১০:৩৫ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / গোলাগুলিতে নিহত ৭ সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয়া হয়েছিল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গোলাগুলিতে নিহত ৭ সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয়া হয়েছিল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক-গাজীপুর, ০৮ অক্টোবর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): গাজীপুরের পাতারটেক আস্তানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গোলাগুলিতে নিহত সাত সন্দেহভাজন জঙ্গিকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মুখলেছুর রহমান জানিয়েছেন, জঙ্গিরা যেন ধরা দেয় সে জন্য তারা ছয় ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন, এমনকি পানিও পরিবেশন করা হয়েছে তাদের।

পাতারটেক আস্তানায় অভিযানে সাত জনের প্রাণহানির পর ঘটনাস্থলে সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অতিরিক্ত আইজিপি এ কথা বলেন।

ভোর ছয়টার দিকে পুলিশের জঙ্গিবিরোধী বিশেষ শাখা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট, বিশেষ বাহিনী সোয়াত, পুলিশ সদরদপ্তর, গাজীপুর পুলিশ এবং র‌্যাবের একটি দল সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানা ঘেরাও করে। পরে কয়েক ঘণ্টা ধরেই দুই পক্ষে গোলাগুলি চলে। দুপুরের পর এই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতার নেতৃত্বদানকারী তামিম চৌধুরীর মৃত্যুর পর নেতৃত্বে থাকা আকাশের আস্তানা বলে খোঁজ পাওয়ার পর এই অভিযান শুরু হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ‍পুলিশ বাহিনী তোদেরকে আত্মসমর্পণের নিদের্শ দেয়, কিন্তু তারা উপর্যুপরি গুলি বর্ষণ করে। কেবল গুলি করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। গ্রেনেডও নিক্ষেপ শুরু করে।’

জনাব কামাল বলেন, ‘আমাদের পুলিশ বাহিনী চরম ধৈর্্যর পরিচয় দিয়েছে। তারা বারবার বলার পরও আত্মসমর্পণ করেনি। না করাতে আমাদের পুলিশ, সোয়াত, র‌্যাব, জেলা পুলিশ, সদরদপ্তরের ‍পুলিশ যৌথভাবে আক্রমণ পরিচালনা করে।’ তিনি জানান, ওই আস্তানায় সাতজনই ছিল। সেখান থেকে তিনটি অস্ত্রও পাওয়া গেছে।

অতিরিক্ত আইজিপি মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘সকাল ১০টা থেকেটা বিকাল তিনটা পর্ন্ত জন্য সুযোগ দেয়া হয় তাদেরকে। আমরা তাদেরকে পানিও দিয়েছি। কিন্তু তারা আত্মসমর্পণ না করে গুলি করে। এরপর আমরা পাল্টা হামলা করি।’

গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি এবং ৭ অক্টোবর কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার পর এখন পর্ন্ত জঙ্গিদের বেশ কিছু আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে এক দিনে সবচেয়ে বেশি ১১ জন মারা গেছে আজ।

এর আগে গত ২৬ জুলাই মিরপুরের কল্যাণপুর আস্তানায় নয় জন, ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া আস্তানায় সাম্প্রতিক জঙ্গি তৎপরতায় নেতৃত্বদানকারী তামিম চৌধুরীসহ তিন জন, ২ সেপ্টেম্বর মিরপুরের রূপনগরে আর্টিজান হামলাকারীদের প্রশিক্ষক হিসেবে চিন্তিত জাহিদুল ইসলাম এবং ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আজিমপুরে নিহত হন একজন।

এসব অভিযানে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের হত্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। তাদেরকে গুলি করার সমালোচনা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও।

প্রতিটি অভিযানেই পুলিশ সন্দেহভাজন জঙ্গিদেরকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দিয়েছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু জঙ্গিরা সে সুযো না নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। এমনকি ২ সেপ্টেম্বর রূপনগরে জাহিদুল একা থাকা অবস্থাতেও হামলে পড়েন পুলিশের ওপর। নিহত হওয়ার আগে দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছিলেন তিনি। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents