১২:৪০ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / জরুরী সংবাদ / শিগগিরই আসছে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নতুন কমিটি

শিগগিরই আসছে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের নতুন কমিটি

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ অক্টোবর। তাই নতুন কমিটি গঠনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সে হিসেবে কমিটিতে পদ পেতে পদপ্রত্যাশীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।সূত্র জানায়, সরকারবিরোধী আন্দোলন জোরদার করতে ঢেলে সাজানো হবে ছাত্রদলকে। ছাত্রদল কে আরও সক্রিয় রাখতে সভাপতি পদে যুগ্ন সম্পাদক লেভেল থেকে এবং সম্পাদক লেভেল থেকে সেক্রেটারি নির্বাচিত করার সিদ্বান্ত নেওয়া হচ্ছে। এতে বয়স কমবে ও বিবাহিত মুক্ত কমিটি হবে।তাহলে দলের পিছনে সর্বোচ্চ শ্রম দিতে পারবে..এজন্য বর্তমান কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জাম আসাদ, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া রাসেল, বায়েজিদ আরেফিন, মিজানুর রহমান সোহাগ, আবদুর রহিম হাওলাদার সেতু সভাপতি পদের জন্য সর্বাধিক আলোচনায় আছেন। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান ক্রিড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ,স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ, মেহেদী হাসান পাঠাগার সম্পাদক।

এছাড়া গাজী জুয়েল, ইয়াকুব রাজু ও সর্দার আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।বিএনপির মহাদুর্যোগেও কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করেছে ছাত্রদল। মূল দলের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের সঙ্গে দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারাও বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে চরম নিষ্ক্রিয়তার পরিচয় দেয় কিন্তু ছাত্রদল তার বিপরীত।

এই দুর্যোগ মুহূর্তে দুপুরের সূর্যের মত উজ্জ্বল ভূমিকা কেবল ছাত্রদলকেই পালন করতে দেখা গেছে। তারা ছিল রাজপথে, ছিল সংগ্রামে, ছিল মিছিলে।

জীবন-মরণকে তুচ্ছ করে ছাত্রদলের কতিপয় নেতা রাজপথে নামলেও অধিকাংশের নিষ্ক্রিয়তায় তাদের সে প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।বর্তমান ৭৩৬ সদস্য কমিটির ৫০/৬০ ব্যাতীতঅন্যরা ছিল সম্পূর্ণ নিষ্কৃয়..অবরোধ কর্মসূচি শুরুর প্রথম ২-৩ দিন ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের (সাংগঠনিক ব্যতীত সুপার ফোর) ঢাকার রাজপথে মিছিল করতে দেখা যায়। পরবর্তীতে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদককে আরও কয়েকটি মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেলেও বাকিরা আর মাঠে নামেননি।বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় রাজপথ কাপিয়েছেন মাহতাব উদ্দিন জিমি, ইমদাদ মজুমদার, লোকমান, ফারুক ও জোবায়ের হোসেন তুহিন প্রমুখ..আন্দোলনকে শতভাগ সফল করতে এরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কিন্তু অন্যদের নিষ্ক্রিয়তায় আর পেরে ওঠেননি। ছাত্রদলের শীর্ষ ৫ জন নেতার মধ্যে একমাত্র সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদই সমগ্র আন্দোলনজুড়ে কম-বেশি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। তিনি নিজে রাজপথে ৫০-৬০টি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া আসাদের তত্ত্বাবধানে তার অনুগত নেতা-কর্মীরা সমগ্র আন্দোলনজুড়ে সক্রিয় থেকে আরো ২০-২২টির মতো মিছিল করে।বিগত আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মিজানুর রহমান সোহাগ ।তার নেতৃত্বে ঢাবি ও এর আশপাশসহ ঢাকার রাজপথে ২০-২৫টি মিছিল হয়। এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় সংসদের অন্য নেতাদের সঙ্গে যৌথভাবে আরও ১০টির মতো মিছিলে অংশ নেন।বায়েজিদ আরেফিনও আন্দোলনজুড়ে কম-বেশি সক্রিয় ছিলেন।তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১২-১৪টি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। এছাড়া বায়েজিদের নির্দেশনায় তার অনুগতরা আরও ৪-৫টি মিছিল করে।জানা যায়, মিয়া মো. রাসেল সমগ্র আন্দোলনজুড়ে নিষ্ক্রিয় থেকে একেবারে শেষ দিকে এসে ১০-১২টি মিছিলে অংশ নেয়।আর আবদুর রহিম হাওলাদার সেতু ৫-৬টি, নূরুল হুদা বাবু ৫-৭টি, আব্দুল করিম সরকার ৪-৫টি, মফিজুর রহমান আশিক ৭-৮টি, ফয়েজ উল্লাহ ফয়েজ ৬-৭টি, মামুন হোসেন ভূইয়া ২টি, শহীদুল ইসলাম সোহেল ৩-৪টি, সামসুল আলম রানা ১২-১৪টি, বি এম নাজিম মাহমুদ ৪-৫টি, মেহবুব মাসুম শান্ত ২০-২২টি, এস এম কবীর ৫-৬টি এবং হাসানুল বান্না গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত ৬-৭টি মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।২৩ জনের সম্পাদকীয় পদের মধ্যে রাজপথের আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন ক্রীড়া সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ ।রাজপথ থেকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে ৪০-৫০ মিছিল করেন। স্কুল বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান ২০-২৫ টি অধিক মিছিলে অংশ নেন।যোগাযোগ সম্পাদক গাজী মো. সুলতান জুয়েল ৪-৫টি, অর্থ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ১৫-১৬টি, বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক মো. ইয়াকুব রাজু ১০টি, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাহাদাৎ হোসেন ৩-৪টি মিছিল করেন..তাই ধারণা করা হচ্ছে তাদের মাঝ থেকে ছাত্রদলের পরবর্তী সভাপতি/সেক্রেটারি নির্বাচিত হবে..প্রতিপক্ষের কাছে যারা নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের ক্ষমতা রাখেন, তাদেরকেই সংগঠনটির শীর্ষ পদে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন পরামর্শকরা।বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ এ সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী একাধিক হলেও ইতোমধ্যে সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে।

তবে সেই তালিকা চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়া অন্য কেউ জানে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে লন্ডনের একটি সূত্র জানিয়েছে।

একদিকে জাতীয় নির্বাচন অন্যদিকে নানা কারণে কোণঠাসা বিএনপি- এমন পরিস্থিতি মাথায় রেখেই গ্রহণযোগ্য একটি কমিটি গঠনের চিন্তা করছে বিএনপির হাইকমান্ড ।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents