৭:২৬ পূর্বাহ্ণ - সোমবার, ১৯ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাসহ বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল আইন-২০১৬’র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘ প্রতিক্ষীত আকাক্সক্ষা ও দেশে উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
খসড়া আইন অনুযায়ী চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কাউন্সিল গঠন করা হবে। ৪ জন পূর্ণকালীন ও ৮ জন খ-কালীন সদস্য থাকবেন। এই কাউন্সিল দেশে শিক্ষার মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করবে।
কাউন্সিলের সদস্য ও চেয়ারম্যানের কমপক্ষে ১০ বছর প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ কোন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
খ-কালীন সদস্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন একজন, যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন সরকার মনোনয়ন দেবে। বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি বা সংস্থাটির একজন প্রতিনিধি, স্বীকৃত বিদেশী একটি অ্যাক্রিডিটেশন এজেন্সির একজন এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী সংগঠনের একজন প্রতিনিধিও নিয়োগ দেবে সরকার।
এছাড়া এফবিসিসিআই’র একজন উদ্যোক্তা, শিক্ষা প্রশাসনের একজন বিশেষজ্ঞ এবং এক আইটি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেবে সরকার।
সচিব বলেন, মানসম্মত উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়া কনফিডেন্স সার্টিফিকেট বা অ্যাক্রিডেটেশ স্থগিত ও বাতিল করতে পারবে এ কাউন্সিল।
কাউন্সিল দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাক্রিডিটেশন এবং বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রত্যেক বিভাগে পৃথক অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি গঠন করবে। এছাড়া সংস্থাটি অ্যাক্রিডিটেশন ও কনফিডেন্স সার্টিফিকেট প্রদানের শর্তও নির্ধারণ করবে।
শফিউল আলম বলেন, কাউন্সিল আন্তঃরাষ্ট্র পর্যায়ে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করবে।
সংস্থাটি অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার মাঝে অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন ও প্রচার অভিযানের আয়োজন করবে।

আলম বলেন, বাংলাদেশ পারমানু কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিটিউটকে আরো গতিশীল ও সময়োপযোগি করতে মন্ত্রিসভা আজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার এগ্রিকালচার (বিনা) রিচার্স ল’-২০১৬’ অনুমোদন করেছে।
তিনি বলেন, নতুন আইনে বিনায় একটি উপদেষ্টা পরিষদ এবং একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হবে। উপদেষ্টা পরিষদ সময় মতো পরামর্শ এবং নীতিগত সহায়তা দিয়ে পরিচালনা পর্ষদকে দিক নির্দেশনা দেবে।
আলম বলেন, কৃষিমন্ত্রী এই উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান হবেন, এবং কৃষিসচিব সহ-সভাপতি হবেন।
উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হবেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিবের নিচে নয়), পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অথবা তার মনোনিত প্রতিনিধি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং সরকার মনোনিত তিন জন ব্যক্তি। এদের মধ্যে একজনকে হতে হবে পরমাণু কৃষি অভিজ্ঞ, এক জন অভিজ্ঞ কৃষক, অপরজন কোন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিনা’র মহাপরিচালক এই উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, বিনা’র মহাপরিচালক ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পর্ষদের প্রধান থাকবেন।
অপর সদস্যরা হলেন, আণবিক শক্তি কমিশনের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের প্রতিনিধি, উপদেষ্টা কাউন্সিলের প্রতিনিধি, ইন্সটিটিউটের পরিচালকবৃন্দের প্রতিনিধি, সরকার মনোনিত ইনষ্টিটিউটের সিনিয়র বিজ্ঞানী, সরকার মনোনিত কোন অভিজ্ঞ কৃষক এবং এনজিও প্রতিনিধি, কৃষি মন্ত্রণালয় মনোনিত প্রতিনিধি (উপ-সচিব-এর নিচে নয়), অর্থ বিভাগের প্রতিনিধি (উপ-সচিবের নিচে নয়)।
আলম বলেন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও সমর্থন) হবেন বোর্ডের সদস্য সচিব।
আলম আরো বলেন, মন্ত্রিসভা আগের দু’টি আইন একিভূত এবং বাংলায় অনুবাদ করে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআরবি) আইন-২০১৬’ অনুমোদন করেছে।
তিনি বলেন, বাংলায় অনুবাদ করা সামরিক শাসনামলে প্রণীত ১৯৭৮ সালে একটি এবং ১৯৮৫ সালে প্রণীত আপর আইনটি একিভূত করা ও বাংলায় অনুবাদের মাধ্যমে নতুন আইন দুটি প্রণীত হবে ।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন আইনে কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা হয় নি।
আলম কেন্দ্রের উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বলেন, প্রস্তাবিত আইনে সাতটি দায়িত্বের বিশেষ করে ব্যবস্থাপনা এবং ডায়রিয়া ও এ ধরনের রোগের গবেষণার উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনের আলোকে, সর্বনিম্ন ১২ এবং সর্বোচ্চ ১৭ সদস্যের একটি বোর্ড গঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই বোর্ডে সরকার মনোনিত চারজন সদস্য থাকবেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন এবং জাতিসংঘ সংস্থার অপর একজন থাকবেন। কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক বোর্ডের একজন সদস্য হবেন। বোর্ড বাকি সদস্যদের মনোনয়ন দেবেন।
তিনি বলেন, অন্য দেশসমূহ দুইজনের বেশি সদস্য মনোনয়ন দিতে পারবে না।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক বোর্ডের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, বোর্ডের সকল সদস্য তিনবছরের জন্য নিযুক্ত হবেন। তবে, পরবর্তীতে তাদের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ানো হতে পারে।
বোর্ডের কর্মকান্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, বোর্ডের প্রধান কাজ হবে কেন্দ্রের সামগ্রিক কর্মকান্ড তদারক করা। তিনি বলেন, বছরে অন্তত দুটি বোর্ড সভা করতে হবে। কেন্দ্র দেশ ও বিদেশের আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে পারবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, মন্ত্রিসভা নাফ নদীর সীমানা নির্ধারণ বিষয়ে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে চুক্তির একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উৎপাদনশীলতা সহায়তা উন্নয়ন বিষয়ে প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করেছে।
আলম জানান, মন্ত্রিসভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত ২০১৬ সালের ত্রৈমাসিক (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন আজকের বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents