৭:২১ পূর্বাহ্ণ - সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর , ২০১৮
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / সিলেটের রাগিব আলীর দখল করা চা-বাগানের পর এই সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা ৭১৫ অবৈধ স্থাপনা বুঝে পেলেন সেবায়েত

সিলেটের রাগিব আলীর দখল করা চা-বাগানের পর এই সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা ৭১৫ অবৈধ স্থাপনা বুঝে পেলেন সেবায়েত

সিলেট, ৩১ আগষ্ট, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): সিলেটের তারাপুর চা-বাগানের ৩২৩ একর জায়গার পর এবার বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে এই দেবোত্তর সম্পত্তিতে গড়ে ওঠা ৭১৫ অবৈধ স্থাপনা। উচ্চ আদালতের দেয়া রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত  সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে স্থাপনাগুলো সরেজমিনে বুঝিয়ে দেন সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর মো. মাহবুবুর রহমান।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আখতার হোসেন, ভূমি অফিসের কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের লোকজন।

তবে, রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজসহ রাগীব আলীর দখলে থাকা স্থাপনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা ৭৯২৫ নম্বর রিটসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে হস্তান্তরিত সম্পত্তি বুঝিয়ে দেয়া হয়নি।

ইউএনও মীর মো. মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ‘তারাপুর চা-বাগানের অবৈধ স্থাপনাগুলোর মধ্যে কিছু স্থাপনা আজ বুধবার আমরা সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দিয়েছি। ’

ইতিপূর্বে অবৈধ স্থাপনার গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য প্রশাসনের দেয়া নোটিশ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, ‘উচ্ছেদ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। যখন উচ্ছেদে যাব তখন গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।’

রায় অনুযায়ী এখন পর্যন্ত কী কী বুঝে পেয়েছেন জানতে চাইলে সেবায়েত পঙ্কজ কুমার সাংবাদিকদের বলেন, ‘৭১৫ জনের দখলে থাকা অবৈধ স্থাপনাগুলো প্রশাসন আজ বুঝিয়ে দিয়েছে। ক্ষতিপূরণের জন্য আদালত যে নির্দেশ দিয়েছেন, রাগিব আলী সেই টাকা এখনো দেননি। তিনি ইতিমধ্যে সীমান্ত দিয়ে ভারত পালিয়ে গেছেন। আশা করি আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের টাকা আদায় করা হবে।’

জালিয়াতির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা দখলে রেখেছিলেন সিলেটের ‘কথিত দানবীর’ হিসেবে পরিচিত শিল্পপতি রাগীব আলী। ৪২২ দশমিক ৯৬ একর জায়গায় গড়ে ওঠা তারাপুর চা-বাগান পুরোটাই দেবোত্তর সম্পত্তি।

১৯৯০ সালে ভুয়া সেবায়েত সাজিয়ে বাগানটির দখল নেন ব্যবসায়ী রাগীব আলী। তিনি নিজের নামে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।  ৩৩৭টি প্লট তৈরি করে সেগুলো বিক্রি করে দেন। এসব প্লটে গড়ে উঠেছে বহুতল আবাসিক ভবন ও বিপণিবিতান।

গত ১৯ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে হাইকোর্টের আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ তারাপুর চা-বাগান দখল করে গড়ে ওঠা সব স্থাপনা ছয় মাসের মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। রায় বাস্তবায়ন করতে সিলেটের জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এর আগে গত ১৫ মে চা-বাগানের বিভিন্ন স্থাপনা ছাড়া ৩২৩ একর ভূমি সেবায়েত পঙ্কজ কুমার গুপ্তকে বুঝিয়ে দেয় জেলা প্রশাসন। সৌজন্যে ঢাকাটাইমস

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

বিকল্পের সন্ধানে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনে দেরি হচ্ছে : ওবায়দুল কাদের

ঢাকা, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে কোটা …

স্যাটেলাইট মহাকাশে ঘোরায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে : মোহাম্মদ নাসিম

ফেনী, ১৩ মে ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হওয়ায় বিএনপির মাথাও ঘুরছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents