৭:২৬ পূর্বাহ্ণ - সোমবার, ১৯ নভেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / রাজনীতি / আওয়ামী লীগ / টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগের দাবি সাংসদ রানার ফাঁসি

টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগের দাবি সাংসদ রানার ফাঁসি

টাঙ্গাইল, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): নিজ দলের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে টাঙ্গাইল আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগেরই নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যার মামলায় রানা বর্তমানে কারাগারে আছেন। গত রবিবার এই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চান রানা। তবে তার আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান বিচারক।

সোমবার রানার মৃত্যুদন্ড দাবিতে বিক্ষোভের পাশাপাশি সমাবেশ করে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ। মূল দলের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়। বক্তারা রানার তিন ভাইসহ সব আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।

দুপুরে টাঙ্গাইলের পৌর উদ্যান থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আদালত চত্বরের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগে কোনো খুনির স্থান নেই। এখন রানা আমাদের দলের কেউ না। তার মত এক নেতা না থাকলে দলের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, নিহত ফারুক আহমদের স্ত্রী নাহার আহমেদ প্রমুখ।

একই দাবিতে রানার নির্বাচনী এলাকা ঘাটাইল, নাগরপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় একই দাবিতে বিক্ষোভ করেছে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা।

সংসদ সদস্য মতিউর রহমানের মৃত্যুতে খালি হওয়া টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের উপনির্বাচনে ২০১২ সালের ১৮ নভেম্বরের উপনির্বাচনে ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রানা। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ওই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েই জিতেন রানা। পরে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রানাকে প্রার্থী ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ। এই নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী খান পরিবারের বড় ভাই রানার বিরুদ্ধে নানা সময় ৪৬টি মামলা ছিল। তবে তিনি ৪৪টিতেই অব্যাহতি পেয়েছেন।

ফারুক হত্যা মামলার এজাহারে শুরুতে রানার নাম ছিল না। ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে টাঙ্গাইলের কলেজপাড়া এলাকায় তাঁর বাসার সামনে পাওয়া যায় আওয়ামী লীগ নেতা ফারুকের লাশ। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। এতে আসামি হিসেবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। ২০১৪ সালের আগস্টে এই মামলার আসামি আনিছুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রানা ও তিন ভাইয়ের নাম জানান।

এরপর রানা ও তাঁর ভাইরা আত্মগোপনে চলে যান। গত ৩ ফেব্রুয়ারি তিন ভাইসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। তিন দিন পর ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। ১৭ মে তাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করে এবং মালামাল জব্দ করার নির্দেশ দেন আদালত। ২০ মে রানা ও তাঁর তিন ভাইয়ের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মালপত্র জব্দ করে পুলিশ। তবে সেখানে উল্লেখযোগ্য কিছু ছিল না। সর্বশেষ ১৬ জুন আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি রানার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি চিঠি দিয়ে জানানো হয় জাতীয় সংসদের স্পিকারকে। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

জনগণ ছেড়ে বিদেশিদের কাছে কেন : ঐক্যফ্রন্টকে ওবায়দুল কাদের

গাজীপুর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের চন্দ্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক চার লেনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents