৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ - রবিবার, ২১ জুলাই , ২০১৯
Breaking News
Download http://bigtheme.net/joomla Free Templates Joomla! 3
Home / সারা দেশের খবর / বিভাগের খবর / চট্টগ্রাম / চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী সংরক্ষণে ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী সংরক্ষণে ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

high cortঢাকা, ১৩ আগষ্ট, ২০১৬ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): আজ বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি কাশেফা হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ  চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী সংরক্ষণে নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা ২ হাজার ১৮১টি অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

রায়ে বলা হয়, পরিবেশ আইন ও জলধারা আইন অনুযায়ী, নদীর তীর দখল করে কোন ধরণের অবৈধ স্থাপনা করা যাবে না। কর্ণফুলী নদীর তীর দখল করে যে সব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, রায় প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়ে স্থানীয় দুটি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এরপর ৯০ দিনের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিতে হবে। যদি স্থাপনা না সরানো হয়, তাহলে চট্রগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী, বিআইডাব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান ও চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসক এসব স্থাপনা অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা নৌবাহিনী ও বন্দর কর্তৃপক্ষের জেটিসহ ৬টি স্থাপনা সরকারি সংস্থার হওয়ায় এগুলো অপসারণ করা যাবে না বলে জানিয়েছে আদালত। তবে এ সব সরকারি সংস্থাকে তাদের স্থাপনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে অনুমতি নিতে হবে এবং পরিবেশ অধিদপ্ততরকে ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে ওই আবেদন বিবেচনা করতে বলা হয়েছে।

বিয়য়টির ওপর শুনানিতে রিট দায়েরকারী পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল জহিরুল হক অংশ নেন। কর্ণফুলী নদী সংরক্ষণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১০ সালের ১৮ জুলাই হাইকোর্ট কর্ণফুলী নদী সংরক্ষণ এবং নদী দখল করে গড়ে উঠা স্থাপনা অপসারণের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না-তা জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করে। এ ছাড়া নদীর তীর দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনার তালিকা আদালতে দাখিল করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়। গত বছরের ৮ নভেম্বর জেলা প্রশাসনের ওই তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়।

এডভোকেট মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের বলেন, জেলা প্রশাসনের দাখিলকৃত তালিকায় দুই হাজারের অধিক দখলদারদের নাম রয়েছে। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী এখন এসব স্থাপনা অপসারণ করতে হবে। তিনি বলেন, মামলাটি চলমান থাকবে। যেকোনো সময় যেকোনো পক্ষ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন।

অন্যরা য়া পড়ছে...

Loading...



চেক

সকল ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ দেশের শান্তি ও অগ্রগতি …

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওমরাহ পালন

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ইং (বাংলা-নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার রাতে এখানে পবিত্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

My title page contents