আইনুল হক সুমন, সোহেল ইবনে রাজা, তানভীর আহমদ চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম রাসেল, শোয়েব আহমদ, নাবিল রাজা চৌধুরী, সুমন আহমদ, হাবিবুল বাশার হাবীব, নাদিম আহমদ, শাহ জুনেদ, হাজী গোলজার মিয়া, এনামুল হক মাক্কু, আরিফুর রহমান টিপু, আজিজুর রহমান লায়েক, সুহেদুল ইসলাম সুহেদ, আলী আকবর রাজন, রাশেদুর রহমান রাশেদ, আফজাল হোসেন, মাজেদ আহমদ, শহিদ আহমদ, নজরুল ইসলাম, আব্দুল আহাদ, খোকন ইসলাম, আবুল হোসেন, নুরুল ইসলাম,.  মেরাজ ভুইয়া পলাশ, মাজেদ আহমদ সামী, মিজান আহমদ, জাবেদ আহমদ, মুকিত আহমদ ও ইউনুছ মিয়া প্রমুখ।

কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকীতে এনডি এফ এর শ্রদ্ধাঞ্জলি

আজ ১৩অক্টোবর ছিল নানকার বিদ্রোহের সংগঠক, সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদ বিরোধী কমিউনিস্ট বিপ্লবি নেতা কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী। কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকী পালনে জাতীয় গনতান্ত্রিক ফ্রন্ট-এন ডি এফ সিলেট জেলা শাখার পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে রয়েছে সকাল ৮টায় সমাধীস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বিকালে আলোচনা সভা। দুই পর্বের কর্মসুচীতে প্রথম পর্ব ছিল সমাধীস্থলে পুস্পাঞ্জলি। আজ ১৩ অক্টোবর সকাল  ৮ ঘটিকার সময় সিলেট চালি বন্দর মহাসসানে শেষকৃত স্থলে পুস্পাঞ্জলি অর্পন করেন এনডি এফ সিলেট জেলা সভাপতি এডভোকেট কুমার চন্দ্র রায়, প্রভাসক আবুল ফজল, পুর্বাঞ্চল কমিটির সাধারণ সম্পাদক খোকন আহমদ, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা সহ সভাপতি সুরুজ আলী, অর্থ সম্পাদক রমজান আলী পটু, পূর্বাঞ্চল কমিটির সহ সভাপতি আলা উদ্দিন জাড়–, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা নেতা আব্দুল সালাম ও মো: আবুল কালাম, শাবি শাখার সভাপতি সাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পরেশ চাকমা সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন তালুকদার, প্রেস কমিটির ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এ. কে আজাদ সরকার, শ্রমজীবি সংঘের নেতা এমদাদুল হক ইমন, ও নাছির মিয়া, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ সভাপতি আরিফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক জমির আলী, জেলা সদস্য রফিকুল ইসলাম উজ্জল, ফজলুর রহমান সাজু, আলী হোসেন জাকির, মোহিদুল ইসলাম, মো: জালাল মিয়া, বন্দর কমিটির নেতা মো: শাহ আলম। শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে শপৎ বাক্য পাঠ করান এন ডি এফ জেলা সভাপতি এডভোকেট কুমার চন্দ্র রায়। উল্লেখ্য যে কমরেড অজয় ভট্টাচার্য্য সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার থানায় অন্তর্গত লাউতা গ্রামে ১৯১৪ সালের ১০ই জানুয়ারী তিনি এক সামন্ত জমিদার পরিবারে জম্ম গ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সালের ১৩ই অক্টোবর ৮৫ বৎসর বয়সে মৃত্যু বরণ করেন। প্রায় ৬০ বৎসরের রাজনৈতিক জীবনে ১৯৩৭ সালে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য পদ লাভ করেন এবং আজীবন মার্কসবাদ লেনিনবাদের প্রতি অবিচল আস্থা রাখিয়া ১৯৫৬ সালে কারাগার থেকে কমরেড আব্দুল হকের সঙ্গে ক্রুশ্চেত সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে ১৯৭৭ সালে সংশোধনবাদী ত্রিবিশ্ব তত্ত্বের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। এই ভাবে তিনি সংশোধনবাদী প্রতিক্রিয়ার বিভিন্ন প্রকাশের বিরুদ্ধে রুখিয়া দাঁড়ান। নানকার বিদ্রোহের ঘটনাবলী কৃষক আন্দোলনের খুঁটি নাটি চিত্র তৎকালীন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির তাত্বি¦ক বিশ্লেষণ ও সামগ্রিক মূল্যায়ন তুলিয়া ধরিয়া তিনি রচনা করেন ‘নানকার বিদ্রোহ’ নামক অমূল্য গ্রন্থ। যা আজ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রেফারেন্স বই হিসাবে গৃহীত। ইহা ছাড়াও তাহার রচিত গল্প, প্রবন্ধ, রাজনৈতিক নিবন্ধ স্মৃতিচারন মিলাইয়া পত্র পত্রিকায় তাহার লেখার সংখ্যা ১২৫টি। প্রকাশিত গল্প গ্রন্থ হইতেছে নীড়, ইতিহাসের ছেড়াপাতা। উপন্যাস হইতেছে এঘর ওঘর, অরন্যানী, কুলিমেম, বাতাসীর মা, সুবল মাঝির ঘাট, রাজনগর এবং ইতিহাস গ্রন্থ হইতেছে নানকার বিদ্রোহ ও অর্ধশতাব্দী অঅগে এদেশে গণআন্দোলন কেমন ছিল। দীর্ঘ ৬০ বৎসরের রাজনৈতিক জীবনের বেশীর ভাগ সময়ই তিনি কৃষক আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকিয়াছেন এবং ৬০ বৎসরের রাজনৈতিক জীবনে মোট ৭ বারে ২০ বছর জেল খাটিয়াছেন। নয়া উপনিবেশিক আধা সামন্তবাদী বাংলাদেশে শ্রমিক কৃষক জনগণের ও জাতীয় জীবনের দুঃখ দুর্দশা সমস্যা সংকটের মুল কারণ হইতেছে সাম্রাজ্যবাদ ও তার এদেশীয় দালাল পুঁজির নিমর্ম শোষণ ও স্বৈরাচারী শাষণ। যে জন্য এই শোষণ নির্যাতন ও দুঃসহ অবস্থা হইতে মুক্তি পাইতে হইলে প্রয়োজন এই তিন শোষণের উচ্ছেদ এবং এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দরকার জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব।

“বাউলের কান্না কেউ দেখেনা”

syt-baul-13-10-16‘গান গাই আমার মনরে বুঝাই মন থাকে পাগলরা আর কিছু চায়না মনে গান ছাড়া’ এই গানটি আমার মনে হয় সবারই জানা। বাংলা গানের শুরু থেকেই এখন পর্যন্ত বাউল গানের গুরুত্ব অপরিহার্য। সেই সব গান পাগলা সৃষ্টিশিল বাউলদের গান গেয়েই দেশে বিদেশে অনেকে প্রতিষ্টিত হয়েছে শিল্পি হিসেবে কুড়িয়েছেন অনেক অর্থ ও সুনাম কিন্তু সৃষ্টিসশিল সেই সব গুনি বাউলরা পড়ে থাকেন নিরবে নিভৃতে গ্রাম গঞ্জের হাট বাজার পর্যন্ত জীবন কাটে তাদের অবহেলা আর কষ্টের মধ্য দিয়ে। এমনই একজন গান পাগল মানুষ বাউল হেলাল খাঁন আমাকে লিখেছেন তার মনের কোনে জমে থাকা না বলা কথা গুলো। বাউল হেলাল খাঁনের লিখাটুকু হুবহু উপস্থাপন করলাম-

“সম্মানিত ভাই ও বোনেরা আজ আমি আমার মনের কিছু ভাব এবং ইচ্ছে আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি আমাদের বাংলাদেশের বাউলদেরকে নিয়ে, একজন বাউল রাত জেগে কষ্ট করে গানের মাধ্যমে তার মনের ভাব প্রকাশ করেন”

গানের মধ্যে তুলে ধরেন সমাজের নানা দিক’ বলে যান শান্তি সৃংখলার কথা”
দিয়ে যান আগামী প্রজন্মকে জ্ঞান অর্জনের সুস্থ দিক নির্দেশনা”
গানের মাধ্যমেই দিয়ে যান ভালো ভালো কিছু উপদেশ” শিখিয়ে দিয়ে যান মানুষ মানুষের জন্য”

এই গানের মধ্যেই বাউল তাঁর জীবনের কষ্টের কথা প্রকাশ করেন। কিন্তু দেখবেন যখন এই বাউলটি অযতেœ অনাদরে বিনা চিকিৎসায় মানুষের ধারে ধারে গুরে সামান্য চিকিৎসার জন্য সাহায্যে চায়” তখন তাঁর পাশে বন্ধু হয়ে কেউ দাড়ায় না,

এরকম অনেক বাউল বিনা চিকিৎসায় মারা যান, আর মারা যাওয়ার পরে তাদেরকে নিয়ে চলে বিরাট আয়োজন” লক্ষ টাকার ব্যাজেটে হয় শোক সভা”

তাদের লেখা গান গেয়ে বিশ্ব নন্দিত গায়কের খেতাবও পায়ে যান অনেকেই” বর্তমান সমাজের মানুষের কাছে আমার প্রশ্ন-এই বাউলদের বেঁচে থাকা অবস্থায় তাদের ন্যায্য প্রাধান্য দেওয়া হয়না কেন?

কিন্তু দেখা যায় তাঁরা মারা যাবার পর তাদের ন্যায্য পাওনার চেয়ে দিগুন দেয়া হয়” আমি মনে করি এই প্রাধান্যের কোন মূল্য নেই” কারন”যে কষ্ট করে গাছ রূপন করলেন সে ফল খেলেন না।

খেতে পারতেন যদি আমাদের সুশীল সমাজের মানুষরা চেষ্টা করতেন বা করেন, আমি চাই সাংস্কৃতিক মন্ত্রলায় এর মন্ত্রী, প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সবাই একটি জরিপ চালিয়ে দেখুন দেশের আনাচে কানাচে গ্রামে, গঞ্জে, লালন, রাধারমন,হাছন রাজা,দুর্বিন শাহ,এর মতো বিখ্যাত বিখ্যাত বাউল পরে আছেন বাংলার আনাচে কানাচে।

তাদের খুজে বের করে অন্তত দুবেলা দুমুঠো ডাল ভাত খাওয়ার সুব্যাবস্থা করে দেওয়া হোক” আর তাদের সৃষ্টি গুলো সংরক্ষনে রাখা হোক” ।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents