৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ - শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / পাবনার খবর

পাবনার খবর

এস, এম, আজিজুল হক, স্টাফ রিপোর্টার-পাবনা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): 

বালু উত্তোলন বন্ধের দাবীতে পাবনার
জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ

বালু দস্যুদের  অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে বাড়ি-ঘড় ও আবাদি জমি নদীতে বিলীন হওয়ার আশংকায় বালু উত্তোলন বন্ধের দাবীতে পাবনার জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি পেশ করেছে বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়নের সর্বদলীয় বালু কাটা প্রতিরোধ কমিটি।

আজ সোমবার সকাল ১১ টায়  পাবনা জেলা প্রশাসক বরাবর এই স্মারক লিপি পেশ করা হয়। স্মারকলিপিতে জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালোকে অবহিত করা হয় যে ২০১৫ সাল থেকে মোহনগঞ্জ হতে মাছখালি পর্যন্ত যমুনা ও হুরাসাগর নদীর সংযোগস্থলে বিভিন্ন জায়গায় কতিপয় স্বার্থান্বেশী বালুদস্যু অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন ও বোমা মেশিন চালিয়ে বালু উত্তোলন করেছে এবং অদ্যবধি বালু কাটা অব্যাহত আছে। এর ফলে দক্ষিণ চরপেচাকোলা গ্রামের ৭/৮ শত পরিবারের বাড়ি-ঘড় এবং প্রায় সাত’শ একর আবাদি জমি ইতমধ্যেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ ভাবে বালু কাটার ফলে পানির নিচে ঝর্নার সৃষ্টি হয়ে মোহনগজ্ঞ থেকে মাছখালি পর্যন্ত নদীর স্রোতের গতিবেগ বৃদ্ধি পেয়ে সংরক্ষিত নদীর তীর পূনরায় ঝুকিতে পরেছে এবং পাবনা প্রকল্পের অন্যতম অবকাঠামো কৈটোলা স্লুইচগেট এবং বন্যানিয়ন্ত্রন বাঁধও হুমকির মুখে পড়েছে। হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়নের সর্বদলীয় বালু কাটা প্রতিরোধ কমিটি হাটুরিয়া নাকালিয়া বাজার কমিটির সভাপতি কমরেড নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি পেশ করার সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি পাবনা জেলার সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন, সর্বদলীয় বালু কাটা প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বৃহত্তর পেচাকোলা গ্রাম প্রধান এমএ মতিন, হাটুরিয়া নাকালিয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক রিজাউল মোল্লা, হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য সিল্টু সেখ, ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য ফজলুর হক, চরপেচাকোলার গ্রাম প্রধান আনিছূর রহমান, চরপেচাকোলার ৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা সান্যাল প্রমূখ। উল্লেখ্য গত ৩০ আগষ্ট এ বিষয়ে হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়নের সর্বদলীয় বালু কাটা প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে ৩১৪ জন স্বাক্ষর সম্বলিত এক স্মারকলিপি বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পেশ করেও কোন প্রতিকার না পেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর এই স্মারক লিপি পেশ।

পাবনায় সাড়ম্বরে ৩২৬টি মন্ডপে দূর্গা পূজার প্রস্তুতি
প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

pabna-durga-26-9-16এবার পাবনায় সাড়ম্বরে দূর্গা পূজা অনুষ্টিত হবে। শারদীয় দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে পাবনায় মন্দিরে মন্দিরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পূজার প্রধান আকর্ষণ দূর্গা প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ। এ বছর জেলার নয়টি উপজেলায় ৩২৬টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দূর্গাপূজা। এ সব মন্ডপে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৬৩ মেট্রিকটন চাল। আর প্রতিমা তৈরীর কাজ নির্বিগ্ন করতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজার বাকি আর কিছুদিন। আগামী ৭ অক্টোবর দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই মহোৎসব। এ উৎসবের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ দুর্গা প্রতিমা। তাই পাবনা জেলা শহর সহ নয়টি উপজেলার মন্দিরে মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাদা, মাটি, খড়, কাঠ, বাঁশ, সুতলি দিয়ে দূর্গা প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। মাটির কাজ শেষে হলেই শুরু হবে রং তুলির আঁচড়। প্রতিমাগুলো মনোমুগ্ধকর ও নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন শিল্পীরা। তাদের আশা র্নিধারিত সময়ের আগেই শেষ হবে সব প্রতিমা তৈরীর কাজ। এখন বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিমা তৈরীর পাশাপাশি চলছে প্যান্ডেল তৈরী এবং সাজসজ্জার কাজ।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্র জানায়, জেলার ৯টি উপজেলায় এ বছর ৩২৬টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী পূজার আয়োজন করা হচ্ছে সুজানগর উপজেলায় এবং সবচেয়ে কম হচ্ছে আটঘরিয়া উপজেলায়। মন্ডপগুলোর মধ্যে পাবনা সদর উপজেলায় ৫৩টি, আটঘরিয়া উপজেলায় ১৪টি, ঈশ্বরদী উপজেলায় ২৭টি, চাটমোহর উপজেলায় ৪৫টি, ফরিদপুর উপজেলায় ১৫টি, সাঁথিয়া উপজেলায় ৪৯টি, সুজানগর উপজেলায় ৫৫টি, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ১৯টি, বেড়া উপজেলায় ৪৯টি।

পাবনা শহরের মদনমোহন মন্দিরে প্রতিমা শিল্পী দেবেশ পাল জানান, দুর্গা পূজার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে দুর্গা প্রতিমা। আর এই প্রতিমা তৈরীর জন্য আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন বিভিন্ন মন্দিরের পূজা আয়োজক কমিটি, দর্শনার্থী ভক্তবৃন্দ। তাই মনমুগ্ধকর ও নিখুঁতভাবে কাজ ফুটিয়ে তুলতেই সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে আমাদের। প্রতিমা শিল্পী শ্রী ধনঞ্জয় পাল ধনু জানান, এখন প্রতিমা তৈরীতে মাটির কাজ চলছে। আগামী ৬ অক্টোবর রাতের মধ্যে সবগুলো প্রতিমার কাজ শেষ করতে হবে। তাই সহযোগীদের নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে আয়োজকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবারের একটি প্রতিমা তৈরীতে প্রতিমা শিল্পীদের ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি দিতে হচ্ছে। এছাড়া আলোকসজ্জা, তোরণ ও প্যান্ডেল তৈরীতে বিপুল পরিমান টাকা ব্যয় হবে। ১১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনে মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পাঁচদিনের শারদীয় এই উৎসব।

পাবনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী অজয় দাস জানান, প্রশাসনের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন পূজা উদযাপন কমিটির সাথে সভা করছি। সব মিলিয়ে পূজা উদযাপন পরিষদ নেতারা সার্বিক তদারকি করছে। আশা করি সুষ্ঠুভাবে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান, সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনে মিলনমেলা পরিণত হবে এই উৎসব। সবাই সহযোগিতাও করছেন বলে তারা জানান। পাবনা জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা শেখ সিরাজুল ইসলাম জানান, দূর্গা পূজা উপলক্ষে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে পাবনা জেলার মন্দিরগুলোতে ১৬৩ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মন্দির কমিটির সভাপতির মাধ্যমে বরাদ্দগুলো পৌঁছে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে উপজেলা প্রশাসনকে।

পাবনা পুলিশ সুপার আলমগীর কবির জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গা পূজা উৎযাপনের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। প্রতিমা তৈরী কালীন সময়ে যাতে প্রতিমার কোন প্রকার ক্ষতি না হয় সেজন্য আয়োজক কমিটিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং পুলিশ প্রশাসনে টহল টিম সতর্ক রয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশা করছি প্রতি বছরের মতো এবারও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হবে।

কাজিপুরে যমুনা নদী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদী থেকে ৩৫ বছর বয়সী অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার মেঘাই ১নং স্পারের কাছ থেকে মরদেহটি উদ্ধারের পর বিকেলের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সমিত কুমার কুন্ডু এ তথ্য নিশ্চিত করে সন্ধ্যার দিকে জানান, যমুনা নদী দিয়ে একটি মরদেহ ভেসে আসার স্থানীয়দের এমন খবরের ভিত্তিতে দুপুরের দিকে মেঘাই ১নং স্পার এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তার পরনে ছিল একটি হাতাওয়ালা গেঞ্জি, গায়ের রং কালো, স্বাস্থ্য ভালো। তিনি আরও জানান, গত তিন থেকে ৪দিন আগের মরদেহটির শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন ছিল না।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents